আমার দুচোখে ভর করে সকাল হয়েছিল একদিন।
সেদিন হাটুজলের পাথরতলা হ্রদে ;
একটু একটু করে ডুবেছিলাম আমি।
ওপাড়ে রাতভর বিক্রি হওয়া কিছু দেহ-
সমস্ত পাপ ধুয়ে নিষ্কলঙ্ক হচ্ছিল ক্ষণিকের জন্য।
চারপাশের কোন লোভ নেই, আঁচল জুড়ে লজ্জা নেই,
নেই কোন নিয়মের বড়াই।
শুধু ছিল নষ্ট হবার পবিত্র আনন্দ।
আমি ছিলাম ফড়িংদের ঠিক সামনে,
কাঁচা রাস্তার নরম বুকে কাঠপোড়া ধোয়া-
কুন্ডলি পাকিয়ে উড়ছিল ফড়িংদের পিছে পিছে।
কি নির্ঝঞ্ঝাট ছুটে চলা, কি মুক্তির অহংকার!
মানুষের সমস্ত সরলতা শুষে নিয়ে উড়ে চলছে-
হারিয়ে যাওয়া কথাদের মত!
কিছুক্ষন আগেই গাছ তলার পথ ধরে এখানে এসেছি।
একটি ফুলকেও পায়ের আঘাতে মরতে দেইনি।
জুতোর শক্ত সোলের সাথে চোখের সে কি অদ্ভুত মিলন!
চোখ নিজেই পায়ের গতিকে সরিয়ে নিচ্ছে নগ্ন মাটিতে।
বুঝতে পারলাম পা বাঁচিয়ে চলতেও অন্তর্দৃষ্টি লাগে।
এখনই আকাশ ভেঙ্গে রোদ নামবে।
নিয়মহীন শিশির কান্নায় এখনই খড়া পরবে।
শুধু আমিই থেকে যাব নিয়মবন্দী
আবার ফিরে যাব ফুটপাথে,
আবার খুঁজে ফিরব গন্তব্য
কখনো এ পথ, কখনো ও পথ।
এখন শুধু একটি হোচটের অপেক্ষা।
তারপর আবার ফিরে যাব আধার কাটা সকালের কোলে।
বৃত্তের শেষ খুজতে শুরুতেই একটা দাগ টেনে নিব।
দেহকে নিথর করে মিশে যাব সদ্য ভুমিষ্ট সকালের মাঝে,
চোখবন্ধ আধারের মাঝে, নেশার মাঝে, মুক্তির মাঝে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




