somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ডঃ রুহুল আমিন চৌধুরী।
স্বাধিনতার শত সহস্র, লক্ষ কোটি “সুফল" - কিন্তু একটি মাত্র “কুফল” - দেশের নিতি নির্ধারণে অযোগ্য লোকেরা সব উচ্চাশনে - রাজনিতিতে ও প্রশাসনে - ফলে দেশটি যথাযথভাবে উন্নতিতে আগাতে পারছে না।তারপরেও যেটুকু এগিয়েছে, অধিকাংশ সাধারণের ব্যক্ত

দেশের মেধাবিদের বিদ্যুৎ উৎপাদনকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ সংকট কাটানো ও দেশকে সমৃদ্ধ করতে সকলের নিকট বিনত আবেদন -

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার দেশের মেধাবি সন্তানদের ৪৫ (পয়তাল্লিশ) হাজারের অধিক বিশ্বমানের আবিষ্কার সমুহ ব্যাপক উতপাদন, বিপনন, বাজারজাতকরণ ও বিদেশে রপ্তানির জন্যে রাষ্ট্রিয় স্বিকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা একান্ত জরুরি । অধিকতর উন্নত গবেষণার ব্যবস্থা করাও আবশ্যক । প্রয়োজনে, বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ বা সামান্য সুদে (নাম মাত্র সুদে) ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করলেও এসব আবিষ্কারকদের উতসাহ বা প্রেরণা বা প্রনোদনা দেয়া যেতে পারে । ব্যাপক উতপাদনের, বিপনণের ও বাজারজাতকরণের এবং বিদেশে রপ্তানির জন্যে গণভবণে মাননিয় প্রধানমন্ত্রির একান্ত সান্নিধ্যে, কঠোর নির্দেশনায় ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে একটি “গবেষণা কর্মসুচি” গ্রহণ একান্ত জরুরি বলে প্রতিয়মান । যে খাত থেকে মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আসবে দেশে । লাখ লাখ বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে দেশের । ‘মুজিব শতবর্ষ’ ও ‘স্বাধিনতার পঞ্চাশ বর্ষ’ স্মরণে এ বিষয়ে একটি “গবেষণা কর্মসুচি” (Research Program) গ্রহণের মাননিয় প্রধানমন্ত্রির বরাবরে বিনত আবেদন জানাচ্ছি ।
বিদ্যুৎ আবিষ্কার –
০৭. চট্টগ্রাম - ‘আলু’ থেকে “বিদ্যুত” উৎপাদন করে বাতি জ্বালিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ক্ষুদে এই বিজ্ঞানিরা । আলু থেকে বিদ্যুত আবিষ্কারক চট্টগ্রাম জেলার মিরশরাই উপজেলার মঘাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষুদে বিজ্ঞানি ইমন, আসিফ বিশ্বনাথ, সাকিব ও প্রসেনজিত জানিয়েছেন, ‘আলু’র ভেতরে থাকে প্রচুর পরিমানে ‘সৌরশক্তি’ যেটি কাজে লাগিয়ে অনায়াসে ‘বিদ্যুৎ’ উৎপাদন করা সম্ভব । ‘আলু’ থেকে ‘বিদ্যুৎ’ উৎপাদনে একটি এল.ই.ডি. বাল্ব জ্বালাতে ১০টি আলু, জিংকের পাত, ১০টি তামার পাত ও সামান্য তার ও দুটি আলাদা ধাতব দণ্ড ব্যবহার করা হয়েছে। ধাতব দণ্ডের মধ্যে রয়েছে একটি ‘অ্যানোড’ বা ‘নেগেটিভ’ এবং অন্যটি ‘ক্যাথোড’ বা ‘পজেটিভ’ । এরপর দণ্ড আলুর দুই প্রান্তে গেথে আর দণ্ডের অপর প্রান্তের সাথে দুইটি পরিবাহী লাগানো হয়েছে। পরবর্তীতে অ্যাসিডিক পদার্থকে সংশ্লেষণের মাধ্যমে ‘বিদ্যুৎ’ উৎপন্ন করা হয়েছে । যা এর আগে কেউ ভাবেনি, আবিষ্কারও করেনি।
(খ) প্রজেক্টের মধ্যে পাইলটবিহিন হেলিকপ্টার, হাইড্রোলিক ব্রিজ ও সৌর পাম্প, খাবার লবণ থেকে গৌন ‘বিদ্যুত’ কোষ, হোম মেড ‘সোলার এসি, সোলার গাড়ি, সলিনয়েড, ফেলনা জিনিস থেকে চার্জলাইট তৈরি অন্যতম।
(গ) সংযোগ ছাড়াই চলবে সব বাড়িতে বা বহুতল ভবনে অথবা কলকারখানাসহ সব জায়গাতেই কোন রকম ইলেকট্রিক তার সংযোগ ছাড়াই চলবে এসি, ফ্রিজ, টেলিভিশন, ফ্যান’ ‘কম্পিউটার’ সহ যাবতিয় ইলেকট্রিক এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্য। বৈদ্যুতিক তার সংযোগ ছাড়াই নির্দিষ্ট জায়গায় ফ্রিজ, এসি, ফ্যান, লাইট চালানো বিষয়টি অবাক করারই ব্যাপার।

