somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিষিদ্ধ যতো বই .......

৩০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নিষিদ্ধ যতো বই .......
[ তৃতীয় পর্ব ]

Uncle Tom's Cabin
আংকল টমস কেবিন



প্রচ্ছদ , ২০শে মার্চ - ১৮৫২

বাইবেলের পরে আমেরিকাতে উনিশ শতকের সবচেয়ে বেশী বিক্রিত বই এটি । একটি বইয়ের কাহিনী যে একটি সমাজকে আমূল বদলে দিতে পারে তেমন একটি বই । ১৮৫০ সালে যখোন "ফিউজিটিভ স্লেভ এ্যাক্ট" আমেরিকাতে পাস হয়ে যায় তখোন লেখিকা হ্যারিয়েট বীচার স্টো'য়ের প্রতিবাদী কন্ঠস্বর হয়ে ১৯৫২ সালের ২০শে মার্চে প্রকাশিত হয় "আংকল টমস কেবিন" ।
দাসপ্রথার আঁতুড়ঘর আমেরিকার প্রথম প্রতিবাদী চীৎকার ।
"আংকল টম" সাদা চামড়ার প্রভুদের কাছে ক্রীতদাসতুল্য কালো চামড়ার এক মানুষের নিন্দাসূচক এক নাম । গল্পটি টমের মতো আরো হাযারো কালো চামড়ার ক্রীতদাসদের জীবনের সব যন্ত্রনা, হাহাকারের নির্মম এক দলিল । অত্যাচার আর পাশবিকতা যাদের চামড়ার কালো রংয়ের মতো কালো অন্ধকারে জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত লেপ্টে দিয়েছে । ছিনিয়ে নিয়েছে স্ত্রী-পূত্র-কন্যা । পেরেক ঠুকে দিয়েছে মানুষের স্বভাবজাত স্নেহ -ভালোবাসার আকুতিতে ।

বইটি সম্ভবত আপনার প্রিয় বইয়ের তালিকাতেও আছে । পড়তে গিয়ে হয়তো আপনার চোখও ছলছল করে উঠেছিলো একদিন । আপনি এখানে ক্রীতদাসদের জীবনচিত্র দেখেছেন । দেখেছেন টম নামের মূল চরিত্রটি কি করে শোষনের কাছে নিজেকে সঁপে না দিয়ে , নিজের বিশ্বাসের উপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে । এমোনকি অনিচ্ছাভরে তার শত্রুদেরও তাকে প্রশংসা করতে হয়েছে ।
কাহিনীর শুরু হয়েছে দেনার চাপে ভারাক্রান্ত ফার্মহাউজের মালিক আর্থার সেলবী যখোন তার দুজন ক্রীতদাসকে বিক্রী করে দিতে বাধ্য হন, এরকম ঘটনার মধ্যে দিয়ে । যদিও আর্থার সেলবী আর তার স্ত্রী এমিলি সেলবী জানতেন নিজেদের ক্রীতদাসদের সাথে কি মধুর সম্পর্ক ছিলো তাদের ! অথচ স্ত্রী-সন্তান সহ বিক্রি হয়ে যেতে হয় মাঝবয়েসী আংকল টমকে আর মালকিন এমিলি সেলবীর পরিচারিকা এলিজার পাঁচ বছরের সন্তানকেও । নতুন মালিকদের জিম্মায় চলে যাওয়া সইতে পারেনি সেলবী পরিবারের ছেলে জন সেলবীও , এটা ও আপনি দেখেছেন । কালোচামড়ার এই ক্রীতদাসটিকে কিশোর সেলবী বন্ধুর মতো জানতো, দেখতো নিজের বিজ্ঞ পরামর্শদাতা হিসেবে । এর পরেই এই মানবিক আখ্যানটুকু ছাড়িয়ে কাহিনী গড়িয়ে গেছে অমানবিক বর্বরতার দিকে । ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দাসমালিকদের অকথ্য নির্যাতন আর পশুসুলভ মনোবৃত্তির ছবি । কালোমানুষ এই সব ক্রীতদাসরা কি ভয়ানক জীবনের ভেতর দিয়ে গেছেন তা একটি মাত্র ঘটনাতেই আপনি বুঝতে পেরেছেন , কাহিনীর আর এক চরিত্র ক্যাসী যখোন তার বড় দুটো ছেলেমেয়েকে দাস হিসেবে বিক্রি হয়ে যেতে দেখেন তখোন তার তৃতীয় সন্তানকে নিজ হাতে হত্যা করেন যাতে তার চোখের সামনে সন্তানকে "স্লেভ" বা "দাস" হতে না হয় ।
দাস হওয়ার চেয়ে মৃত্যুই কি শ্রেয় ছিল সেই দিনগুলোতে ? কি মর্মান্তিক "মানুষ" নামের এই বিনিময় যোগ্য পন্যটির ভাগ্য ।

