somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রবাহমান নগ্নতা ও আমাদের বিশ্ব:-

১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



চোখ খুললেই আমরা এ প্রকৃতির প্রায় সবকিছুকেই অনুভব করতে পারি। সূরযঅ, চাঁদ, আলো, বাতাস এবং সৃষ্টির সেরা জীব মানুষসহ ইত্যাদি অনেক কিছুকেই আমরা মানুষেরা সহজেই বুঝতে পারি।

আজ এ বুঝানোর বিষয়টি সমাজকে ধ্বংসের ধার প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।তারা বুঝাতে চায় আর এ নগ্নভাবে বুঝানোর ধ্যান ধারনা এবং তার চলমান প্রবাহ পৃথিবীর উদীয়মান জনগোষ্টীকে ধ্বংসের সাগরে ঠেলে দিচ্ছে। প্রতিটি সেকেন্ড়ে এ পৃথিবীকে গুনতে হচ্ছে অহরহ অনাচার, ধরষন, এসিড় নিক্ষেপ,সীমাহীন অপব্যয় ইত্যাদি অনেক কিছু । মানুষের চরিত্র নষ্ট করার এক বিনিয়োগে আমরা নিমজ্জিত। সবচেয়ে দুঃখজনক হল, আমরা যারা সভ্য দাবী করি তারাই এ বিনিয়োগে নিমজ্জিত। তারা তাদের তথাকথিত শিক্ষা দিয়ে ড়িজাইন করছে কিভাবে নগ্নতা প্রকাশ করা যায়।তাদের বিজ্ঞাপন,তাদের পোষাক ,তাদের নাটক,সিনেমা,ফেসবুক আইন ইত্যাদি এমনভাবে তৈয়ার করছে যাতে নারী জাতির নগ্নতা তাদের ব্যবসার প্রসারের আসল পুজিঁ। তাদের সৃষ্ট এ ধ্যান ধারনা সমাজকে যে প্রতিনিয়ত ধ্বংস করছে এতে কোন সন্দেহ নেই। সেদিন দেশের একজন শীরষঅ স্হানীয় ব্যাংকার তার turkey river ক্রুজের articles এ মেয়েদের নাচের বেশ কয়েকটি নগ্ন ছবি দিয়ে বুঝাতে চেয়েছেন ভ্রমন তার কেমন হয়েছিল কোন প্রাকৃতিক ছবি এখানে প্রাধান্য পায়নি? কানাডা প্রবাসী আমার এক আত্নীয় সেখানকার river ক্রুজের বরননা দিয়েছিলেন কি অবস্হা তা বরননার মত নয়। এ হল শিক্ষিতদের বিশ্ব। তাদের স্ত্রী, মেয়েদের পোষাকের ড়িজাইন এমনভাবে করা হয় যাতে নগ্নতা মুখ্য হয়ে থাকে। উভয়ে সমগোত্রীয়। এই শিক্ষায় আজ মূখ্যভাবে প্রবাহমান। দ্রব্য ও সেবার গুনাগুন বুঝাতে আমরা মেয়েদের নগ্নতাকে বেছে নিয়েছি। সারা বিশ্বে এই অবস্হায় বিরাজমান। যেন নগ্ন এক বিশ্ব! পৃথিবীর এ সকল সভ্যরা(দাবী করে) নীজে এবং তাদের কোমলমতি ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে নগ্ন সামুদ্রিক বীচেই হলিডে কাটাতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় আর টেলিভিশন মালিকরা ও হোটেল মালিকরা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ও খবরের মাধ্যমে দেখিয়ে অন্যকে সুড়সুড়ি দেয় যাতে সেও এ নগ্ন পরিবেশে যায়।যারা যেতে পারে না তারা দেখেই চলছে। এ মূহূরতে যেখানে বসে লিখছি তা হল একটি তারকা নামক হোটেল পাশে তিন জনের এক মুসলিম বিদেশী পরিবার বাবা পান্জাবী ড়্রেস, মা সালোয়ার কামিজ অষ্টাদশী মেয়ের পোষাক তথাকতিথ সেই সকল ড়িজাইনারের ড়িজাইন দিয়ে তৈরী যাতে নগ্নতা প্রকাশের বাকী কিছু নেই। আজকাল অনেক পরিবারকে দেখা যায় যাকে বেশী হিজাবের মধ্যে রাখা উচিত তাকে নগ্ন ড়্রেস পরায় আর নীজে অনেকটা শালীন পোষাক পরিধান করে। এ পরিবারটিও সে রকম। মেয়েটি ছটপঠে ইংরেজী ভাষায় মা বাবার সংগে কথা বলছে। ব্যবসায়ীরা মেয়েদের এ নগ্নতাকে দিয়ে business hunting করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত।কি ধরনের পোষাক পরিধান করে বিমানে আরো বিভিন্ন জায়গায় সেবার কাজ করবে তথাকতিথ সভ্যরা ঠিক করে দেয়। আজ এমন এক বিজ্ঞান আমরা সৃষ্টি করছি যা আমরা সকলে রপ্ত করে কোমলমতিদেরকে সেই পরিবেশে হারিয়ে দিই। যে কারনে তারা বিপদগ্রস্হ সরবোপরি এ পৃথিবী বিপদগ্রস্ত আজ এই লুলোপ দৃষ্টি শক্তি সৃষ্টির জন্য কারা দায়ী? কেন rape হয়?শয়তান কেন আমাদের পিছু ছাড়ে না তার জন্য একমাত্র দায়ী সমন্বিত International Dress code,Advertisement code, Design code ইত্যাদি না থাকার কারনে। পৃথিবী আজ নগ্নতার সাগরে ভাসমান। যার ক্ষতিকর প্রভাব সীমাহীন এবং আমরা বহন করছি।
