যারা শিশুদের নিয়ে লিখা আগের পোস্টটি পড়েন নি তারা ঐ পোস্টটা পড়ে নিন, তাহলে আমার এই পোস্ট এর কথা গুলো শজে বোধগম্য হবে। আমি আগের পোস্টে সমস্যার কথা বলেছি, বলেছি সমাধানের জন্য প্রথমে যে জিনসটা আমাদের দরকার তা হল অর্থ। এখন আমি বলব এই অর্থ আসবে কোথা থেকে এবং এর ব্যব হার ই বা আমরা কিভাবে করব? ক) আমাদের যে টাকার দরকার তা আমাদের ই যোগাতে হবে। কি করে? তাহলে আমরা আমাদেরকে কয়েক ভাগে ভাগ করি প্রথমে। এবং তারা কি করে অর্থ সনচয় করবে তা বলব। 1)স্টুডেন্ট যারা দেশে আছে...একটা হিসাব দেনতো প্রতিদিন কত টাকার চায়ের বিল দেন মামার দোকানে? বা কয়টা সিগারেট খান.....আমি জানি...দিন ষহেষে বিল কি পরিমান হয়....এক কাপ চা তদি কম খান, মানে দুই টাকা, একটা সিগারেট 3-4 টাকা...।মাসে 60 টাকা চায়ের দোকানে সেভ করেন না, সিগারেট....োটা আর নাইবা বললাম...60 টাকা মানে েকটা পরিবারের একদিনের খাবার খরচ। এি টাকাটা রেখে দিন না আলাদা একটা কৌটায়। বাইরে যারা পড়াশুনা করছেন---তাদএর কেউ আন্ডারগ্রেড, কেউ গ্রেজুয়েট লেভেল। যারা আন্ডারগ্রেড তাদের অনেক খরচ, কারন টিউশন দিতে হয়। কিন্তু তারা সবাই বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বচ্ছল পরিবারের বা ধনীর ছেলে মেয়ে। তার উপর তারা নিজেরা ও জব করে। উ এস এর কথা বলতে পারি...একটা ম্যগডোনান্ড মানে মিনিমাম 1 ডলার মানে 65 টাকা। আপনি মাসে 1 ডলার রাখলে ও হয়। বা কয়েন গুলো....।দেখবেন নিজের পকেট ঝাড়া দিলে ও দুই তিন টা কয়েন বের হয়ে আসে। মাসে 1ডলার বা 2 ডলার রেখে দিলে তেমন কোন কম বেশি হয় না। এবার আসি যারা গ্রেজুয়েট স্কুলে পড়েন তাদের সবার নিজেদের আয় আছে। এটা একটা জব ও আসলে। তাই তারা ইচ্ছে করলে ই মাসে 10-20 ডলার আলাদা করে রাখতে পারেন। যারা বাইরে চাকরী করেন তাদের কথা নাইবা বললাম। 2)যারা দেশে চাকরি করেন---দেশের চাকরিজীবিদের অবস্থা আমি জানি, সব কিছু মাস শেষের জন্য আমরা বসে থাকি..আমার মা কে দেখতাম মুস্টি চাল রাখতে, প্রতিবেলা ভাত রান্নার সময় এক মুঠি ডানোর কৌটায় তুলে রাখত। মাস দুয়েক পর এই চাল আমরা সবাই মিলে মাপতাম..4-5 কেজি চাল হয়ে যেত। তো আম্মা এই চালের দাম দিয়ে এটা আমরা ই খেয়ে ফেলতাম...এই টাকাটা আম্মা জমাতো। এটা পরে কারো দরকারে ব্যব হার হত। এই কাজ টা আপনারা ও করতে পারেন.... এবার টাকা একত্রিত করার পালা। আপনারা যারা বাইরে আছেন, এতো কম টাকা পাঠাবো কি করে? অন্য দের সাথে যোগাযোগ করেন।তা ও না হলে, দেশে যখন টাকা পাঠাবেন, বা দেশ থেকে যখন আপনার জন্য টাকা পাঠেবে তাদের বলুন জমানো টাকার পরিমান কম পাঠাতে বা ঐ টাকার সাথে মিলিয়ে পাঠিয়ে দিয়ে বলুন ঐ পরিমান টাকা আলাদা করে আপনার বা আপনাদের মিলিত কোন একাউন্টে দিয়ে দিতে। আর যারা দেশে আছেন তারা তো সহজে ই একজন আর একজনের সাথে মিলিত হতে পারেন...কাজ টা করতে হবে গ্রুপ ওয়াইজ। একেকটা গ্রুপ হিসেবে টাকা জমান....আপনার বন্ধুদের নিয়ে.।যারা একই ভাবে ভাবেন...এবং যাদের সাথে যোগাযোগ হবে, বা বাইরে যারা আছহেন..তারা দেশে তাদের কোন বন্ধুকে এই দয়িত্ব দিতে পারে..। মানে হচ্ছে যে যার সাথে কাজ করে আনন্দ পান...। তার পরের কিস্তিতে আসবে এই অর্থ কি করে ব্যব হার হবে....
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০০৬ সকাল ৭:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