ক্রীতদাসদের নিয়ে এই রকম ভয়াবহ আবহের অসংখ্য ছবি আছে বইটিতে । অমানবিক অত্যাচার সয়েও তবু
কিন্তু আংকল টম তার নতুন মালিক পাষন্ড সাইমন লেগ্রীর কাছে হার মানেননি । নিজের ধর্মবিশ্বাসের কাছে থেকেছেন অটুট । অভঙ্গুর বিশ্বাস রেখেছেন ঈশ্বরে । লেখিকা হ্যারিয়েট বীচার স্টো আংকল টমকে এখানে তুলে এনেছেন একজন মানবিক হিরো হিসেবে । সাইমন লেগ্রীর বর্বর অত্যাচারের পরেও তাকে ধর্মগ্রন্থ বাইবেল পাঠ করা থেকে বিরত রাখা যায়নি । বিরত রাখা যায়নি নিপীড়িত সহ-ক্রীতদাসদের অভয়ের বাণী শোনাতে ।


ছবি-- সাইমন লেগ্রীর হাতে নির্যাতিত আংকল টম ।
এই অভয়ের বাণী-ই হয়তো ধীরে ধীরে আমেরিকার উত্তরাংশের জনপদগুলোকে ক্রীতদাস প্রথার বিরূদ্ধে লড়তে শিখিয়েছে । তাই ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল পর্য্যন্ত আমেরিকাতে যে "সিভিল ওয়র" চলে তাতে বিজয়ী হয় মানবতা । দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়ে যায় । বিজয়ী প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন তাই হয়তো এক সমাবেশে "আংকল টমস কেবিন" এর লেখিকা হ্যারিয়েটকে দেখে মন্তব্য করেছিলেন ---"সো য়্যু আর দ্য লিটল লেডী হুজ বুক ষ্টার্টেড দ্য সিভিল ওয়র !"

প্রতিবাদী সাহিত্য এমনি করেই বুঝি সমাজকে কলংকমুক্ত করে এক সময় । এখোন আপনি ভাবতেই পারেন , হ্যারিয়েট ষ্টো যতোখানি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলেন , বাস্তবে তা ছাড়িয়ে গেছে অনেকদুর ।

অবশ্য কিছু কিছু সমালোচক দক্ষিনের জীবন সম্পর্কে লেখিকার অভিজ্ঞতায় সীমাবদ্ধতার কথা তুলে বলতে চেয়েছেন, কাহিনীতে সত্যিকার ছবিটি ফুঁটে ওঠেনি । অতিরঞ্জন রয়েছে ।
লেখিকা এর প্রতিবাদে, তার লেখায় যে স্লেভারী সম্পর্কিত সত্যিকথন ই বলা হয়েছে তা প্রমানে ১৮৫৩ সালে লেখেন তার দ্বিতীয় বই "আ কি টু আংকল টমস কেবিন" ।


A Key to Uncle Tom's Cabin, first edition cover, 1853

শুধু আমেরিকাতেই "আংকল টমস কেবিন" বইটির ৩ লাখ কপি বিক্রি হয়ে যায় প্রকাশের এক বছরের ভেতর । গ্রেট বৃটেনে বিক্রি হয় এক মিলিয়ন কপি । তিন বছরের মাথায় বইটি সবচেয়ে জনপ্রিয় বই হিসেবে স্বীকৃত হয় । ষাটটি ভাষাতে এর অনুবাদ হয়েছে । বইটির কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্রও তৈরী করেছেন অনেকে ।

