
বেশি কথা বা ক্যাচাল কইরা কোন লাভ নাই মুসলমানদের বৎসরে এই একটা উৎসব যে উৎসবের উপলক্ষে দেশের ও দেশের বাহিরের সকল ধনী গরীবেরা একত্রী হয়ে একদিনের জন্য হলেও গোশত খেতে পারেন ।
দেখেন প্রতিদিন আমাগো দেশে দৈনিক কত হাঁস, মুরগী, গরু, ছাগল, জবাই হচ্ছে আর সেগুলোর গোশত প্রতিদিন মানুষ কিনে খাচ্ছে, বাসা বাড়ি ছাড়াও কত উৎসব অনুষ্ঠানে আমরা সেসব গোশত খাচ্ছি।সেসব জায়গায় আমাদের কোন মাতবরি নাই অথচ এই একটা ধর্মীয় অনুষ্টানে যেখানে বড়লোকের সাথে অনেক গরীব মানুষও খাচ্ছে। বিশেষ করে যাদের কিনে খাওয়ার সামর্থ নাই তারা এই ঈদের সময়
দুই একবেলা গোশত দিয়ে ভাত খেতে পারে।অথচ আমরা বিবেকবান মানুষ হয়ে সেসব গরীবের মুখের আহার কেড়ে নিচ্ছি !
এটা কেমন বিবেক আমাদের ? যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে গরু গোশত খেতে নিষেধ করছেন;খোঁজ করলে দেখা যাবে আজকে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত সহ অন্যান্য দেশে বড় বড় চামড়ার জুতার কারখানা বা প্রতিষ্ঠান তাদেরিই।আরে ভাই আগে ওসব চামড়ার জুতা কারখানা
সহ অন্যান্য চামড়ার সামগ্রী কারখানা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করুন তার পর না হয় গরু জবাই বন্ধ করার কথা ভাববেন ।

ভাই ভুলে গেলে চলবে না বাজারে যেয়ে কিন্তু আগে এক নম্বার চামড়ার জুতা খুঁজেন । আরে মিয়া ভাই বা দাদারা গরুর দুধ খেলেই যে
গোশত খাওয়া যাবে না এটা কোন কথা না ।মা-তো মাই মায়ের সাথে পশুর তুলনা করে মা-কে যে পশু বা ছোট করে ফেলছেন সেটা কি
একবারো লক্ষ্য করে দেখছন ?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




