ছেলেবেলা কেটেছে গ্রামে নানাবাড়ি, মা-বাবা দেশের বাইরে ছিলেন, তাই ইচ্ছে মতো দুষ্টুমি করা সম্ভব হয়নি। পড়াশোনায় মোটামুটি । ক্লাস ওয়ান থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত একনাগাড়ে ক্লাস কেপ্টেন ছিলাম। আমাদের হাইস্কুল ছিল বিরাট এবং প্রচুর আম কাঠাল ছিল। দেখতাম শুধু সিনিয়ার ছাত্র ও টিচাররা সব কিছু নিয়ে যেত। একদিন টিফিন পিরিয়ডে আমি ও এক ফ্রেন্ড কাঠাল 25 টা কাঠাল চুরি করে কাঠাল গাছের নিচে কিছু পাতা নিয়ে ঢেকে রাখি। এলাকায় মামারা বেশ সম্মানিত ব্যক্তি, তাই স্কুলে যাই করি না কেন, আমি বাড়ি পেীছার আগে মামাদের কানে পৌছে যায়। আর নানা বাড়ি এতো কাঠাল ছিল যে, কাঠালের সিজনে ফকিরকে ও কাঠাল দেওয়া হতো এক সর্তেযে, কাঠাল খেয়ে কাঠালেন বিচি রেখে যেতে হবে।
সকুল ছুটির পর আমার ভাগে 12টি কাঠাল পড় েলা। এখন আমার চিন্তা হলো কাঠালগুলো নিয়ে কি করবো, বাড়িতে নিয়ে গেলে তো খরব আছে। দুদিন বাজারে এক লোকের কাছে রাখার পর যখন কাঠাল পাকতে শুরু হলো তখন আরও সমস্যা। পরে যার সাথে চুরি করেছিলাম তাকে সবগুলো দিয়ে দিয়েছিলাম। কয়েকদিন পর শুনলাম আমার দুস্ত তুই কাঠালগুলো বাজারেই বিক্রি করে দিয়েছে(এই সাধারন বুদ্ধিটা আমার মাখায় আসে নাই)। তবে পরবর্তি কলেজ ও ভার্সিটি জীবনে আর ও বেশ কয়েকটি সফল চুরি র নেতৃত্ব দিতে পেরেছি। সবকিছুর শেষে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতাম। কলেজ ভার্সিটিতে বেশ পয়সা খরচ করতাম, তাই আমাদের উপর কেউ চুরির অভিযোগ আনলে এলাকার লোকজন বিশ্বাসই করত না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