দাসপ্রথার বিরূদ্ধে লেখা হয়েছে বলে বইটিকে নিষিদ্ধ করা হয় আমেরিকার কনফেডারেট ষ্টেটগুলোতে । আমেরিকার দক্ষিনাঞ্চলের সাউথ ক্যারোলিনা, মিসিসিপি, ফ্লোরিডা, আলবামা, জর্জিয়া, লুইজিয়ানা আর টেক্সাস এই সাতটি ষ্টেট মিলে এই কনফেডারেট গঠন করা হয় । এর সবগুলোই স্লেভ ষ্টেট যেখানে দাসপ্রথা ছিলো উত্তুঙ্গে । ১৮৬০ সালে রিপাবলিকান এবং দাসপ্রথা বিরোধী আন্দোলনের সমর্থক আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে এই রাজ্য কয়টি "ইউনাইটেড ষ্টেটস"থেকে সরে এসে আলাদা কনফেডারেসী গঠন করে । লিংকন এদের বিরূদ্ধে সংগ্রাম শুরু করলে এই কনফেডারেটে যোগ দেয় ভার্জিনিয়া, আরকানসাস, টেনেসী আর নর্থ ক্যারোলিনা এই অঙ্গরাজ্যগুলি । ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল ( আমেরিকান গৃহযুদ্ধকালীন সময় ) পর্য্যন্ত এই কনফেডারেট ষ্টেটগুলোতে আংকল টমস কেবিন নিষিদ্ধ হয়ে ছিলো । কারন, এই বইয়ে দাসমালিকদের বীভৎস আচরনের ছবি তুলে ধরা হয়েছে , ধর্মকেও করা হয়েছে সমুন্নত । এটাই ছিলো তার দোষ ।
রাশান জার প্রথম নিকোলাস তার রাজ্য রাশিয়া, পোল্যান্ড আর ফিনল্যান্ডেও আংকল টমস কেবিন কে নিষিদ্ধ করেন । কারন আর কিছুই নয় , বইটিতে সাম্যের গান গাওয়া হয়েছে । সকল মানুষ সমান, বলা হয়েছে এই কথা । আর ঈশ্বরে বিশ্বাসকে ও এখানে বড় করে তোলা হয়েছে । রাজতন্ত্রে এসব দোষ অমার্জনীয় । তাই "ব্যানড" সীল মারা হয়েছে বইটির গায়ে ।
নিয়তির কী নিষ্ঠুর পরিহাস , জারের সেই রাশিয়া-ই একদিন সাম্যের গান গেয়ে কাস্তে-হাতুরীর লাল বিপ্লবী পতাকা উড়িয়েছে বাতাসে !

সমাজ পাল্টে যায় , সময় বয়ে চলে এক ঘাট থেকে আর এক ঘাটে । বই কিন্তু পাল্টায় না, কোনও ঘাটেই নোঙর ফেলেনা সে ।


The Adventures of Tom Sawyer
দ্য এ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়্যার


ছবি - Front piece of The Adventures of Tom Sawyer
প্রচ্ছদ শিল্পী মার্ক টোয়েইন স্বয়ং ।

" আপনি বিশ কিম্বা আশি যে বছর বয়েসীই হোন না কেন, যখোনই আপনি কিছু শেখা থেকে বিরত থেকেছেন আপনি বুড়িয়ে গেছেন । শেখা চালিয়ে যেতে পারলেই আপনি মনেপ্রানে তরুন হয়ে উঠতে পারবেন আর সবচেয়ে বড় জিনিষটি যা আপনি করতে পারেন তা হলো , আপনার মনকে এইরকম টগবগে তরুনের মতো রাখা ।"

