মুসলিম জাতির সম্মান/অধিকার/সম্পদ নষ্ট করে যারা, তাদের আরেক নাম জাতিসংঘ! এরা মূলত মুসলিম জাতি নিধনসহ তাদের ঘরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে ভুমি দখল করতে পুরো বিশ্বকে উৎসাহিত করার কাজটুকুই স্বপ্রণোদিত হয়েই করে থাকে! অথচো ইরান, উত্তর কোরিয়া, ফিলিস্তিন তো কারো উপর জুলুম করছে না কিন্তু জাতিসংঘসহ সর্বস্তরের প্রভাবশালী দেশগুলো এক হয়ে অবরোধ, নিষেধাজ্ঞার মতো অমানবিক কাজগুলো করে যাচ্ছে নিয়মিত!
ভাবতে অবাক লাগে, তারা আবার মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে! আজকে ইরাক, লিবিয়িা, সিরিয়া, ইয়েমেন সহ প্রায় মুসলিম দেশগুলোকে তারা জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছে, শুধুে ঐসব দেশের সরকার তার দেশের নাগরিকদের অধিকার হরণ করছে তার সুতো দেখিয়ে। যাকে এক কথায় বলা হয় মানবাধিকার লঙ্গন!
এখানে মুসলিম বিশ্ব কি করছে!? ওআইসির কাজ কি!? কেনো হাজার হাজার মুসলিম নিধনে বিশ্ব প্রতিনিধিদের কারো মুখে কোনো সামান্য নিন্ধার প্রকাশ পর্যন্ত নাই!? কেনো ঐসকল প্রভাবশালী দেশে এই বর্বর দেশের সরকারের দূতদেরকে তলব করা হয় না!? কেনো বর্বর দেশের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল করা হয় না!? তাহলে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো মানবাধিকার বলতে কি বুঝায়!? আজকের দিনে আমরা মনে করি, বিশ্ব বিবেক শুধু মুসলিম ছাড়া বাকীদের জন্যিই সংরক্ষিত করা হয়েছে! এবং তাতে সহযোগিতা এবং অনুদান যোগানের দায়িত্ব পালন করছে আজকের এই জাতিসংঘ!
যে ইজরাইলের এই বিশ্বের বুকে কোনো যায়গা ছিলো না সে ইহুদিবাদী ইজরাইল আজ একটি মুসলিম দেশকে পিষ্ট করে তাদের দুনিয়া বানিয়ে নিয়েছে! এবং গর্ব করে বলছে এটা তাদের দেশ! প্রশ্ন জাগে, এখানে কি করছে জাতি সংঘ!? ওদের কাজটা কি!? অথচো সামান্য মরণঘাতী অস্ত্রের দোহায় দিয়ে মুসলিম অধ্যূষিত ইরাকের মানুষের উপর কি অমানবিক অত্যাচার করলো এই জাতি সংঘসহ প্রভাবশালী দেশগুলো! তারপর একেরপর এক লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ প্রায় মুসলিম দেশগুলোতে এক অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে এই জাতি সংঘ! ওরা মূলত মুসলিম ছাড়া আর বাকী ধর্মালম্বীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
আমরা মুসলিম হিসেবে প্রশ্ন করছি-মুসলিমদের জন্য আলাদা করে প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রতিষ্ঠান ওআইসি কি করছে!? কেনো তাদের জম্ম হয়েছে!? কি উদ্দেশ্যে নিয়ে তারা বিশ্বে আত্মপ্রকাশ করলো!? কেনো বর্বর জাতিদের মাধ্যমে মুসলিম দেশেগুলো হরদম আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হবে!? এবং এব্যাপারে কোনো প্রভাবশালী দেশের সরকাররেরা টু-শব্দটিও করবে না!? আর যখন মালোয়েশিয়ার সরকার বিক্ষোভ করার কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করলো তখন বর্বর জাতির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করা হলো! তাহলে এই জাতি সংঘ দিয়ে কোন জাতির উন্নয়ন তরান্বিত করা হচ্ছে!?
খুব রাগ নিয়ে বলছি, সকল মুসলিম দেশগুলোর উচিত; জাতিসংঘ নামক সংগঠন থেকে একযোগে বেরিয়ে আসা। এবং নিজেদের জন্য আলাদা একটি সংগঠন তৈরি করে, তার কার্যক্রম তরান্বিত করা। যার মাধ্যমে পুরো বিশ্ব একটি ব্যালেসিং পর্যায়ে থাকতে পারবে। কেউ কারো উপর অহেতুক এমনকি কোনো দেশের সরকার তার দেশের নাগরিকদের উপর কামান দাগানোর সুযোগ পাবে না। যার মাধ্যমে পুরো পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে মানবাধিকার নামে মৌলিক শব্দটি।
আরো পড়তে চাইলে ক্লিক করুন : রহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মালোয়েশিয়াকে হুমকি দিলো মায়ানমার
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




