somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কমলা (উৎসর্গ ধু.গো)

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্মানীত ব্লগার ধু.গোর কমলার শাড়ি নিয়ে টানাটানি দেখে ছোটবেলার সত্যিকার কমলার কথা মনে হয়ে গেলো।
বাড়িতে অনেকগুলো কমলার গাছ ছিল। সিজনে বাজার থেকে এখনকার মতো কমলা কিনে খাই নাই। কমলার গাছের অনেক গুন। কারো পেটে সমস্যা হলে কমলার পাতা হাত দিয়ে ডলে নাকের কাছে রাখলে বমি ভাব মোটামোটি ভালো হয়ে যায়। কোথাও কাটা ফুটলে কমলা গাছের কাটা দিয়ে কাটা তোলা যায় (কাটা দিয়ে কাটা তোলা)।ছোট কমলালেবু লবন,মরিচ দিয়ে খেতে। আর বেশি উপকারিতা বলবো না।
আমাদের গাছের কমলার রঙ বাজারে কিনতে পাওয়া কমলার মতো রঙ হতো না। সাধারনত সবুজ হতো। কমলা পাকলে কিছু বৈশিষ্ট দেখে বুঝা যেতো। বিশেষ পদ্ধতিতে কমলা পাড়া হতো যাতে নীচে পড়ে নষ্ট না হয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ থেকে বিভিন্ন সময় পাড়া হতো। প্রায় সপ্তাহ লেগে যেতো সব গাছ সাবাড় করতে।
সময়ের স্রোতে আমরা হলাম হোস্টেলবাসি। তারপর ও আমাদের জন্য 2/1টা নির্দিষ্ট গাছ রেখে দেওয়া হতো যাতে আমরা ছুটিতে এসে ইচ্ছে মতো খেতে পারি।
এক মামা আছেন। উনার কমলার বাগান ছিল। এখন ও আছে কিছু। মাঝে মাঝে পেপারে দেখি ।আমরা ছিলাম উনার সিজনেবল অথিতি। যতো খুশি খাওয়া যেতো।তবে শর্ত ছিল একটাই, কমলার বীচি রেখে যেতে হবে।
এখন সবার টাকা হয়েছে।তাই আর কেউ গাছ লাগায় না। গতবছর দেশে গিয়ে দেখলাম মাএ 10/12 টা কমলার গাছ। বাকীগুলো নাকি মরে গেছে
এখানে ও ফলের মধ্যে কমলাটাই বেশি খাওয়া হয়। প্রত্যেকদিন 5/6 টা আর টেবিলে বসলে 12/14টা একসাথে সাবাড়।দামটা হাতের নাগালে(ক্লোজআপহাসি)। 2/3 কিলো এক ইউরো। তাই যতো খুশি খাও। তবে মাঝে মধ্যে কমলা বলে মালটা দিয়ে দেয়। নিজে কখন ও ঠগা খাইনি এখন পর্যন্ত। দুর থেকে দেখেই বলে দিতে পারি কমলা ও মালটার পার্থক্য।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চাপালিশ গাছের ফল চাম কাঠাল এর উপকারিতা

লিখেছেন রবিন.হুড, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৮


চাপালিশ, চামল, চাম্বল, চাম্বুল, টোপোনি (মগ), বলস্রাম (গারো), কাঁঠালি চাম বা চাম কাঁঠাল (বৈজ্ঞানিক নাম: Artocarpus chama; আর্টোকার্পাস চামা) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের কাঁঠাল-জাতীয় একটি বন্য প্রজাতির ফল। বিপন্ন এই বৃক্ষটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাদা নীল জার্সি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২


গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×