যিনি এমোন কথা বলতে জানেন তার পক্ষেই সম্ভব তিন তিনটি কিশোরের উঠতি বয়সের চপলতা নিয়ে গল্প লেখা । আপনিও সেই বই গুলো পড়েছেন সম্ভবত । নইলে আপনার ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া কিশোর সন্তানটির স্কুলব্যাগে হাত ঢোকান, দেখবেন সেখানে তার পাঠ্য বই হিসেবে রয়েছে "দ্য এ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়্যার" বা "দ্য এ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরী ফিন" বইয়ের যে কোনও একটি । নিছক শিশুতোষ কাহিনী । ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত । লেখক , মার্ক টোয়েইন ।
কাহিনীর নায়ক টম সয়্যারের নির্দোষ দুষ্টুমিতে ভরা বইটি । মিসিসিপি নদীর তীরে ছোট্ট শহর হ্যানিবল এ নিজের বেড়ে ওঠা বাল্যকালের স্মৃতির অনুরনন করেছেন নাকি মার্ক টোয়েইন এ বইয়ে । ছেলেবেলার তিন তিনজন সঙ্গীর চরিত্র একত্র করে ঢুকিয়ে দিয়েছেন নিজ চরিত্রের রূপক হিসেবে চিত্রিত টম সয়্যারের চরিত্রে । তাই বেশ ডানপিটে হয়েছে কাহিনী । ভুত-প্রেত , ডাকিনী বিদ্যা আর ভুতুড়ে বাড়ী এই সব নিয়ে রোমাঞ্চকর অভিযানের এক একটি গল্প । মিসিসিপি নদী তীরের জীবনযাত্রার কথাই যেন বলতে চেয়েছেন লেখক । কাহিনীর চরিত্রগুলোও তাই এসেছে তাঁর ধারেকাছের মানুষদের ভেতর থেকে । যেমন বইয়ের " আন্ট পলি" চরিত্রটি তাঁর মায়ের অনুকরন । নিজ বোন পামেলাকে তুলে ধরেছেন "মেরী"র চরিত্রে । এমনি অনেক । এরা সবাই বাস্তব সঞ্জাত । তাই চরিত্রের মুখে তৎকালীন লোকভাষা ই কথা হয়ে ফুঁটেছে ।
আমেরিকান বর্ণবাদ আর গৃহযুদ্ধের তুমুল ঘোরের মধ্যে বড় হয়ে ওঠা টোয়েইনকে শিখিয়েছে, জীবন কী ! বর্ণবাদীদের পক্ষে যুদ্ধ নাম লেখালেও ধীরে ধীরে তিনি বুঝলেন দাসত্বের নিগূঢ় শৃংখলের দাগ কি গভীরে প্রোথিত আর সংখ্যালঘুদের প্রতি অবিচার কি ভয়ানক । সমালোচক হয়ে উঠলেন দাসপ্রথা আর বর্ণবাদের ।
আমেরিকার দক্ষিনের এইসব দিনরাত্রিই উঠে এসেছে তার সাহিত্যে । কিন্তু ইতিহাসে সাহিত্যের সমালোচকরা তার লেখার অপরাধমূলক বিষয়গুলোকে তার নিজের দৃষ্টিভঙ্গী হিসেবেই অপব্যাখ্যা করেছেন বরাবর এভাবেই – -- "সাহিত্যের কলমে যে ভাষা আর ধারনার কথা টোয়েইন তার গল্পে লিখে গেছেন তা তাকে একজন বর্ণবাদী হিসেবেই চিন্হিত করবে । কারন তার এই বইতে "nigger" আর "Injun." এই জাতীয় শব্দগুলির ব্যবহার ব্যাপক ।এই শব্দগুলো আমেরিকার বদলে যাওয়া সমাজে নিন্দিত, ঘৃনিত আর রাজনৈতিক ভাবে অশুদ্ধ । এতে তাঁর মেজাজের অন্ধকার ধ্যান ধারনার দিকটাই প্রকাশিত হয়েছে "।

এইসব কারনেই কি তার সেরা কিশোর উপন্যাসগুলো "নিষিদ্ধ" ছাপ গায়ে মেখেছে একদিন !

তা - ই !

আর এসব কারনেই ১৮৭৬ সালেই ব্রুকলিন পাবলিক লাইব্রেরীর চিলড্রেন’স সেকশনে বইটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয় । ১৯৩০ সালে বইটিকে সোভিয়েত রাশিয়ায় ঢোকার অনুমতি দেয়া হয়নি । আবার ব্রাজিল সরকার ১৯৩৭ সালে বইটিকে কমিয়্যুনিষ্ট আর বিধ্বংসী চিন্হিত করে "ব্যানড" ছাপটি মেরে দেন বইটির গায়ে ।
আরও আশ্চর্য্যের ব্যাপার হলো, বইটি প্রকাশের একশো বছরেরও বেশী সময় পরে এই ১৯৯৪ সালের আধুনিক আমেরিকার মাটিতে (যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা স্বীকৃত) বইটিতে বর্ণবাদে রঞ্জিত ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে অভিভাবকদের চাপে পেনসিলভেনিয়ার ওয়েষ্ট চেষ্টার স্কুলের সেভেন্থ গ্রেডের পাঠতালিকা থেকে সরিয়ে ফেলা হয় । আর ও অভিযোগ --বইটি শিশুপাঠ যোগ্য নয় । এটি বড়দের জন্যে ।



