চরম লংঘিত মানবতার এ গনতন্ত্র পৃথিবীকে অশান্তই রাখবে!
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মিশুন কষ্টের সাথে। জানুন কষ্ট কে! কষ্ট নিবারন যেন প্রজ্বলিত এক বাতি। জীবনের শেষ সামর্থ্যটুকুও যেন মানুষের কষ্ট নিবারণের জন্য হয়। মানুষ যদি বুঝত প্রাণীর কষ্ট নিবারন যে কত আনন্দের তাহলে তাঁরা কখনো সম্পদ জমিয়ে রাখতো না! কখনো অপব্যয়ী হতো না! আমাদের বড় ভুল হলো আমরা কষ্টের কাছে যায় না কষ্টের সাথে মাখামাখি করি না। প্রান ও আবেগ মহানের এমন সৃষ্টি তা আকৃষ্ট হবেই।


আমাদেরই অনাথ বোনেরা সকলের সামনে পথে বসে ড্যান্ডি মাদক নিচ্ছিল। আমরা সকলেই দেখছি তুচ্ছ করি ঘৃণা করি! একবারও জানতে চাই না কেন তাদের এ জীবন! জিজ্ঞেস করি না তাদের মা কই বাবা কই ঘর কই? শুধু নীজে ভালো সে চিন্তা করেই চলি। বন্ধু গন বড়ই ভুল করছি। অনুরোধ করব কাছে যান, মিশুন, জানুন তাদের কষ্ট, অনুভব করুন তারপর বলবেন আপনার মন কি বলে? কি আকুতি আপনার হয়? অসাধারণ এক ফিলিংস আপনাকে পেয়ে বসবে! সত্যি অপূর্ব! অসাধারণ! আপনাকে আমাকে এ আবেগ দিয়েই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। অাজ আমরা ব্যার্থ! পারিনি এ মহা সুন্দর পৃথিবীর সত্য প্রকৃতিকে ধরতে। এ একটি কারনেই আজ পৃথিবী সমস্যা সংকুলের মধ্যে চলছে। আমাদের ভুলের কারনেই আমরা খেসারত দিচ্ছি প্রতিনিয়ত! বানিয়ে চলছি প্রাণী হত্যার মরণাস্ত্র! ধরতে পারছিনা স্রষ্টার সৃষ্টির রহস্য! বড় প্রেম দিয়ে তিনি এ পৃথিবী ও প্রাণীকে সৃষ্টি করেছেন। প্রানী তথা মানুষের সে প্রেম আজ শয়তানের খপ্পরে! বড়ই আফসোসের! আজকের গনতন্ত্র সম্পদ বানানোর কাজই করছে কখনো তা মানবতা আর সত্য আবেগকে লালন করছে না। তাই পৃথিবী ব্যাপী গনতান্ত্রিক দেশেও আজ এত সংর্ঘষ। আজ গনতন্ত্রকেও অস্ত্র বানিয়ে চলতে হয়। ঘৃনা করি বিশ্বব্যাপী চলমান এ গনতন্ত্রকে যে মানবতাকে লংঘন করে হিংস্র হয়ে সম্পদকে লালন করছে। এ গনতন্ত্রকে কখনো দেখছি না, সত্যভাবে মানবতাকে লালন করতে? দুঃখজনক! গনতন্ত্র তুমি শুদ্ধ হও নাহলে তুমিও যন্ত্রনাক্লিষ্ট হয়ে ধ্বংসের দিকেই ধাবিত হবে। তোমার অস্ত্র তোমাকে পারবে না ঠেকিয়ে রাখতে। এটাই ফর্মুলা এটাই নিয়ম। তোমার মানুষ তোমাকেই গুলি করবে। সর্বোপরি কমে যাবে এ পৃথিবীর আয়ুস্কাল! ধ্বংস হবে এ পৃথিবী! মানবতাকে অবজ্ঞা করে এহেন গণতন্ত্র দিয়ে চললে যা আমাদের খুব নিকটেই !
দয়াপূর্বক!
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪
I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে...
...বাকিটুকু পড়ুন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী...
...বাকিটুকু পড়ুন
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে।...
...বাকিটুকু পড়ুন
আজ সকালে ল্যাপটপ খুলেই উপরের চিত্রটা দেখলাম। দেখে মনটা প্রথমে একটু খারাপই হয়ে গেল! প্রায় একুশ বছর ধরে লক্ষাধিক ব্লগারের নানারকমের বৈচিত্রপূর্ণ লেখায় ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সমৃদ্ধ আমাদের সবার...
...বাকিটুকু পড়ুন