০৮. যশোর - নতুন এক উদ্ভাবনের কথা জানালেন যশোর শার্শা বুরুজবাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কারিগরি বিভাগের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থি উম্মে হাবিবা জামান শ্রাবনী। হাবিবা জামান শ্রাবনীর উদ্ভাবিত ‘ওয়ারলেস পাওয়ার ট্রান্সমিশন সিস্টেম’ প্রজেক্ট। প্রজেক্টটি কিভাবে কাজ করে জানতে চাইলে এ খুদে বিজ্ঞানি জানান, ওয়ারিং ছাড়াই ঘরের সব ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য চালানো সম্ভাব এ প্রজেক্টের মাধ্যমে। তাছাড়া এ প্রজেক্টের মাধ্যমে জানা যাবে পুরাতন ঘরে ওয়ারিং এর ত্রুটি-বিচ্যুতি । একটি বারো ভোল্টের পাওয়ার সাফলাইয়ার, একটি প্রাইমারি ও একটি সেকেন্ডারি বিদ্যুতের কয়েল, একটি পাওয়ার টেনজেজটার দিয়ে মাত্র ৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকার মাধ্যমে ছোঁট আকারে এ প্রজেক্ট চালু করা হয়েছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে মাত্র এক হাজার থেকে ২ হাজার টাকা খরচ করে ফ্লাটে বা কলকারখানায় এ প্রজেক্ট চালু করা সম্ভব বলে জানান এই খুদে বিজ্ঞানি। খুদে বিজ্ঞানি উম্মে হাবিবা জামান শ্রাবনীর কাছে ‘ওয়ারলেস পাওয়ার ট্রান্সমিশন সিস্টেম’ আবিস্কারের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি প্রায় সময় টেলিভিশনে ও সংবাদ পত্রে দেখি ওয়ারিং এর ক্যাবেল থেকে সর্টসার্কিট (Short Surcuit) হয়ে ভবনে আগুন লেগে ব্যাপক যানমালের ক্ষতি হয়। এ নিয়ে আমি ভাবতে থাকি কিভাবে এ শর্টসার্কিট (Short Surcuit) থেকে এবং যানমালের ক্ষতি থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আমার এই ভাবনা থেকেই কাজ শুরু হয়। এক সময়ে আমি ডিজিটাল এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ যন্ত্রটি তৈরি করতে সক্ষম হই। কোন রকম বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ ছাড়াই আমি এক সময়ে ফ্যান, লাইটসহ যাবতিয় ছোঁট আকারের ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য চালাতে সক্ষম হই। এখনো যন্ত্রটির ব্যবহার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা সম্ভব বলে জানান এ খুদে বিজ্ঞানি।

১৯. দিনাজপুরের পুলহাট, মাঝিপাড়া এলাকার মো: বাবুল হোসেনের ছেলে শহিদ হোসেন ২০০৮ খৃস্টাব্দে আবিষ্কার করেছে ‘বিনা খরচে বিনা জ্বালানিতে “বিদ্যুত” উতপাদন’ - কিন্তু সরকারের কোনো পৃষ্ঠপোষকতা পায়নি – সহানুভূতির জন্যে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে -

