চরম নৈতিক অবক্ষয়ে নিপতিত দেশ। বিশেষ করে যুবসমাজের নৈতিকতা ধ্বংসের বিভিন্ন আয়োজন আমাদের শঙ্কিত করে তুলেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সন্ত্রাসের একক রাজত্ব কায়েম করেছে একশ্রেণীর ছাত্র নামধারী উচ্ছৃঙ্খল যুবকেরা। অযুত সম্ভাবনার বাংলাদেশকে নতুন করে পরিচয় সঙ্কটে ফেলে দিতে যেন তারা উঠেপড়ে লেগেছে। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- কোন্ পথে বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি? তাদের গন্তব্যই বা কোথায়? দেশটা কি কোনো অশুভ শক্তির কুনজরে পড়েছে? এ থেকে পরিত্রাণের উপায়ই বা কী? অথচ এই ছাত্রসমাজই বাংলাদেশকে নতুন পরিচয় এনে দিয়েছিল। তারুণ্যের শক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য হয়েছিল মরচে ধরা জীর্ণতাগুলো। শিক্ষার পবিত্র পরিবেশ যাদের দ্বারা আজ কলঙ্কিত, তাদেরকে অতি সত্ত্বর সঠিক পথে পরিচালিত করতে না পারলে জাতির পশ্চাদপদতা অপরিহার্য। যা সচেতন মানুষ হিসেবে কারোরই কাম্য হতে পারে না।
দেশে অপরাধ প্রবণতা দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। এমন পরিস্থিতি সভ্য সমাজের জন্য অত্যন্ত গ্লানিকর। তবে সব কিছুকে ছাড়িয়ে ধূমপান, মাদক, ইভটিজিং ও অশ্লীলতা এখন জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলো আজ সামাজিক ব্যাধি। ২০১০ সালে জুন মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র ইভটিজিংয়ের কারণে প্রায় অর্ধশতাধিক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। মাদকের সয়লাবে ভাসছে গোটা দেশ, বেড়েছে পারিবারিক কলহ। এসব থেকে প্রতিকার পেতে হলে ভালো মানুষ তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে ছাত্রসমাজের নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


