দৃষ্টিমান কবিঃ
এক ক্ষুধার্ত সময় তার সবটুকু হিংস্রতা নিয়ে
ধেয়ে আসছে তোমার দিকে!
যুবক তুমি যখন ছত্রিশ বছরের যৌবনকে দিয়ে
ভুবন গাঁয়ে প্রতিষ্ঠা করেছ নিজেকে।
স্বগত স্বদেশঃ
হায় জন্মদাতা(?) পিতা!
এই কি ছিল তোমার ভালবাসা আর মমতা?
আমি তো চেয়েছি পরাধীনতার বিদঘুটে গর্ভ হতে
মুক্ত-স্বাধীন বিশ্ব-ভুবনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে,
শৈশবটুকু পেরুলাম তোমার কোলেপিঠে কোনমতে
পারিনি একাকী, দাওনি তুমিও দিগন্তে হাত বাড়াতে।
যেই না চলতে শিখেছিলাম এই অবাধ ভূমির পরে
পালক পাঠাতে চেয়েছিলে তুমি গঙ্গারামের ঘরে।
আমি কি দিয়েছি অনেক দুঃখ; কেন তবে চলে গেলে
বর্গাদারের নিলামী পণ্যে লুণ্ঠিত হবার আগে,
অতন্দ্র প্রহরী বাঁচাতে আমায়; তোমাকেই মেরে ফেলে
'হলাম এতিম; নাকি আগেই ছিলাম?' প্রশ্নটি মনে জাগে।
দিয়েছে যন্ত্রণা, পিটিয়েছে খুব; প্রতিপালিলেন যারা
সবগুলো দাগ এখনো রয়েছে বুকে-পিঠে-হাড়ে জমা,
শতাব্দি শুরুতে অনেক পেয়েছি, ভুবনে দিয়েছি নাড়া
হিংসুটে সব মোড়লেরা দিল সমৃদ্ধির পরে 'কমা'?
হায় আত্মার অংশ আমার! স্বশরীরী নাগরিক
এহেন স্বঘাতী 'উত্তরী বায়ু' রুধিবে না পাশবিক?
দৃষ্টিময় কবিঃ
এখানে এখন শঙ্কিত যুবক দাঁড়িয়ে রয়েছে ঠাঁয়
এখানে এসেছে চাপানো যুদ্ধ, মহামারী, মহাক্লেশ,
ঐতিহ্য বলেঃ উপাড়িছে হিমালয়, দুর্বার-ঝঞ্জায়
সাহসী ঝাণ্ডা সময়ের ঝড়ে; দৃঢ়পদী বাংলাদেশ!
১৭.০২.২০০৭
মদীনা মুনওয়ারা, সৌদি আরব।
ছবির জন্য !@@!497351 যেখানে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


