অস্তাচলের সূর্যটা রঙ বদলায় বারে বার
জীবনের উদাহরণ,
ছবি এঁকে যায় অস্থি ঘেরা সে পটে
ন্ধদয় সৃজনে বহু ধারা রূপময়।
বুঝিনি সে মহা শিল্পীর কারুকাজ
জ্ঞানের মালি-মালিনী পথ খুঁজে ফেরে আজ,
কোথায়? কোন পথে তার কর্ম-বনাঞ্চল
উদ্যান কোথা পুস্প শোভিত হায়!
হোক না সে পথে ছাই রঙে ভরা কন্টকোন্তরায়
শতাব্দী বাঁকে এলোমেলো পথে পাতা মাইন,
কালো কালো সব মতবাদ জানোয়ার
লোহিত রঙিন হয় লহু পানে মানবের।
পিপাসায় কেঁপে উঠে বুকের দু'ধার
বসন্ত বায়ু নেই জীবনের মৌসুমে,
সুখের দু'ফোটা অশ্রু ঝরে না আষাঢ়-শ্রাবণে
পেটে-পিঠে কিছু খেয়ে নেয়া শুধু নিঃশ্বাসাকর্ষণে।
মহাসাগরের অতলান্ত প্রসারণ
তীর সন্ধানে হাবুডুবু বিচরণ,
প্রাণীর ধারণ ছিঁড়ে- কাটে বন্ধন
বুঝি প্রজন্ম সমাপন!
গহসা কে যেন কানে কানে বলে যায়
বসন্ত আছে কুরআনের সীমানায়,
অমনি ছুটি ব্যাকুল;
ফুলে ও ফসলে ভরে উঠে ধীরে
জীবনের দুই কুল।
১৩.০৫.২০০২
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
ছবির জন্য !@@!378647 যেখানে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



