somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি কে?

১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৩৮ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী, ৯ ফাল্গুন ১৩৪৪ সনে আমার জন্ম নোয়াখালী জেলার সুধারাম মহকুমায় কাচারীর হাটের উত্তরে, উত্তর বাটৈয়া বা খাজুরিয়া গ্রামে, আমার প্রপিতামহ রামকুমার ডাকতারের বাড়িতে ১৯৩৮ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী, ৯ ফাল্গুন ১৩৪৪ সনে আমার জন্ম। আমার বাবা এলাকার প্রথম গ্রাজুয়ট, মনোমোহন শীল। মাতা সুভাষিনী। মামার বাড়ী সেনবাগ থানার বিজবাগ গ্রামে। আমাদের বাড়ীর সামনে, পূবদিকে, বেশ বড় একটি দিঘী ছিল। দিঘীর হুবদৈহনের কোনে আছিল দোল মঞ্চ । দৈনে আছিল বড়হৈর, হৈচে আছিল ছোডহৈর। দিঘীর দৈনের দিগে ছেরু ব্যায়ারীর বাড়ীর জয়নাল আছিলো আঁর বন্ধু। ব্যয়ানে হাঁডি হাঁডি ইশকুলে যাইতাম দূরে কন্দাই হিয়া আইজ আর মনে নাই। হুইনছি আঁর ঠাউদ্দা মহেশ মোন্দার আছিলেন ভুল্লার জমিদারের তোশিলদার, পূণ্যহ বা হুইন্যা মচ্ছব কৈরতেন হৈসার গরমে। আমরা কিন্তূ খুব গরীব ছিলাম হেই সময় ১৯৪৩ তুন ১৯৪৮ সালে দ্যশ ছাড়া ইস্তক। ১৯৪৭ সালে দাঙ্গার সময় আঁর বাপেরে বাঁচাইছে খিদিরপুরে আঁঙ্গো দ্যাশের মোছলমানেরা, দুই দিন দাঙ্গারতুন বাঁচাই, লুঙ্গি হরাই, হেতেনেরে হিন্দু এলাকায় ঠেলি দিছে। নোয়াখালীর কুখ্যাত দাঙ্গার সময় আমাদের মুসলমান প্রতিবেশীরা অভয় দিয়েছিলেন যে তক্ষন আমরা তাঁদের এলাকায় আছি, আমাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত।তাঁরা কথা রেখেছেন। আমাদের এলাকায় কোনো দাঙ্গা হয়নি। এ ঘটনা আমাকে ধর্ম নিরপেক্ষ করেছে। আমরা দুই ভাই ও এক বোন। দাদা নরেশ্চান্দ্র রেলের ডাক্তার ছিলেন, মারা গেছেন 1982তে। বোন গীতাঞ্জলিও মারা গেছে 1988এ। আমিও ডাক্তারি পাশকরে মাস্টারি করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান পদ থেকে অবসর নিয়েছি। দীর্ঘদিন থেকে জনবিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনে যুক্ত আছি, এখনো সামান্য লেখালেখি করি। এ কাজের সূত্রে ঢাকা সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কিঞ্চিত যোগাযোগ ছিল, সেটা পুনরুদ্ধার হলে ভালো লাগবে। আকৈশোর কমিউনিস্ট পার্টি্র খিদমত করে ১৯৮৫ থেকে পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছি। নিজেকে নাস্তিক বা অ্যাগনস্টিক বামপন্থী মনে করি। কিছুদিন সোভিয়েট রাশিয়য় থেকে মনে হয়েছিল, রাশিয়াই শুধু রাশিয়া মহান দেশ; যেখানে হয়েছে গোলামীর দিন শেষ। কিন্তূ এখন দেখি সবই ফাঁকি। অনেকর মতো বিভ্রান্ত হয়ে বসে আছি। অন্ধ কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, হিংসা, মিথ্যাচার, পেশীশক্তি সারা বিশ্বে দাপাচ্ছে। আমার লেখার শুরুতে নস্টালজিয়া ও শেষে হতাশা? আজ এখানেই শেষ করছি। পরিশেষে জানাই, বাংলা লিখতে বাংলা ওয়ার্ড সফটওয়্যারের ব্যবহার সহজতর, আপনারা সেটি ব্যবহার করলে সবার সুবিধা হবে। ইতি ডাঃ জ্ঞানব্রত শীল। ডাঃ জ্ঞানব্রত শীল।ডাঃ জ্ঞানব্রত শীল। apnader tinte software diye amar nam likhe dekhlam, akhono amar dharona Bangla Word anek bhalo.
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×