অখন্ড অবসর কাটানোর জন্য ঝর ঝরে পেট নিয়ে পথে নেমে পরি।তখন ও আকাশ চকচকে।মধ্যাকাশ একঘেয়ে নীল তাই ধিরে ধীরে রং ছড়াতে ছড়াতে দিগন্তেরেখায় এসে পাথুরে রং।কনে দেখা সেই বৈকালিক রোদ পড়েছে পাহাড়ের গায়ে।লজ্জাবনত পাহাড় কমলা হয়ে আছে।ধুলা মাখা পুটপাথ ধরে হাটছি,কি রুক্ষ শুস্ক সব।পাথের পাশে পরে নেই কোন মোহনী সবুজ জমিনে লাল নীল ফুল।সব কেকটাস, বা চিকন পাতার গাছ।তাদের পাশে সদর্পে দাড়িয়ে কিছু পাম,তাদের চুড়া উচিয়ে।তবু হোচট খাই চোখ যায় সেই সব বক্স এ যেখানে পত্রিকা বা মেগাজিন থাকার কথা। অবাক বিষয়, সেখানে ন গ্ন পাহাড়ি লালনাদের ছবি।সেখানে পাহাড়ে যেমন ঢাক নেই ,তেমনি নেই সেই ললনাদের।নিচে তাদের নাম্বার আর রেট লিখা।অবাক হই,খুব জানতে ইচ্ছে করে, এখানকার অভিবাসীরা কেমন আছে।কিভাবে তাদের বাচ্চাদের বড় করছে।পথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সেই চিরন্তন সত্য আকাঙ্খা ,কামনারা ছড়িয়ে পড়েছে সব।তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে কেউ ছড়িয়ে দিয়েছে মহান যীষূর ছবি।কে বেশী ক্ষমতা ধর!!!! অবাক প্রতিযোগীতা।
এখানে নারীরা ছিল না এভাবে। নারী ভাগ্য বলে একটা কথা আছে।আর এই বাক্য ই নারী দের নিয়ে এসেছে এখানে। জুয়া খেলত মেয়েদের সাথে নিয়ে।তার নারীর ভাগ্যে ই সে জিতে নিবে বিশ্ব।খুব অবাক হয়েছিলাম সেদিন।আমাদের আকাঙ্খা গুলো কিভাবে সব টাকা, শরীর, আর নেশা সর্বস্ব তাই বার বার মনে হচ্ছিল।দ্্বিমত থাকতে ই পারে। কিন্তু চরম সত্য একটা বিষয় হয়ে আমার সামনে এসে দাড়িয়েছিল সে সময়।নয়তো হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এই চারদিকে পাহাড় ঘেরা দ্্বিপে এতো এতো মানুষ আসে কিসের আশায়, কিসের টানে?!!!জুয়া , নারী আর নেশা এই তিনে গড়ে উঠা শহর "লাস ভেগাস" এ মানুষ আসে দলে দলে।
সিদ্ধান্ত নিয়ে নেই , আশে পাশের স্থায়ী বাসিন্দাদের জীবন যাপন দেখব।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:৪৩