somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ডঃ রুহুল আমিন চৌধুরী।
স্বাধিনতার শত সহস্র, লক্ষ কোটি “সুফল" - কিন্তু একটি মাত্র “কুফল” - দেশের নিতি নির্ধারণে অযোগ্য লোকেরা সব উচ্চাশনে - রাজনিতিতে ও প্রশাসনে - ফলে দেশটি যথাযথভাবে উন্নতিতে আগাতে পারছে না।তারপরেও যেটুকু এগিয়েছে, অধিকাংশ সাধারণের ব্যক্ত

আবিষ্কার – মাছ চাষ- রিসার্কুলেটিং অ্যাকোয়াকালচার সিস্টেম (রাস)-

০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আবিষ্কার – মাছ চাষ- রিসার্কুলেটিং অ্যাকোয়াকালচার সিস্টেম (রাস)-
রিসার্কুলেটিং অ্যাকোয়াকালচার সিস্টেম (রাস) মাছ চাষের একটি অগ্রসরমান আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির ধারণা – দেশে তৈরি প্লাস্টিক সিট দিয়ে তৈরি ড্রাম আকৃতির বেশ বড়ো একটি ট্যাংকে পানি ধরবে ১০ হাজার লিটার – প্রতি হাজার লিটার পানিতে ৮০ থেকে ১০০ কে. জি. মাছ উৎপাদন করা যায় – সে হিসেবে এমন একটি ট্যাংক থেকে ৮০০ থেকে ১০০০ কে. জি. মাছ উৎপাদন সম্ভব – রাজধানির শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফিসারিজ, অ্যাকোয়াকালচার ও মেরিন সায়েন্স অুনষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. শাহাবুদ্দিন এ প্রযুক্তিটি মানুষের দোরগোড়ায় আনার কথা ভাবছিলেন- এতে দেশেই উৎপাদিত বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি এ প্রযুক্তিটির ইতোমধ্যে সফল বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে – বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউটের কারিগরি সহযোগিতায় একটি প্রকল্পের অধিনে রাজধানির শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত হয়েছে – প্রকল্পটির প্রধান তত্বাবধায়ক প্রফেসর ড. মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, রাস পদ্ধতিতে মাছ চাষ উদ্যোক্তাদের জন্যে অনেক লাভজনক হবে – ০১ শতক জায়গায় নিবিড় চাষ পদ্ধতিতে যেখানে সর্বোচ্চ ২০ কে. জি. মাছ উৎপাদন সম্ভব – রাস পদ্ধতিতে সেখানে কমপক্ষে ২,৫০০ কে. জি. মাছ উৎপাদন সম্ভব – ১০ হাজার লিটার একটি ট্যাংকের জন্যে সব মিলিয়ে ১৫ বর্গফুট জায়গা লাগবে – পুকুরে অ্যাতো বেশি উৎপাদনে যাবার জন্যে যে খাবার দেয়া হয় তা এক সময়ে নাইট্রোজেন বর্জ্যে পরিণত হয়ে পানিকে দুষিত করে -মাছ বাচে না – কিন্তু রাস পদ্ধতিতে ট্যংকের ভারি বর্জ্যগুলো প্রথমে ভার্টেক্স ফিল্টারে নিয়ে আসা হবে – পরবর্তিতে এ ময়লা মাইক্রোম্যাশ নেটের সাহায্যে ভারি বর্জ্য স্প্রে করে অ্যাকোয়াপনিক্স বেডে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে – রাস পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছের গুণগতমান পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে থাকে বলে এ সব মাছ বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে - রাজধানির শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত মাছ চাষের ‘রাস’ প্রযুক্তিটি চাষি, উদ্যোক্তা, গবেষক, শিক্ষক, শিক্ষার্থি সবার জন্যে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে –

এমনি নিত্য নতুন ৪৫ (পয়তাল্লিশ) হাজারের অধিক আবিষ্কারে বাংলাদেশের মেধাবি সন্তানেরা বিশ্বে ও দেশে নন্দিত - কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা, অধিকতর উন্নত গবেষণার ব্যবস্থা করা ও আন্তরিকতার অভাবে (দয়ার অভাবে) তা অংকুরেই মরে যাচ্ছে অনেক । কিংবা বিদেশ কিনে নিচ্ছে বলে, দেশে ব্যাপক উতপাদন, বিপনন, বাজারজাতকরণ ও বিদেশে রপ্তানি করতে পারেনি ।
আমার দেশের মেধাবি সন্তানদের ৪৫ (পয়তাল্লিশ) হাজারের অধিক বিশ্বমানের আবিষ্কার সমুহ ব্যাপক উতপাদন, বিপনন, বাজারজাতকরণ ও বিদেশে রপ্তানির জন্যে রাষ্ট্রিয় স্বিকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতা একান্ত জরুরি । অধিকতর উন্নত গবেষণার ব্যবস্থা করাও আবশ্যক ।
প্রয়োজনে, বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ বা সামান্য সুদে (নাম মাত্র সুদে) ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করলেও এসব আবিষ্কারকদের উতসাহ বা প্রেরণা বা প্রনোদনা দেয়া যেতে পারে । ব্যাপক উতপাদনের, বিপনণের ও বাজারজাতকরণের এবং বিদেশে রপ্তানির জন্যে গণভবণে মাননিয় প্রধানমন্ত্রির একান্ত সান্নিধ্যে, কঠোর নির্দেশনায় ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে একটি “গবেষণা কর্মসুচি” (Research Program) গ্রহণ একান্ত জরুরি বলে প্রতিয়মান ।
যে খাত থেকে মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আসবে দেশে । লাখ লাখ বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে দেশের । ‘মুজিব শতবর্ষ’ ও ‘স্বাধিনতার পঞ্চাশ বর্ষ’ স্মরণে রেখে এ বিষয়ে একটি “গবেষণা কর্মসুচি” (Research Program) গ্রহণের মাননিয় প্রধানমন্ত্রির বরাবরে বিনত আবেদন জানাচ্ছি ।


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নারীর ক্ষমতায়নের নামে বাঙালিকে স্রেফ টুপি পরানো হয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৩


বাংলাদেশে চেয়ার একটি আধ্যাত্মিক বস্তু। শুধু বসার জন্য নয়, এটি পরিচয়ের প্রমাণ, অস্তিত্বের স্বীকৃতি, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবনের চূড়ান্ত অর্জন। গাড়ি থাকুক না থাকুক, বেতন আসুক না আসুক,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইন, রাজনীতি ও বাস্তবতা: নিষিদ্ধ করলেই কি সমাধান?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৩২

আইন, রাজনীতি ও বাস্তবতা: নিষিদ্ধ করলেই কি সমাধান?


গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একটি মৌলিক নীতি হলো- অভিযোগ থাকলে তার বিচার হবে আদালতে, প্রমাণের ভিত্তিতে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কোনো রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×