দক্ষিণ গোলার্ধের রশি টানটান
জীবনটা হেলে পড়েছিল;
একটা আবছা আবেগের মোহে
নির্মল আবেগের মঞ্জিল পেতে।
এই তো, সেদিন ভোরেও যখন
ফুল ফুটেছিল,
স্পর্শ দিয়ে নাড়া দিলাম পাপড়ীর শরীরে
অরূপী, গত সুন্দর ছাড়া দেখিনি।
শুঁকেছি মৌ মৌ কিছু পেতে;
হায়! মনের আতরদানী যার শূন্য
তার ইন্দ্রিয়ে সৌরভ জীবন্ত কোথায়,
পড়তে পড়তে সোজা হলাম।
আহা! এতো এতো ঝরিয়ে আজ আবার
কুড়োতে গেলাম, তোমার বকুল তলায়,
রজনী গন্ধা পাড়ায়, বাঁশ বনের হাওয়ায়।
আবার বসন্ত ডাকলো মধ্য পৃথিবীতে
আমার হৃদয় বন্দরে,
নোঙর ফেলো, খানিক জিরিয়ে যেয়ো পথিক
অবহেলায় নয়; ভালবাসায়
গুটি গুটি হাতে কুড়িয়ে নাও
অযতনে অসাজানো হৃদয়ের নির্যাস।
তোমরা কেউ চাও বা না চাও;
ওগো আমার আদি-অন্ত বন্ধু!
তোমার ভালবাসা পেতে যেন আমি
হামাগুড়ি দেই গ্রহ থেকে নক্ষত্রান্তরে,
পাওয়ার আনন্দে যেন ঘুমিয়ে পড়ি
মাঝ পথে- চাঁদের বুকে;
আমায় প্রশান্তির পূরবী ঝুরিও।
১১.০৩.২০০১
রয়েল কমিশন, ইয়ানবো, সৌদি আরব।
ছবিটি সংগৃহীত।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০০৭ ভোর ৪:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



