শিশুদের ড্যান্ডি মাদকের প্রতি জিরো টলারেন্স নেই কেন?
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




ভোর বেলার সাইক্লিং আর পথে থাকা শিশু কিশোরদের দেখা। এক কম্বলের নীচে ছিল চার জন শিশু কিশোর আর মশা ছিল মনেহয় হাজারের উপর। সামান্যতম আরমও যদি তারা পায় সে লক্ষ্যে এ কম্বল প্রদান। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন তারা এভাবে থাকবে? তাদের দেখবার দায়িত্ব কার? সমাজ কল্যান ও শিশু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয় কি? আমি মনেকরি পথে ঘাটে এ রকম শিশু কিশোর থাকলে তাদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে মাবাবার কাছে পাঠানো উচিত এবং মাবাবাকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা উচিত। তবে আমি দেখেছি এদের মধ্যে ৮০% শিশু এতিম অসহায় তাদের মা থাকলে বাবা নেই, বাবা থাকলে মা নেই ৩০% শিশুর উভয়ই নেই। এ সকল শিশুদের কোন দোষ আছে বলে মনেকরি না। দোষ সরকারের দোষ সক্ষম জনগোষ্ঠীর! কেন তারা খেয়ে না খেয়ে পথেঘাটে থাকবে? ভয়ানক কথা হল পথে থাকা এ সকল শিশু কিশোরদের ৯০% ড্যান্ডি মাদকের আসক্তিতে জড়িয়ে গেছে। তারা এ মাদক নেয় প্রকাশ্যে।



সরকারের জিরো টলারেন্স এ মাদকের বেলায় নেই কেন বুঝতে পারছি না? এ সকল অবহেলিত এতিম শিশুদের পিছনে সরকারি বিনিয়োগ বা ব্যাক্তিগত বিনিয়োগ বড় ছোঁয়াবেরও বটে। ধর্ম কি তা বলেনি? এতিম অসহায় শিশুর মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করলেও নাকি ছোঁয়াব। সে অনুভুতি বা সে ধর্মীয় নির্দেশনার লালন পালন কই? আমি ব্যাক্তিগতভাবে তাদের সাথে এত সময় কাটানোর একটি মাত্র কারণ তা হলো তাদের ক্ষুধার জ্বালা, নিরব অসুস্থতার যন্ত্রনা, অসহায় পিড়ীত মন ছোট করে থাকা আমাকে পাগল করেছে। আমার কাছে মানবতার এ সকল হৃদয়ের শান্তনায় মহানকে সরাসরি পাওয়া যায় বলে মনেহয়।আমি এ বিষয়ে অনেক গবেষণায় দৃঢভাবে পেয়েছি তা হল অসহায় এ হৃদয় এবং মহান আল্লাহর এ প্রকৃতি সরাসরি সম্পর্কিত অর্থাৎ একই রক্তের! দয়াপূর্বক।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।
কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু...
...বাকিটুকু পড়ুন
সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১
লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....
লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
মুনতাসির, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫০
প্রথম আলোতে মুনির হাসানের ‘পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন’ লেখাটি পড়লাম। পাকিস্তানে Google-এর নিজস্ব অফিস চালু হওয়াকে সামনে রেখে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একসময় খুব বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান...
...বাকিটুকু পড়ুন