২০. নাটোর - দেশিয় প্রযুক্তিতে স্ব্ল্প খরচে “বিদ্যুত” উতপাদন যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন নাটোরের বড়াই গ্রামের পাচ বাড়িয়ার জালাল উদ্দিন । তিনি আবিস্কার করেন এই ‘বিদ্যুত’ উতপাদন প্রক্রিয়া । প্রতি ইউনিট বিদ্যতের খরচ পড়বে মাত্র ০.২০ পয়সা । ‘কোনো জ্বালানির প্রয়োজন হবে না’ । বাহিরের যে কোনো শক্তি দশ মিনিট ব্যবহার করলেই উতপাদিত ‘বিদ্যুত’ শক্তি রিসাইকেলিং পদ্ধতিতে বিদ্যুত তৈরি করতে থাকে । সেখান থেকে ৬০% বিদ্যুত গ্রাহকদেরকে দেয়া সম্ভব । মেকানিকাল শক্তি জ্বালানির কাজ করবে । সরকারের সহায়তা পেলে এই পদ্ধতিতে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ‘বিদ্যুত’ উতপাদন করে বর্তমানের চেয়ে অনেক কম মূল্যে ‘বিদ্যুত’ সরবরাহ করা সম্ভব ।
২১. লালমনিরহাটের নব্য বিজ্ঞানি খ্যাত শফিকুল ইসলাম ‘কার্বন ডাই অক্সাইডের’ মাধ্যমে “বিদ্যুৎ” সহ অন্যান্য জ্বালানি উৎপাদনে সরকারি অনুমোদন চান তিনি। এর অনুমোদন ও সার্বিক সহযোগিতা চেয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের কাছে আবেদনও করেছেন তিনি। শফিকুল ইসলাম লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ বাজার এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। পেশায় একজন বৈদ্যুতিক পণ্য বিক্রেতা। শফিকুল ইসলাম জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের এ যুগে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ হ্রাস করা বিশ্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে । নয়তো আগামি প্রজন্মের কাছে উপকূলীয় দেশগুলো পানিতে নিমজ্জিত হয়ে বসবাসের অযোগ্য হবে । পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কমাতে এটির ব্যবহার বাড়ানো খুবই জরুরি। তাই কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে বিদ্যুত এবং জ্বালানি গ্যাস ও পেট্রোল উৎপাদনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন তিনি।

