
পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত নিজেদের টাকায়ই মাথা উঁচু করে দাঁড়ালো পদ্মা সেতু।
মেট্রোরেল নিয়ে বলা হয়েছিলো- “বাংলাদেশের মানুষ এটা ব্যবহার করতে পারবে না”, “এটা লোকসানের প্রকল্প”, “অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতা”। অথচ আজ রাজধানীর লাখো মানুষ প্রতিদিন সময় বাঁচাচ্ছে ঢাকা মেট্রোরেল ব্যবহার করে।
কর্ণফুলী টানেল নিয়েও কম সমালোচনা হয়নি। বলা হয়েছিলো- “এটা হবে সাদা হাতি”, “এত বড় প্রকল্পের দরকার কী?” অথচ আজ দেশের প্রথম নদীর তলদেশের টানেল নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।
স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় বলা হয়েছিলো- “গরিব দেশের স্যাটেলাইট লাগে না”, “সব টাকা নষ্ট”। অথচ আজ নিজস্ব স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রযুক্তির নতুন পরিচয়ে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে নানা সময়ে নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে। কেউ বলেছে অসম্ভব, কেউ বলেছে অপ্রয়োজনীয়। কিন্তু আজ বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করেছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এর মাধ্যমে।
আজ যারা উন্নয়নের বিরুদ্ধে কথা বলে, তারা আসলে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলে।
আমরা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দরজায় দরজায় ঘুরতে চাই না।
আমরা মাথা নত করে বাঁচতে চাই না।
আমরা পরাশক্তির দালালি করে টিকে থাকতে চাই না।
আমরা চাই আত্মমর্যাদার বাংলাদেশ।
আমরা চাই উন্নত বাংলাদেশ।
আমরা চাই নিজের টাকায় নিজের স্বপ্ন গড়ার সাহস।
আমরা উন্নয়ন চাই।
আমরা শক্ত নেতৃত্ব চাই।
আমরা এমন বাংলাদেশ চাই- যে বাংলাদেশ কারও করুণায় নয়, নিজের শক্তিতে দাঁড়াবে।
আমরা বাঁচার মতো বাঁচতে চাই।
ভাগ্যিস আমাদের একজন “ফ্যাসিস্ট” ছিলো!
যে কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছে।
অভিবাদন- আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




