৭::১৭২-আর যখন তোমার পালনকর্তা বনী আদমের পৃষ্টদেশ থেকে বের করলেন তাদের সন্তানদেরকে এবং নিজের উপর তাদেরকে প্রতিজ্ঞা করালেন, আমি কি তোমাদের পালনকর্তা নই ? তারা বলল, অবশ্যই, আমরা অঙ্গীকার করছি। আবার না কেয়ামতের দিন বলতে শুরু কর যে, এ বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না।
তফসীর-পালনকর্তা কেয়ামত পযর্ন্ত যত মানুষ সৃষ্টি করবেন তাদের রূহ একসাথে সৃষ্টি করে আলমে আররূহ-তে কোন বেহেস্তী গাছে লটকিয়ে রেখেছেন। একসাথে সব রূহগুলিকে আল্লাহ তাদের পালনকর্তা কি না তা জানতে জিজ্ঞাসা করলেন।উত্তরে সবাই স্বীকার করে মেনে নিল।আমরা কি তা জানি? মা যেমন ছোট শিশুকে ভূলে যাওয়ে কোন ঘটনার প্রমান দিলে মেনে নেয় তেমনই কোরআনে তা প্রমান মেলে।আমরা কি মেনে নিলাম?
১৩::২৫-আর যারা আল্লাহর সাথে দৃঢ় অঙ্গিকার করার পর তা ভঙ্গ করে এবং যে সম্পর্ক বজায় রাখতে আল্লাহ আদেশ করেন তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদেরই জন্য রয়েছে লা’নত এবং তাদেরই জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট পরিণাম ।
তফসীর-কোন অবস্হাতেই আল্লাহর সাথে দৃঢ় অঙ্গিকার করার পর তা ভঙ্গ করা যাবেনা। এখানে অশান্তির জীবন ও ওখানে জাহান্নাম।নির্ভুল কি?
৫১::৫৬-জ্বীন ও মানব জাতিকে আমি কেবল আমার এবাদতের জন্যই সৃষ্টি করিয়াছি ।(আমি সৃষ্টি করেছি জ্বিন ও ইনসানকে কেবলমাত্র এজন্য যে, যেন তারা আমারই ইবাদত করে।)
তফসীর-আমাদরকে সব বাদ দিয়ে কেবল ইবাদত করতে হবে।এতে মাহিনা, সকল ভাতাদি তিনিই দিবেন।মানা যাবে ১০০%?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