২৩. কুষ্টিয়া - সৌর “বিদ্যুত” দিয়ে সেচ পাম্প চালানো কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের কালিনাথপুর গ্রামের এ উদ্যোগ সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে “টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সেডা) । ইউ.এন.ডি.পি.র অর্থায়নে ও সোলার-ই-টেকনোলজির কারিগরি সহায়তায় পাম্প থেকে পানি নিয়ে ফসলে ব্যবহারের পরেও অতিরিক্ত বিদ্যুত অপচয় হতো। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৫ কিলো ওয়াটের ১৯ কিলোওয়াট ব্যবহৃত হতো ০৩ মাস। ০৬ কিলোওয়াট প্রতিদিন অতিরিক্ত অপচয় হতো। সারা বছর বাকি সময় ২৫ কিলোওয়াট জাতিয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।
২৪. ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ৯ম শ্রেণির তিন ক্ষুদে শিক্ষার্থি ময়লা আবর্জনা থেকে “বিদ্যুৎ” উৎপাদন কেন্দ্র বানিয়েছেন, কিভাবে ময়লা আবর্জনাকে রিফাইন করে “বিদ্যুৎ” উৎপাদন করা যাবে। মুনতাসির মুবিন, সামির চৌধুরী আর লেহান হায়দারের এ প্রজেক্টটির নাম‘‘মডার্ন ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট’’। তাদের প্রজেক্টে প্রথম ময়লা আবর্জনা ফেলার একটি চেম্বার করা হয়েছে । সেখান থেকে কম্বারশন চেম্বারে গিয়ে ময়লা পুড়ে “বটম অ্যাশ” নিচে পড়বে। সেখানে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটের মাধ্যমে মেটাল জাতীয় পদার্থ আলাদা করা হবে। আর ফ্লাই অ্যাশগুলো স্প্রে ড্রাইয়ারে যাবে। সেখানে আরো ড্রাই হবে। তারপর ফ্লাই অ্যাশ কার্বন থেকে আলাদা করে অন্যত্র নিয়ে কাজে লাগানো হবে। অন্য দিকে কার্বন ফিল্টার করে জলিয় বাষ্প বেড় করে দেবে। এই জলিয় বাষ্প একটি ড্রামে যাবে সেখানে কমপ্রেস হয়ে টার্বাইন ঘুরাবে, টার্বাইন ঘুরলে “বিদ্যুৎ” তৈরি হবে। জলিয় বাষ্প পুনরায় কুলারে গিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে আবার কম্পারশন চেম্বারে যাবে বাষ্প হওয়ার জন্য। এভাবে একই জলিয় বাষ্প কয়েকবার ব্যবহার করা যাবে।
২৫. বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বি.এ.এফ) শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্ষুদে বিজ্ঞানী ৭ম শ্রেণির ছাত্র আরাফাত নিলয় । আরাফাতের উদ্ভাবনের নাম ‘ফ্রি এনার্জি প্রজেক্ট’। বাংলাদেশের অনেক গ্রামে এখনো ‘বিদ্যুত’ পৌঁছেনি । এ প্রজেক্টের মাধ্যমে গ্রামের গরিব মানুষদের বিনা খরচে ‘বিদ্যুত’ পৌঁছে দিবে।
২৬ . জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ফুলকুচা ইউনিয়নের রেখিরপাড়া গ্রামের মৃত আফসার আলির ছেলে জাফর ইকবাল দীর্ঘ ৮ বছর গবেষনা করে ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে আবিষ্কার করেছেন গ্যাস, তেল, জ্বালানি বিহিন ‘বিদ্যুত’ উতপাদন । জাফর ইকবাল আবিষ্কৃত ‘বিদ্যুতে’ লাইট, ফ্যান, টেলিভিশন চালানো সম্ভব।
২৭ . ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার খয়ের তোলা গ্রামের বিল্লাল হোসেন মাত্র ১২ ভোল্পের একটি ব্যটারি দিয়ে ৭,৫০০ ওয়াট ‘বিদ্যুত’ উতপাদনে সক্ষম হয়েছেন । বাসা বাড়ির লাইট, ফ্যান, টেলিভিশন চালানো সম্ভব। হ্যামকো ব্যাটারি দিয়ে চলবে। মোট ব্যয় হয়েছে ০১ লাখ ৬০ - ৭০ হাজার টাকা ।
২৮ . কুমিল্লার রানার আবিষ্কার! সাইকেলের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুত উৎপাদন বাইসাইকেলের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হওয়ার কথা নতুন নয়। তবে স্বল্প খরচে বাইসাইকেলের চাকা ঘুরিয়ে উৎপন্ন বিদ্যুৎ থেকে বৈদ্যুতিক লাইট, ফ্যান, টিভি এমনকি পানি তোলার পাম্প বলবে বলে দাবি করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রানা মজুমদার।
সাইকেলের চাকার গতিশক্তির মাধ্যমে চুম্বকক্ষেত্র থেকে এমনি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার দাবি করেছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রানা। করোনা ভাইরাসের কারণে চার মাসের অধিক সময় বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। বন্ধের সময়টা বসে না থেকে সাইকেলের এক চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার কাজে নেমে পড়েন এই শিক্ষার্থী।
রানা জানান, সাইকেলের চাকা থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার যন্ত্র অনেক আগে আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে সেগুলো থেকে আমার যন্ত্রটি ভিন্ন। এখানে কম খরচে অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। আবিষ্কৃত সাইকেল ডায়নামো থেকে শতভাগ আউটপুট পাওয়া যাবে, যা ব্যবহার করে লাইট, ফ্যান, টিভি এমনকি পানি উত্তোলনের পাম্প মেশিন চালানো সম্ভব।
তবে এ যন্ত্রের সক্ষমতা নির্ভর করবে ব্যাটারির শক্তির ওপর। আমরা যদি বেশি ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করি তা হলে বেশি সময় শক্তি যোগান দিবে। বর্তমানে বাংলাদেশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। লোডশেডিং হলে সাইকেল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুতের মাধ্যমে একটি পরিবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে দাবি এই তরুণ বিজ্ঞানীর।
এছাড়া যেসব এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি সেখানে এই সাইকেল ডায়নামো ব্যবহার করা যাবে বলেও জানান তিনি। ছোটবেলা থেকেই তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক বিষয়গুলোর প্রতি দুর্বল ছিলেন রানা মজুমদার। তিনি জানান, ছোটবেলায় যখন মোটর দিয়ে পাখা বানাতাম তখন একটা ভাবনা মাথায় আসতো।
‘কারেন্ট দিলে মোটর ঘোরে, কিন্তু আমরা যদি মোটর ঘোরাই তা হলে কি কারেন্ট তৈরি হবে ?’ সেই চিন্তা ভাবনাকে বাস্তবে পরিণত করতে পারলাম সাইকেল ডায়নামো আবিষ্কার করে।
কুমিল্লা জে’লার সদর দক্ষিণ উপজে’লার সাওড়াতলির ছেলে রানা মজুমদার। বাবা সেলিম মজুমদার ও মা জফুরা বেগমের আট ছেলেমেয়ের মধ্যে ষষ্ঠ। তবে রানা মজুমদারের পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আপাতত বড় পরিসরে এ যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বড় পরিসরে সাইকেল ডায়নামো উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন বলে জানান তিনি।
২৮ . মহাজাগতিক শক্তি থেকে “বিদ্যুত” উতপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন আমাদের দেশের সন্তান প্রফেসর ইজ্ঞিনিয়ার আহমেদ এফ. কামাল (পত্রিকার কপি সংযুক্ত)
২৯ . বরগুনার - স্বল্প মূল্যে আই. পি. এস. আবিষ্কার করেছে বরগুনার রহিম - রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ব্যাপক উতপাদন ও বাজারজাত করতে পারে নি -

