ধোঁয়া উঠা পৃথিবীতে চোখ মেলে দেখি
জ্বলন্ততায় ডুবে চারিদিক!
ছুঁয়ে দেখি পিতৃপুরুষের শরীরে একি
দহিত নগরী বিচ্ছিন্ন দিগ্বিদিক!
অসময়েই কি এলেম চলে তোমাদের সংসারে
চেরাগের সলতি তুলে দাও খানিক; দেখি না অন্ধকারে।
লোহিত কণিকার সচল চিত্রে বন্যা দৃশ্যমান
তবু একদিন লোহিত সাগর তীরে,
যুগ-ঠিকাদার নির্মাণিছেন সময় দীপ্তিমান
সিকি শতাব্দী হাতে দিয়েছেন ধীরে।
কি খোঁজ সনাতন সংসারী অথবা বিবাগী বৈরাগী
সোয়াদী রসনা সামগ্রী কিংবা ধ্যানের প্রসাদ?
এঁকেছে মানচিত্র তুলিতে রক্তছোঁয়ায় অনুরাগী;
মানুষের হাড়ে নির্মিত ঐ 'ভূ-পাল'এর প্রাসাদ।
এসেছ যখন বুঝে নাও যত আপনার চাষাবাস;
কান্তার গিরি মরু নদী বন সাগর নীল আকাশ,
সেঁওতি-রশিরে দিওনা ছিঁড়তে; রেখো জুড়ে বারমাস
আপনালয়েতে আপনারে কত রাখবে অপ্রকাশ?
মহা বিন্দুর ঘাড়ে দিলে তো চাপিয়ে ধরাতল-মহাকাশ
মালাঠোলা আর পুতুল খেলা; ভেবেছি এই তো জীবন,
আমি দু'বাহুতে হিমালয় ঠেলে নিশ্চিত করি বসবাস
সত্যের তরে (নিজ) ধন-প্রাণ প্রতিদিন করি পণ।
০৭.০২.২০০৭
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
ছবির জন্য !@@!469464 যেখানে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



