>পর কে আপন করা যেমন সহজ নয় তেমনি আপন কে পর করাও সহজ নয়!!
>একটা পরের মেয়ে যখন শ্বশুরবাড়ী নামক জায়গাটায় যায় তখন বেশিররভাগ ক্ষেত্রেই সেই পরের বাড়ীর মেয়ের জন্য আপন করে নেয়ার পরিবেশ থাকে না! অথচ শ্বশুরবাড়ি নামক জায়গাটার মালিক স্বামী / শাশুড়ি / শ্বশুর প্রত্যাশা করে সেই মেয়েটা বাড়ির সব কাজ করবে, সবাইকে আপন করবে... ! কেউ কেউ তো বিয়ে মানেই পরের মেয়েকে ঘরে আনা মানেই মনে করে , একটা পারমানেন্ট বুয়া পেয়ে গেলো! সেই পরের মেয়েটা সম্পূর্ণ একটা নতুন পরিবেশে এসে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার আগেই , চির চেনা পরিবেশ, পৃথিবীর সবচেয়ে আপন মানুষগুলোকে ছেড়ে আসার কষ্ট ভোলার আগেই তাকে দিতে হয় নানা পরীক্ষা!! বিয়ের আগে তো দিতেই হয়!! আবার বিয়ের পরের দিন ই অনেক জায়গায় শুরু করে, যাও তো বৌমা চা বানিয়ে আনো, নাস্তা বানাও কিংবা ঘর ঝাড়ু দিয়ে দেখাও কেমন কাজ পারো!!
> আবার অনেক জায়গায় বিয়ের পরের দিন ই আত্মীয়- স্বজন আসে তারাও নানা পরীক্ষা চালায়... যাক কথা সেটা না... কথা হলো- বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই পরের মেয়ে স্বামীর বাড়ী গিয়ে বহু অবদান , ত্যাগ আর ভালোবাসার মাধ্যমে হয়ে যায় একান্ত আপন কিন্তু সেই পরের মেয়েকে একান্ত আপন করে খুব কম পরিবার ই!
>>যেটা বলতে চাচ্ছিলাম- এই পরের মেয়ের জন্য বিয়ের পর সেই স্বামীরবাড়ী নামক জায়গাটায় একান্ত আপন থাকে স্বামী! এবং প্রত্যেক স্বামীর উচিত সেই সময়টা সহ সারজীবন সেই পরের মেয়েটার পাশে থাকা, তাকে সেই নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে হেল্প করা! কিছু মেয়ের কারনে শ্বশুর/ শাশুড়ি কষ্ট পায় আমি এটা অস্বীকার করবো না!!
>>তবু সবকিছু ত্যাগ করে যে পরের মেয়েটা পরের বাড়ীতে যায় তার সেই ত্যাগের কষ্ট বোঝার সাধ্য কারো নেই.........!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




