দোয়া কবুল, মানবতা ও মহান আল্লাহ্!
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানুষের বা এতিম অসহায় শিশুদের মানবেতর করুন জীবনের পাশে আপনার আমার দোয়া কতটুকু কবুল করবেন তা একমাত্র মহান আল্লাহ তিনিই ভালো জানেন! আমি দোয়া কবুলের জন্য মানবিক তাবলীগকেই আসল এবাদতের শীর্ষতম ধাপ মনেকরি। আমার বাস্তবিক গবেষণায় মানবিক তাবলীগে আমি মহান আল্লাহ ,প্রকৃতি ও প্রাপ্তির মধ্যে দারুণ এক যোগসূত্রের খোঁজ পেয়েছি। ধর্মকে আমি মানবতার মধ্যে যেভাবে পেয়েছি এবাদতে তুলনামূলক কমই পেয়েছি। আমার কাছে মনেহয় আমরা বাস্তবতা দারুণ বুঝার পরও তা এড়িয়ে চলছি প্রতিনিয়ত। আমি মাননীয় হুজুরগনের নিকট বিনয়ের সহিত প্রশ্নরাখি কোন সক্ষম লোকদের দোয়া বা এবাদত কি কবুল হবেন যদি তিনি তাঁর পাশের মানবিক করুন অবস্থাকে এড়িয়ে শুধু এবাদতেই নিবিষ্ট হন? আমি মানবতা, প্রকৃতির আচরণ ও আমার প্রাপ্তিকে গবেষণা করে যা দারুণভাবে ধরতে পেরেছি তা হলো মানবিক সাহায্য করে কবুলের প্রাপ্তিকে যেভাবে অনুভব করা যায় আর এবাদতে কবুলের প্রাপ্তিকে সেভাবে ধরতে পারিনি বা অনুভব করতে পারিনি। ধর্ম ও মানুষের মনুষ্যত্ব এবং মানবতা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে যিনি আবিষ্কার করেছিলেন বা বলেছিলেন "মানবতায় পরম ধর্ম" তিনিই আমার নিকট সেরা মনেহয়। আজ আমরা ধর্মীয় তাবলীগের দিকে যে আগ্রহ মনে ধাবিত মানবিক তাবলীগের দিকে আমরা সেভাবে ধাবিত নয়। ধর্মীয় তাবলীগ মন সৃষ্টির প্রয়োজন মনেকরি সে মন আমাদের সেরকম সৃষ্টি হচ্ছে না কেন তা আজ প্রশ্নরাখি? কিন্তু মনাবিক তাবলীগে মনের সাথে সম্পদ বা অর্থ ব্যয়েরও প্রশ্ন আসে। আজ আমরা সম্পদ ব্যয় করতে হবে বলে মানবিক তাবলীগকে বাদ দিয়ে ধর্মীয় তাবলীগকে নিয়েই ব্যাস্ত থাকতেই আমরা বেশি খুশী বা সাচ্ছন্দ্য বোধ কি করছি না? অর্থাৎ আমরা মানবিক করুন পরিস্থিতি বুঝার পরও অর্থ ব্যায় করতে হবে বলে তা কি এড়িয়ে চলছি না? আমাদের আজ ভাবতে হবে আমাদের মনে মানবিক হেল্প করার মত উদ্দীপনা সৃষ্টি হচ্ছে না কেন?

সে গবেষণা আজ করা উচিত। আমি আমার গবেষণায় যা দেখেছি বা বুঝেছি তা হলো আমরা মানুষের কষ্টের নিকট প্রত্যক্ষভাবে যায় না বা মাখামাখি করি না বলেই এ অবস্থা। আমরা সক্ষমরা শুধু সক্ষমদের গন্ডিতেই ঘুরেফিরে চলছি। ধর্ম বললেও পাশাপাশি গরীব অসহায়ের খবর সে রকম রাখি না। আমাদের কোন ধর্মীয় বিজ্ঞ ব্যাক্তিদেরও দেখিনা মানুষের কষ্টের পাশে সেভাবে দাঁড়াতে। উনাদের প্ররোচনা ও শিক্ষায় আজ আমরাও বেশি চলছি আনুষ্ঠানিক এবাদতের দিকে মানবিক এবাদতে সে রকম নয় বা নেই বললে চলে। সমাজের এ গতিধারায় আশানুরূপ যৌক্তিক সংস্কার করতে না পারলে সমাজে সত্য শান্তি কখনো প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমি মনেকরি না আর এ প্রকৃতিও আপনার কখনো বন্ধু হবে না এবং এবাদতের দোয়া কবুল হয়েছে কিনা সেটা ও অনুভব করতে পারবেন না। আপনি যদি ধর্মীয় এবাদতের তাড়নার মত মানবিক এবাদতের তাড়না অনুভব না করেন তাহলে কবুলের বিষয়টা ধরতে কখনো সক্ষম হবেন না। মানবিক তাবলীগের ফল দারুণ অনুভব করা যায় ধরতে পেরেছি কিন্তু ধর্মীয় তাবলীগের এবাদতের ফলকে এখনো সেভাবে পাইনি বা ধরতে পারিনি। অন্যদিকে এটাও মনে রাখতে হবে সব মানুষ যেমন এক এবং ঠিক তেমনিভাবেও মানবতার ধর্মও এক। এখানে কোন রকম ভিন্নতা নেই।
তাই বলছি ধর্মীয় তাবলীগের পাশাপাশি মানবিক তাবলীগও করি তা নাহলে আপনার দোয়া কবুল কে কখনো ধরতে পারবেন না।
দয়াপূর্বক!
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।
কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু...
...বাকিটুকু পড়ুন
সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১
লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....
লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
মুনতাসির, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫০
প্রথম আলোতে মুনির হাসানের ‘পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন’ লেখাটি পড়লাম। পাকিস্তানে Google-এর নিজস্ব অফিস চালু হওয়াকে সামনে রেখে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একসময় খুব বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান...
...বাকিটুকু পড়ুন