হলোকাস্টের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই
এটা নাকি হিটলার কর্তৃক ইহুদী গণহত্যার নাম।
পৃথিবীতে আরো বহু নিশৃংস ও ভয়ানক গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
কিন্তু হলোকাস্ট যতটুকু প্রচার পেয়েছে, অন্যগুলো কি ততটুকু পেয়েছে ?
কখনই নয়।
আসলে হলোকাস্ট হচ্ছে একটা প্রচারণা-
এই প্রচারণার দ্বারা ঐ সময় সারা বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞাপন করা হয়-
‘ইহুদীরা নির্যাতিত হচ্ছে’,
ইহুদীদের থাকার যায়গা নেই,
ইহুদীদের কোন ভূমি নেই,
কেউ তাদের মায়া করে না,
সবাই তাদের মারে....ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই হলোকাস্ট প্রচারের মাধ্যমে ফিলিস্তিনসহ তাবৎ দুনিয়ার মানুষের কাছে সমীহ আদায় করে নিয়েছিলো ইহুদীরা।
কিন্তু যেই মানুষের মধ্যে ইহুদীদের প্রতি সমীহ সৃষ্টি হলো, ব্যস ঠিক সেই সুযোগটাই গ্রহণ করলো ইহুদীরা। স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র দখল করে তৈরী করলো ইহুদীরাষ্ট্র ইসরাইল। পরাধীন করলো আশ্রয়দাতা ফিলিস্তিনিদের, ঠিক যেভাবে পরগাছা খেয়ে ফেলে আশ্রয়দাতা গাছকে, ঐ একইভাবে। এরপর শুরু হলো আশ্রয়দাতা ফিলিস্তিনিদের উপর নির্যাতন ও গণহত্যা। ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলী ইহুদীদের দেখলে কেবল একটি প্রবাদ মনে পড়বে- “উপকারীকে বাঘে খায়”।
ঠিক একই ঘটনা বর্তমানে বাংলাদেশের হিন্দুদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। তারা সারাদিন চিৎকার করে বলছে- ‘আমরা নির্যাতিত হচ্ছি, ‘আমরা নির্যাতিত হচ্ছি’ ‘মুসলিমরা আমাদের মন্দির ভাঙছে’, ‘আমাদের জমি দখল করছে’......
কিন্তু কেন এত কথিত নির্যাতনের ক্যানভাসিং ? কি এর রহস্য ?
বাংলাদেশে মুসলমানদের তো আর খেয়ে দেয়ে কাজ নেই, হিন্দুদের মন্দির ভাঙতে যাবে, জমি দখল করতে যাবে, হিন্দু নির্যাতন করতে যাবে, তার থেকে ঢের গুরুত্বপূর্ণ কাজ মুসলমানদের আছে।
আসলে অপর জাতিকে আঘাত করার ‘হলোকাস্ট’ নামক যে মনস্তাত্বিক কৌশল ইহুদীরা বেছে নিয়েছিলো, বর্তমানে হিন্দুরাও সেই একই কৌশল বেছে নিয়েছে। ইহুদীরা যেমন ‘হলোকাস্টের’ নাম দিয়ে সবার সহানুভূতি আদায় করেছিলো, ঠিক একইভাবে হিন্দুরা মুসলমানদের সহানভূতি আদায় করে নিচ্ছে। তারা জানে মুসলিমরা খুব নরম স্বভাবের। কোন হিন্দু যদি একজন মুসলমানের সামনে এসে নেকো গলায় বলে- “দাঁদা, আঁমি খুঁব অঁসহায়, সঁবাই আঁমায় মেঁরে খাঁয়। দাঁও নাঁ দাঁদা আঁমাকে তোঁমার বাঁসা/কোম্পাঁনিতে একঁটু সুঁযোগ কঁরে, তুঁমি মোঁর দেঁবতা, তুঁমি মোঁর অন্নঁদাতা, আঁমি দিঁনে ৩ বেঁলা তোঁমার পূঁজো কঁরবো।” ব্যস হিন্দুদের এতটুকু নেকো গলার তোষনেই গলে পানি হয়ে যায় মুসলমানরা। নিজেদের/ মুসলমানদের ক্ষতি করে হলেও হিন্দুটাকে করে দেয় সুযোগ। আর এভাবেই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পদ/অবস্থানগুলোতে বসতে থাকে হিন্দুরা। ইহুদীরা যেমন কম সংখ্যক হয়েও ফিলিস্তিন দখল করেছিলো, বাংলাদেশের হিন্দুদেরও সেই একই টার্গেট। তারা কৌশলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসবে এবং একসময় বাংলাদেশকে দখল করবে, গাজা উপত্যকতা বানাবে, বানাবে সিকিম।
হিন্দুদের ‘মায়াকান্না’ গোছের সেই মনোস্তাত্বিক যুদ্ধের নিকট বাংলাদেশের মুসলমানরা এখন অনেকটাই পরাজিত। দেখা যাক শেষ পরিণতি কি হয়......
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



