পূরবঅ নিরধারিত fixed লাভের হারই হল বিনিয়োগের উপর সুদ যা মহাগ্রন্হ আল-কোরান এ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।মহাগ্রন্হের এ বাণীকে আমি মহাতত্ত্ব হিসাবে মানি এ বিষয়ে গবেষনার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। তবে যারা আজ সুদের তত্ত্বকে নোবেল পুরস্কার দিয়েছেন যারা সুদের ব্যবসাকে প্রমোট করার জন্য পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাদেরকে বলব গবেষনা করতে এবং পাশাপাশি গবেষনা করুন পাবলিক লি কোং র তত্ত্বকে। বিশ্ব কিভাবে এগিয়েছে? সুদের মাধ্যমে নাকি পাবলিক লিঃ কোং র মাধ্যমে? আমি মনে করি, পাবলিক লিঃ তত্ত্বের আবিস্কারক শিল্প উন্নয়নের পেনিসিলিন আবিস্কার করেছিলেন।যে কারনে এত শিল্প এবং এত কম দ্রব্যমূল্য এ তত্ত্ব ব্যবহার করে ব্যাপক উৎপাদন না হলে তা হত না। যা পেনিসিলিনের মত এখনও কাজ করছে।আছে মালিকানা, আছে লাভ লোকসান নেই fixed return or সুদ। শত নোবেল দিয়েও এর মূল্য শোধ করা যাবে বলে মনে করি না।যার কারনে সেবা ও দ্রব্যমূল্য আজ ন্যূনতম। প্রতিনিয়ত এর সুফল আমরা ভোগ করছি। আজ যে সকল দেশ শিল্পোন্নত সে সকল দেশে ব্যাপক পাবলিক লিঃ কোং বিদ্যমান, সুদ বিদ্যমান নহে। সে সকল দেশে এমনও ব্যাংক আছে যেখানে টাকা রাখলে সুদ দেয়ই না উল্টো service charge দিতে হয়। প্রশ্ন করি কেন? স্হায়ী উন্নতি কি সুদের মাধ্যমে হয়েছে নাকি পাবলিক লিঃ কোং র মাধ্যমে হয়েছে? ইউনুস স্যার জবাব দিবেন কি? যুক্তি উপস্হাপন করুন। অন্যদিকে যে দেশ যত বেশী অনুন্নত সেখানে সুদের হার তত বেশী এবং উ্ন্নত দেশ গুলোতে ঠিক তার বিপরীত।
কেন? মানুষ অন্ধের মত মহাগ্রন্হের বাণী গ্রহন করে বাস্তবতা খুজে পাই বলে। আর আপনারা টেনে নিয়ে যাচ্ছেন ভুলপথে যে পথে সকলের উন্নয়ন সমভাবে হয় না।উন্নয়ন করছেন গুঠিকয়েক পূজিপতিদের এবং তাদের প্রতিষ্টানের! ব্যবস্হাপনা বিষয়ে লেখাপড়া করে ১৯ বছর দেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়াত্ত মারচেন্ট ব্যাংকে চাকুরী করার সুবাদে পাবলিক লিঃ কোম্পানীর ভূমিকা সম্পরকে ধারনা হয়েছে। ইহাছাড়াও, বলতে শুনি কোন দেশ শিল্পে উন্নত কিনা সে দেশের ষ্টক একচেন্জের চিত্র দেখলেই নাকি বুঝা যায়। আর ষ্টক একচেন্জ হল পাবলিক লিঃ কোং র শেয়ার হস্তান্তরের বাজার। আমিও তাদের সাথে শতভাগ একমত। আপনার বা আপনাদের সুদের তত্ত্ব আরও নিষ্টুর পৃথিবী সৃষ্টি করবে। তাই বলছি মহাগ্রন্হ বেশী বলে না, সামন্য ইশারাতেই মানুষের কল্যানের অনেক গভীর কিছু বুঝায়। তাই ইউনুস স্যারকে বলছি,গবেষনা করুন সত্য বের করুন মানুষকে ভুল পথে না নিয়ে সঠিক কল্যানের পথে নিয়ে যান। আজ থেকে সুদ তত্ত্বকে ঘৃনা করুন প্রাপ্ত নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে দেন মহাগ্রন্হ কোরানকে জানুন গবেষনা করুন তারপর তত্ত্ব দিন তাহলেই সঠিক হবে।ইহাতেই মানবের চীরস্হায়ী কল্যান নিহিত। আপনার তত্ত্ব ক্ষনস্হায়ী এবং বৈষম্য সৃ্ষ্টির জন্য পুরাপুরি দায়ী থাকবে একসময় মানুষের মধ্যে আপনাদের সৃষ্ট এ চরম বৈষম্যের জন্য গৃহযুদ্ধের সৃষ্টি করবে তখন হয়তঃ আপনি থাকবেন না। তাই বলছি ভুল স্বীকার আসল পথে আসুন।পৃথিবীর অন্যান্যরা কেন আপনাকে এত ভালবাসছে তা নীজে একবার নিরবে চিন্তা করুন। তারা কখনো আপনার বন্ধু হতে পারে না, সে বিষয়টি কোরান পড়লে বুঝতে পারবেন। তাই সবার আগে মহাগ্রন্হকে জানুন তারপর উন্নয়নের চিন্তা করবেন তাহলেই একমাত্র সঠিক হবে এবং মানুষের সত্য ভালবাসা পাবেন যা চিরস্হায়ী হবে এবং পরকালেও এর পুরস্কার অবধারিত।।
গাজী ইলিয়াছ, চট্রগ্রাম।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



