somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদ চিঠি --- মন খারাপ করবি না ...একদম না ............

১৬ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১১:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তুই তো জানিস- ই আমার চিঠি লিখতে ভাল লাগে...
জানি রিপ্লাই হিসেবে তুই দু’লাইন লিখে দিবি আর বলবি- “আর কিছু লিখছি না রে চাদনী বানু!
এরপর যে কথাটা বলবো তা শুনে এই অল্প লাইনের রিপ্লাইয়ের জন্য তুই রাগ করবি না”_ তারপর......!
যাক তবু তো রিপ্লাই দিস... ছোট্ট করে হলেও... ! আচ্ছা তুই এত্ত কিপটা কেন রে...?
আমার ৪০ টাকার চুড়ি আর নুপুরের বায়না বুঝি খুব বেশি...হু...?
তোকে তো এত কিপটা মনে হয়নি কারন তুই রোজ রোজ টাকা খরচ করে ফোন দিস
কিন্তু গিফটের কথা বললেই মুচকি হাসিস... বদমাশ একটা...!
অই বাদ দিলাম যা... লাগবে না তোর গিফট আমার ...
এই দেখ তোর বিছানার পাশের টেবিলে আমি পাঞ্জাবি/ পাজামা/ ওড়নাটা/ আর টিশার্ট টা রেখেদিয়েছি...
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে পাজামা/পাঞ্জাবি পড়ে নামায পড়তে যাবিবলে রাখলাম...
ঘুমাবি না কিন্তু... ঘুমালেই এমন খামচামি করবো তখন দেখিস কেমন লাগেহু...
আমাদের কত মজা তাই না রে-- আমরা দুটো ঈদ করি... কাল আমি তোর সাথে ঈদ করবো এরপর তুই আমার সাথে ঈদ করবি...
নামায পড়ে তাড়াতাড়ি আসিস কিন্তু আমি অপেক্ষায় থাকবো...
তুই আসলেই তোকে সালাম করবো... সালাম মানে জানিস-ই তো তোর পায়ে জোরসে একটা চিমটি দেবো...
তুই আহ্‌ উহ্‌ শয়তান্নী বলে চিৎকার করবি
আমি হাসতে হাসতে তোর বুকে লুটিয়ে পড়ে কোলাকুলি করবো... আমি জানি তখন কি বলবি তুই...
এরপর তোকে দুম দুম করে মারবো... দেএখন আমার সালামী কিপটাটা ...
বরাবরের মত তুই ২ টাকা বের করে দিবি... আমি চিল্লাবো- অই অই শালা হারামী আমি কি ফকির না কি রে তোর মত হু...
তুই কি আমারে ভিক্ষা দিস ফকিরটা... তুই হাসতে হাসতে বিছানায় গড়াগড়ি খাবি...
আমি হুমড়ে পড়ে মারবো কিল-ঘুষি... তুই চিল্লাবি... আরে দিচ্ছি তো বাপ ছাড় এবার...
এরপর এক গাদা চক চকেনোট বের করে দিবি... আমি নিয়েই তোকে টেনে তুলে টেবিলে নিয়ে যাবো...
তোর জন্য সেমাই, পায়েস, আরো কত কি রান্না করেছি... নিজ হাতে খাইয়ে দেবো...
এরপর দু’জনে পাশাপাশি চুপচাপ বসে থাকবো... আমি জানি তোর চোখে মুগ্ধতা থাকবে...
আমি তোর গালে আলতো করে টোকা দিয়ে বলবো ... নে এবার ওঠ... ঘুরতে যাবো তো ...
তারপর দু’জনে ঘুরতে যাবো... আমি রিকশায় বসে আইস্ক্রিম খাবো...
সুযোগ বুঝে তোর নাকে আইস্ক্রিম ঘষে দেবো... তুই কিছু বলতে পারবি না...হিহিহি...
এই শোন, আমার পার্সে কিন্তু অনেক চক চকে টাকা আছে...
তুই কিন্তু ঠিক ঠিক রিকশা থেকে নেমে আমার পার্স ছিন্তাই করে রিকশাওয়ালা মামাকে টাকা দিয়ে দিস... লজ্জা পাচ্ছিস না কি রে...?
শোন রে গাধা ওটা তোর জন্যই তো রেখেছি... আজ তো সব আমার খরচেই হবে কাল আমিসুদে-আসলে সব শোধ নেবো হু...
আর রেস্টুরেন্টে কিঙ্গা টং দোকানে যেখানেইখাস না কেন... বিল টা আমার পার্স থেকেই নিস রে বুদ্ধু...
তাই বলে ভাবিস না ছেড়েদেবো হু... সুদে -আসলে সব শোধ নেবো ...
ঘুরা-ফিরা শেষে আবার রিকশায় করে পাশাপাশি বসে মুচকি মুচকি হেসে বাড়ির পথে আসবো...
আমি কিন্তু আবার আইস্ক্রিম খাবো... নাকেঘষে দেবো...
বাড়ির কাছে এসে বরাবরের মত পাঞ্জাবির সাথে ওড়নাটা কিন্তু আমাকে দিয়ে দিবি... জানিস-ই তো অই ওড়নাটায় তুই তুই একটা গন্ধ থাকে...
ওটা যখন-ই আমি জড়াবো তখন অনুভব করবো তোকে...
যাবার বেলায় আমাকে একটু জড়িয়ে নিস... আমি অনুভব করতে চাই- “তুই আমার” ...
ভাল থাকিস... অনেক অনেক ভাল থাকিস চান্দুটা আমার... ঈদ মোবারক!
আর শোন, মনে আছে তোকাল তুই সব কিছু করবি আমার জন্য...
আমার ঘুম তুই ভাঙ্গাবি...শুভেচ্ছা মেসেজ আর আদুরে কন্ঠে ফোনালাপে...
তারপর... সব দায়িত্ব তোর...
হহাহাহ আমার পা ছুঁয়ে সালাম না করলে সালামী পাবি না কইলাম ,
আমি জানি তুই কি চাস... সেটাও দেবো না হু...।
ঈদ মোবারক চান্দুটা! মন খারাপ করবি না ...একদম না ............
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১১:০১
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×