>প্রথম ফতোয়াবাজরা হলো- খাবার-দাবারের দোকান আর পিক নিয়ে যাদের আপত্তি!! এরা রোজার মাসে ফেসবুকে খাবারের পিক দেয়া যাবে না এই নিয়ে ফতোয়া দিয়েছে! আমার কথা হলো- আপনি কেমন রোজাদার যে খাবারের দোকান দেখলে আর খাবারের পিক দেখলে আপনার রোজা থাকে না! এই যে আমরা রোজা রেখে বাসায় যারা অসুস্থ কিংবা রোজা রাখতে পারে না, বৃদ্ধ, তাদের জন্য খাবার বানাই, খাওয়াই, বিকেলে ইফতারী বানাই আবার প্লেটে প্লেটে সব সাজাই! কই সেসব খাবার নাড়াচাড়া করে, রান্না করেও তো আমাদের জিভ দিয়ে জল আসে না, আমাদের রোজা ভঙ্গ হয় না! আপনাদের হয় কেন? রোজার মেইন উদ্দেশ্যই তো হলো- নিজেকে সংযত রাখা, খাবার এবং অন্য গুনাহ্র কাজ থেকে! এইটুকু ঈমান যার নাই, তার রোজা রাখার দরকার কি জনাব?
খাবারের দোকান নিয়ে আপত্তি কেন? সবাই তো রোজা রাখে না- এই সত্যটুকু বোঝার ক্ষমতা নাই কেন আপনার?
> ২য় ফতোয়াবাজ!! এরা বলে রোজা এলেই একদল লোক দেখানো নামায পড়ে , লোক দেখানো রোজা রাখে! আরে ভাই, কে লোক দেখানো নামায/ রোজা করছে তার বিচারের মালিক তো উপরে আল্লাহ্ আছেন! এইটা বিচারের ভার তো আপনাকে দেয়া হয় নাই! শুধু রোজার মাসেই রোজা কিংবা নামায পড়লেও তো কেউ পড়ছে, আবার কারো কারো হয়ত এ থেকেও কিছু শিক্ষা হচ্ছে- সে নামাযী হয় কিংবা ভাল কিছু আমলের দিকে আকৃষ্ট হয়! হোক না! তাতে ক্ষতি কি?
>৩য় ফতোয়াবাজ! এরা শুরু করে- তারাবীর নামায নিয়ে! তারাবীর নামায ১২ না ২০ রাকাত? এরপর শুরু হয় খতমে তারাবী নিয়ে ক্যাচাল! এরপর এবার হয়ত শুরু হবে শব-ই -কদর নিয়ে! যেহেতু শব-ই মেরাজ নিয়ে বিশাল ক্যাচাল চলেছে!
>>> যাক গা- চার্মে আমিও একটা ফতোয়া আগে ভাগেই দিয়ে দেই-“ মেয়েদের - রোজা আছেন কি না- এই বেহুদ্দা প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকুন”!
>>>একটা অনুরোধ- আপনাদের দোয়াতে আমাকে ও আমার পরিবারকে রাখবেন! সবাইকে রোজার অগ্রীম শুভেচ্ছা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


