জাতীয় সংস্কৃতি বলুন আর ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বলুন বা অনুশাসন বলুন-সবই কি এক সুত্রে বাধা যায় না? যদি বলি, মানব সেবা করার মধ্যেই বীজটা লুকিয়ে রয়েছে। একটু ঘুরিয়ে বল্লে অন্যের সুখটা একটু বেশী দরকার বা নিজের সমান মনে করলেও তা হতে পারে। হউক নিজের সন্তান, পরিবার, প্রতিবেশী, স্বগোত্রীয় বা যে কেউ। ইসলাম কি বলে না, ইসলামের মুলমন্ত্র হল মানব সেবা? মানব সেবা কি এ দুনিয়ার মুল্যবান সম্পদ হতে পারে না? ঈমান না থাকলে আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া যাবে না, ইসলামের বিধান, সত্যি। আমরা ইসলামের এ সত্য মেনে নিতে কি পারিনা, কেয়ামতের আগে সারা দুনিয়া মুসলমান হয়ে যাবে। আসুন না একটু আগেই আমরা শুরু করে দেই। যদি একটু নিজের বেশীটা না চাই বা চাওয়াটা কমাতে পারি তবেই মনে হয় হয়ে যেতে পারে। অন্য ধর্মের লোকেরা মনে হয় অন্যের দিকে হিংসার দৃষ্টিতে বেশী তাকায় না বা নাক গলায় না। সারা দুনিয়াটা শুধু যেন ইসলাম বা মুসলমান বিদ্বেষী হয়ে আছে, মানবতা বিরুধী নয় কিন্ত্র। হ্যা। বলুন তো কি করা যায়? কিভাবে মানব সেবার মধ্য দিয়ে বাকী ইসলামিক মুল্যবোধ জাগরিত করা যায়? গনতন্ত্রের লুকোচুরি বা অনিহা বা অবমুল্যায়ন, সাধারন শিক্ষালয়ের চরম অনুপলব্দি, ইসলামিক শিক্ষালয়ে্ অতি মৌলবাদীতায় (পরিনতিতে সন্ত্রাসী ভাবধারায় রুপান্তরিত রোগ বহনকারী মানসিকতা) যেন মানবতাটি মারা যাচ্ছে। দৃষ্টিভঙ্গীটার 'তাবলীগ' করা যেতে পারে মনে হয়। এক বা দুই জেনারেশন পুর্বেও 'শিশুকালে' নামাজ ও কোরআন শিক্ষা নিজ ঘরেই শুরু হত। আজকাল এর বড় অভাব পরিলক্ষিত মনে হচ্চে। (মান+হুস)=মানুষ হবার জন্য সঠিক সময় ও সঠিক স্হান বলে চরমভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।আসুন না, হাটি হাটি পা পা করে এগুতে চেষ্টা করি। জয় হোক মানবতার।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




