কবির পড়নে লুঙ্গি, গায়ে সফেদ পাঞ্জাবী ঢোলা ;
অতিধীরে হাঁটছেন, আসছেন, আমাদের বাড়ির অতিথি,
সমুদ্রের মতোন অজস্র কথার জলোাধি তাঁর মুখে তোলা :
একটি কথাও তিনি বলছেন না, অথচ তাঁর কত গান গীতি।
যৌবনে তিনি ধীরোদাত্ত এক মহানায়ক সাইক্লোন টনের্ডো ;
বিদ্রোহ, সাম্য আর প্রেমের অভূতপূর্ব এক আচমকা প্রতিভা,
মানুষের জীবন, রাজনীতি, মুক্তি, অর্থনীতি, কাম, ক্রোধ লিবিডো,
সবই চিত্রিত বিশ্বস্ততায়, অগ্নিস্ফ’লিঙ্গে, যেন আগ্নেয়গিরি ; জাভা।
তাঁর মহা হুঙ্কারে স্পন্দিত হলো মহাবিশ্ব ; ছায়াপথ ;
নতুন পৃথিবী বিনির্মাণের সূত্রাবলি বাঙালি পেলো তাঁর সূত্রে,
রবীন্দ্রবলয় থেকে তিনি নির্মাণ করলেন এক নতুন জগত :
আমরা উদ্দীপনা পেলাম সাতচল্লিশে, উনসত্তরে ; একাত্তরে।
শেষরাতে কবি আজ এলো আমাদের বাড়ির অতিথি
পান-বাটা ধরতেই, ঝন্নাৎ, ঘুম ভাঙলো,আহা! বোধের গতি ?
নিসর্গ : ঢাকা
১৫.০৫.২০১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