দুঃখজনক হল প্রগতিশীল নারীবাদীরা তাদের এহেন নৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে কোন আন্দোলন করে না তারা আন্দোলন করে ধরষকের শাস্তির জন্য আপনাদের নগ্নতার জন্য শয়তান যে তার মধ্যে লুলোপ আকরষন সৃষ্টি করে সে বিষয়ে কোন চিন্তা নেই এবং তা কি কারনে সৃষ্ট হয় তা নিয়ে কোন গবেষনা বা আন্দোলন নেই। কোথায় নারী জাতির আসল প্রগতি ও কিভাবে তাদের নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষা করে সমুন্নত রাখা যায় তা নিয়ে কোন আন্দোলন নেই। তাদের মূল্যবোধ পণ্যের মত ব্যবহার করে ব্যবসায়ীরা যে ফায়দা লুটছে সে সব নিয়ে তারা মাথা ঘামায় না। এ পৃথিবীর সকল নারী যদি তাদের মূল্যবোধ নিয়ে সচেতন হয় তাহলে এ পৃথিবী নতুন সুখকর আরামপ্রদ দারুন অন্য এক পৃথিবীর রুপ ধারন করবে! আজ তথ্য প্রযুক্তির যুগে নারীর নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিনিয়ত নিরযাতিত। এ নিরযাতন রোধ করতে এবং মূল্যবোধ রক্ষায় ঔষুধ দিতে হবে গোড়ায় আমরা দিই আগায়। আমি মনেকরি ইসলামের প্রনিধান যোগ্য Hijab Concept ই পারে নারীর নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষা করতে। প্রতিটি ধরমের নারীরই তাদের নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় চলমান নগ্ন পরিবেশ ও এর সৃষ্টির বিরুদ্ধে আন্দোলন করা উচিত। যা পৃথিবীর বিলিয়ন বিলিয়ন ড়লার অপব্যয় যেমন হ্রাস করবে তেমনি সমাজের সকলেই সুষ্ট সুন্দর healthful পরিবেশ পাবে।শয়তানের হাত থেকে আমরা সুরক্ষিত থাকব।তাই বলি This awareness of Female can built fresh and healthy World, if they want they can give us.সেখানেই নারীদের আসল প্রগতি ও নিরাপত্তা নিহিত বলে আমি দৃঢভাবে বিশ্বাস করি। দুজন নোবেল বিজয়নীর পোষাক সকল নারীদের smartness এর মডেল হওয়া উচিত। একজন হলেন মহিয়সী নারী মাদার তেরেসা অন্যজন হলেন অল্প বয়সে(৩৪) ইয়েমেনের মানববধিকার করমী তাওয়াক্কুল কারমান কত সুন্দর dress পরিধান করে নারী হিসাবে বিশ্ব জয় করেছে। এ বিষয়ে প্রিয় তাওয়াক্কুল কারমানকে তার বোরকা পরিহিত dress এর বিষয়ে সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তার জবাব ছিল-“ পুরাতন যুগে মানুষ একসময় কাপড় পরিধান করত না, লতা পাতা দিয়ে লজ্জাস্হান ঢেকে রাখত যখন মানুষ আস্তে আস্তে সভ্য হয়ে কাপড় আবিস্কার করল তখন থেকে মানুষ কাপড় পরিধান করতে শিখল এখন আমি শংকিত যে, আমরা যেভাবে পরিধেয় কাপড় ছোট করতে শুরু করেছি না জানি আবার পুরাতন যুগের সেই মানুষের মত হয়ে না যায়”- কি চমৎকার জবাব! কোথায় সমস্যা তারাতঃ সব কাজই করছে? তাই আসুন সমাজ,আপনার ছেলেমেয়ে,সাস্হ্যকর পরিবেশ,অপব্যয় রোধ,রোগব্যাধি থেকে সুরক্ষা সরবোপরী নারী বা মা জাতির মূল্যবোধ রক্ষায় নগ্ন পোষাক পরিধান না করি, শালীনতা বজায় রাখার চেষ্টা করি, নগ্নতা প্রকাশ পায় যে সে রকম বিজ্ঞাপন বা কজে রাজী না হই, একে অন্যকে শালীন পোষাকের কথা বলি নগ্ন ড়িজাইনারদের ধীক্কার দিই এবং সকলের জন্য বাসযোগ্য সুন্দর ধরনী গড়ে তুলি। এই প্রতিজ্ঞা লব্ধ কাজে পরকালেও পুরস্কার অবধারিত। আর দেরী নয়, আসুন সুন্দর পৃথিবী গড়ার শপথ নিই।।

গাজী ইলিয়াছ
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×