ছবি - পরবর্তীকালের কিছু প্রচ্ছদ ।

ঠিক তাই ! লেখক নিজেও স্বীকার করেছেন এমোনটাই । তাঁর বইয়ের প্রকাশককে তিনি লিখেছেন এভাবে ----
"ইট ইজ নট আ বয়'স বুক, এ্যাট অল । ইট উইল ওনলি বী রেড বাই এ্যাডাল্টস । ইট ইজ ওনলি রিটেন ফর এ্যাডাল্টস ।"
আবার এই সবে ২০১১ সালেই দ্য এ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়্যার এবং পরবর্তী ধাপে তার আরো বিতর্কমূলক বই "দ্য এ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরী ফিন " বইগুলো থেকে "নিগার" , 'স্লেভ", "ইনজুন" এই শব্দগুলো বাদ দিয়ে প্রকাশের অনুমতি দেয়া হয়েছে । যদিও এই সেন্সর প্রজেক্টের একজন , মার্ক টোয়েইন স্কলার ও ইংরেজীর অধ্যাপক এ্যালান গ্রিবেন এর মতে ; যারা যারা সাহিত্যের অখন্ড সাধুতায় বিশ্বাসী এই সংশোধন তাদের মাঝে আরও বিতর্কের ঝড় তুলতে চাইবে ।

ব্যানড বা নিষিদ্ধ যা ই হোক না কেন " দ্য এ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়্যার" আজো ছেলেবুড়ো সবার কাছে সমান প্রিয় । ভাষার ব্যবহারে মার্ক টোয়েইন এর মেজাজের অন্ধকার ধ্যান ধারনার দিক যতোই প্রকাশিত হোক না কেন এটা তো স্বীকার করতেই হবে , আমেরিকান আধূনিক গল্পবলিয়েদের ষ্টাইলে যুগান্তকরী পরিবর্তন এনেছেন তিনিই । আর সে ষ্টাইলটি হলো , সোজাসাপ্টা আর অকপটে প্রথমপুরুষে কাহিনীর বর্ণনা ।

[ চলবে....]
ছবি ও সূত্র : Wikipedia / Why it Isn’t a Book for Kids / Banned Books: / List of books banned by governments / Banned: All Quiet on the Western Front / SPARK NOTES / Banned & Challenged Classics
প্রথম পর্ব এখানে Click This Link

দ্বিতীয় পর্ব এখানে ....... Click This Link


সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:১৩
৪৫টি মন্তব্য ৪৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাহি না : পুুণ্যময় মুহররমের শিক্ষা

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭



কৈফিয়ত:
দশ মুহররম গত হয়ে চলে গেছে আমাদের থেকে। মুহররমের আজ ১৪ তারিখ। হ্যাঁ, সময় পেরিয়ে যাওয়ার কিছুটা পরেই দিচ্ছি এই পোস্ট। পোস্ট লিখে রেখেছিলাম আগেই। কিছুটা ব্যস্ততার জন্য কম্পিউটারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অটোপসি

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

যে পাহাড়ে যাব যাব করে মনে মনে ব্যাগ গুছিয়েছি অন্তত চব্বিশবার-
একবার অটোপসি টেবিলে শুয়ে নেই-
পাহাড়, ঝর্ণা, জংগলের গাছ, গাছের বুড়ো শিকড়- শেকড়ের কোটরে পাখির বাসা;
সবকিছু বেরিয়ে আসবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরব গাঁথা আমাদের ইতিহাস : ঘটনাপঞ্জি ও জানা অজানা তথ্য। [১]

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮


আমার এ পোষ্টটি সবার ভালো না ও লাগতে পারে । যাদের মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের স্বাধীনতার গৌরবগাঁথা সর্ম্পকে বিন্দু মাত্র শ্রদ্ধাবোধ বা আগ্রহ নাই তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার পথে পথে- ১৪ (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩



ঢাকা শহরের মানুষ গুলো ঘর থেকে বাইরে বের হলেই হিংস্র হয়ে যায়। অমানবিক হয়ে যায়। একজন দায়িত্বশীল পিতা, যার সংসারের প্রতি অগাধ মায়া। সন্তনাদের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা- সে-ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রলীগ নিয়ে শেখ হাসিনার খোঁড়া সমাধান!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৫



Student League News

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, ছাত্র রাজনীতির দরকার ছিলো না; ছাত্ররা ছাত্র, এরা রাজনীতিবিদ নয়, এরা ইন্জিনিয়ার নয়, এরা ডাক্তার নয়, এরা প্রফেশালে নয়, এরা শুধুমাত্র ছাত্র;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×