১১২. বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মোসলে উদ্দিন সাহান – নবায়ণযোগ্য স্মার্ট সোলার হাইওয়ে ও পাওয়ার প্লান্ট পদ্ধতিতে সূর্যের আলোর মাধ্যমে দুই কিলোমিটার হাইওয়ে থেকে তিনটি উপায়ে সোলার বিদ্যৎ উৎপাদন সম্ভব – সূর্যের আলোর মাধ্যমে দুই কিলোমিটার হাইওয়ে থেকে ৬,৭০০ মেগাওয়াট ও ১,৫০০ মেগাওয়য়াট সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব – কয়লা পিচ ও বিটুমিন দিয়ে অ্যাক কিলোমিটার সড়ক তৈরিতে খরচ হয় ০৬ কোটি টাকা – মোসলে উদ্দিন সাহান আবিস্কৃত পদ্ধতিতে করচ হবে ০৪ কোটি টাকা- স্থায়িত্ব মিলবে ৪০ থেকে ৫০ বছর –

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:০৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

লাল সালুতে মজিদ টিকে গিয়েছিল, শামীম সেটা পারেনি।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৪৮


আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের তৌহিদি জনতা মব করে একজন মানুষকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মেরে ফেলেছে, তার আস্তানা ভাঙচুর করেছে, আগুন দিয়েছে। নিহত ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোরআন , হাদিস ও ফিকাহ মতে ইসলামে সঠিক পথ অনুসরণ প্রসঙ্গ কথামালা ( সাময়িক পোস্ট)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:১৫


“আল্লাহ অভিন্ন ফিকাহ মানার কথা বললে রাসূল (সা.) কোরআন ও হাদিসের মানার কথা কিভাবে বললেন? “ এই শিরোনামে গতকাল সামুতে প্রকাশিত ব্লগার মহাজাগতিকচিন্তার একটি বিশালাকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বাসী মানব মনের উপর বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বোরান পাঠের ঐশ্বরিক প্রভাব

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

আমি গত প্রায় ১৮ বছর যাবত আমার বর্তমান এলাকায় বসবাস করছি। স্থানীয় মাসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় চার মিনিটের মত হাঁটা পথে অবস্থিত বিধায় চেষ্টা থাকে দিনে যতবার সম্ভব, মাসজিদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেঁচে আছি, বেঁচে আছি!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

নতুন জেনারেশনের জ্ঞানগরিমায় যুগপৎ মুগ্ধ ও বিস্মিত হয়ে নিজেকে মনে হয় নিতান্তই জেনারেল!
তাহারা কতকিছু যে জানে, জানে না তাহারা যে জানে! তাবৎ দুনিয়ার খবর তাহাদের তালুর চিপায় নিদ্রামগ্ন!
গুগলাব্বার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ ২০২৪: অস্থিরতার অন্তরালে কী ছিল? লেখকীয় বিশ্লেষণ | সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৫

ছবি

বাংলাদেশে ২০২৪: ক্ষমতার পালাবদল নাকি গোপন সমন্বিত পরিকল্পনা?

২০২৪ সালের আগস্ট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অস্থির ও বিতর্কিত অধ্যায়। ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে অনেকের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×