> কি রে বাসন্তী... আজ কি হলুদ শাড়ী পড়েছিস...?
>আহাহহা মনে হয় তুই কত শাড়ী কিনে দিয়েছিস কিপ্টা ...
>আমি কিনে দেইনি বলে কি পড়া যাবে না রে গাধি......?
>না যাবে না... তুই এখুনি কিনে দে... পড়ে ফেলবো ...
>ওকে শয়তান্নী-- টাকা ধার দে... কিনে দিচ্ছি...
>আর কত ধার দিয়ে কেনাকাটা করবি রে ... শোধ দিবি রে কবে বদমাশ... ?
>অই অই ঝগড়া করিস না তো রে বাসন্তী... আয় কল্পনার খেলাটাতে আয়...
>হু...
>এরপর ছেলেটা/ মেয়েটা দোকানে যায়... কল্পনা কল্পনা খেলায়... একটা হলুদ জামদানী শাড়ি মেয়েটার খুব পছন্দ হয়ে যায়... দাম শুনে ভাল লাগেনি বলে মেয়েটা চলে আসে... ছেলেটা বুঝতে পারে... ভীষণ অস্থিরতায় মেয়েটার নাকের ডগায় বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে ... ছেলেটা তাকিয়ে থাকে... ভাবতে থাকে... এরকম একটা হলুদ আর লাল জামদানী শাড়ী মেয়েটাকে দিতে তার আর কত সময় লাগবে... না কি সে সময় তার কখনোই আসবে না... মেয়েটা একবার আনমনে ছেলেটার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে যায়... বলে কি রে বুদ্ধু ওভাবে কি দেখিস...? ছেলেটা বলে চলে-- আচ্ছা, আমি যে তোকে কিছু দিতে পারি না... তোর খারাপ লাগে না...?
>হুর হুর... খারাপ লাগবে কেন রে...? এই যে আজ আমায় তুই বাসন্তী বলে ডেকেছিস... এইটাই তো অনেক...
>তুই কি মেহেদী দিয়েছিস... হলুদ/লাল চুড়ি পড়েছিস?
> হু পড়েছি... আমি চুড়ি আর মেহেদী কেনার সময় মনে মনে ভেবে নিয়েছি এই টাকাটা তোর... এরপর চুড়ি কিনে পড়েছি... হাতে মেহেদী দিচ্ছি এখন... তুই ডিস্টার্ব করলি... হাব্লা...
> তোর হাতে মেহেদী...? উফস্ এখন তো আমার দারুন মজা... এই মেহেদী দেয়ার সুযোগে তোরে আচ্ছা মত বাইন্ধা পিটানো যাবে... তুই কিছুই করতে পারবি না...
>খবরদার বললাম মেঘবালক... একদম আমার ধারে-কাছে আসবি না কইলাম... হাত বন্ধ পা তো বন্ধ নাই... পা দিয়া লাত্থি দিমু কিন্তু কইলাম আমিও...
>হহাআ গুন্ডি...
>শোন, এই শাড়ীটার ভাঁজে ভাঁজে একটু ছুঁয়ে দে কল্পনায়... আমার শাড়ী বুঝলি... কেনার সময় ভেবেছি তুই দিয়েছিস... আমাদের কল্পনার জগতটা কত মজার তাই না...? এই শাড়ীটার ভাঁজে ভাঁজে আমি তোর স্পর্শ খুঁজে নেবো... চুড়ির টুংটাং শব্দে তোর মুগ্ধতা দেখতে পাবো... হাতে মেহেদী দেয়ার সুযোগটা নিয়ে তুই বদমাশী করবি... প্রিয় মেঘবালক... এই হলুদ দুপুরে বাসন্তীর ভালোবাসা নিস... বসন্ত হয়ে আমার শাড়ী/ চুড়ি/ মেহেদীতে আলতো করে ছুঁয়ে দিস......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



