কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ভক্ত জনদের ঘরের বাহিরে যেতে নিষেধ করেছেন। কবিগুরুকে একঅর্থে বর্ষাকালীন কবি বলা যেতে পারে। বর্ষা ঋতু নিয়ে তিনি যত গান-কবিতা লিখেছেন অন্য ঋতু নিয়ে এতোটা লিখেন নি। কিন্তু কবিগুরু বর্ষার দুর্ভোগ নিয়ে কিছুই লেখেন নি। যদি লিখতেন তাহলে আমাদের সদ্য নির্বাচিত(!) ঢাকার মেয়র দ্বয় নির্ঘাত কবিগুরুকে গালাগাল করে একহাত নিতেন। ভাগ্যিস কবিগুরু বর্ষা নিয়ে তেমন নেতিবাচক কিছু লিখেন নি তাই তিনি মুখরা আওয়ামি দলীয় মেয়রদের থেকে বেঁচে গেলেন। তবে কবিগুরুতো বাঙালি ছিলেন তাই তিনি তাঁর অন্তর্নিহিত ক্ষমতা দিয়ে আগেই বুঝেছিলেন আজকের ঢাকা নগরীর অবস্থা তিনি শুধু বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন।
বর্ষাকালকে বলা হয় 'সিজন অব রোমানটিসিজম' কিন্তু ঢাকাবাসীর জন্য বর্ষা হলো 'সিজন অব সাফারিং'। এই নগরীর মানুষগুলো যখন রাস্তা-ঘাট, বাড়ী-ঘর, বিপনীবিতান সব ডুবে যাওয়ায় পড়েছে অন্তহীন দুর্ভোগে তখন নিশ্চয়ই ঢাকার দুই মেয়র নাকে তেল দিয়ে ঘুমুচ্ছেন । কারণ তারাতো আর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন তাই জনগণের দুর্ভোগ নিয়ে কোন মাথা ব্যথাও নেই। চাইলেই অবৈধভাবে ভোট ডাকাতি করে মেয়র হওয়া যায় অবৈধভাবে বিনাভোটে ক্ষমতায় বসা যায় বন্দুকের নল ঠেকিয়ে জনগণকে জিম্মি করা যায় কিন্তু মানুষের গ্র্র্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায়না।
এরা যত অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকুক তবুও নাকি সোনামুখ করে বলতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! মাননীয় মেয়র! হুহ অদ্ভুত উটের পিঠে চলছে স্বদেশ!
এবার দেখুন দুই অবৈধ মেয়র কি অবস্থা করেছে আমাদের এ প্রিয় নগরীর
























পানি ডুবে থাকুক ঢাকা নগরী আর আরামেই থাকুক ঢাকার অবৈধ দুই মেয়র।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



