somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমি সম্মানের পাত্র নই
চারদিকে নদী বেষ্টিত বৃত্তাকৃতির দ্বীপের মত, চির সবুজের সমারোহ বিকেল বেলায় পশ্চিমা আকাশে রুদ্রের লুকোচুরি খেলা এক অজপাড়া গাঁয়ের নাম নিজ ছেংগার চর।জনম দুঃখিনী মায়ের অন্ধেরযষ্টি এলএলবি সমাপ্ত করে সম্মান জনক পদে অধিষ্টিত থাকায় নিরন্তর সংগ্রাম অব্যাহত।।

"যুইখাজা"বাংলাদেশের অগ্রগতির অন্তরায়।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"যুইখাজা"বাংলাদেশের অগ্রগতির অন্তরায়


গত কয়েক দিন যাবৎ ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া,অন লাইন মিডিয়া,প্রিন্ট মিডিয়া,টেলিভিশন টকশো, হাটে-ঘাটে -মাঠে, চায়ের দোকানে সর্বত্র কেবল আলোচনা অনিরাপত্তা,উদ্বেগ,উৎকন্ঠার দেশ বাংলাদেশ।
ফ্রান্স,সুইডেন,ইতালী,জাপানসহ কিছু দেশ ব্যতীত বিশ্ব মোড়ল খ্যত যুক্তরাষ্ট্র ও তার দোসরদের মনে ভয় আর ভয়। কিছুতেই তাদের সেই ভয় যেন কাটছেনা। অবিরাম শঙ্কা বা হুমকির কথা শোনতে শোনতে কান জ্বালাপালা হয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে বার্নিকাট বলেছেন, আমরা সরকারের আইন শৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে সন্তুষ্ট তবে শঙ্কা মুক্ত নই। নতুন করে কোরিয়ার সর্তকতার খবরে এবং যুক্ত রাষ্ট্রের পুনঃসতর্কতার নির্দেশ জারি করনে দেহের ইন্দ্রীয়গুলো কেমন যেন নির্জীব নিথর অবষন্ন হয়ে পড়ছে।বোবা যন্ত্রনা মনের গভীরে ক্ষত-বিক্ষত করছে হৃদয়টাকে। অশান্ত মন বলতে লাগল সত্যি কি রেড এলার্ট জারি করার মত পরিবেশ বাংলাদেশে বিদ্যমান?মন উত্তর দিচ্ছে না।তাহলে "যুইখাজা" খ্যাত বিশ্ব যড়যন্ত্রকারীরা এত উদ্বিঘ্ন বা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন কেন?হ্যা ভয় তো পাবারই কথা কারন অপরাধী চিরকালই ভীরু।একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে মনের অঙ্গিনায় ভেসে উঠে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়
নিক্সন, কিসিঞ্জারের অপতৎপরতার কথা।সপ্তম নৌবহরের কথা।আজকের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত আখ্যা দিয়ে গোলা পানিতে মাছ শিকার করার অপকৌশলের কথা।একদিকে বাংলার প্রসংশা অপর দিকে ষড়যন্ত্রের জ্বাল বিস্তারে নিরন্তর চেষ্টা করা।

সম্প্রতি দু'জন বিদেশী হত্যার পর বাংলাদেশ সরকার বিদেশীদের নির্বিঘ্নে বসবাসের জন্য সর্বোচ্চ নিছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার করার পরও যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশকে নিরাপদ জনপদের দেশ মনে করতে পারছেন না।বাংলাদেশ পুলিশের মহা পরিদর্শক বলেছেন সুনির্দিষ্ট হুমকি থাকলে বলুন, ব্যবস্থা নিব।তাতেও শঙ্কামুক্ত বা আর্শ্বস্থ্য হতে পরছে না। স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন জাগে, আসল রহস্যটা কি? হ্যা প্রকৃত রহস্যের
অনুসন্ধানে আমার যা মনে হচ্ছে তা হলঃ #বাংলাদেশের অগ্রগতির চাকাকে পাঞ্চার করতে হবে#মেরুদন্ডহীন জাতি হিসাবে চিহ্নিহিত করতে হবে#কৃত্রিমভাবে বাংলাদেশকে আইএস রাষ্ট্র বানাতে হবে#আফগানিস্থান ও বর্তমান মিশরে ভাগ্যভরন করতে হবে#সর্বপরি বাংলাদেশটাকে পাকিস্থান আদলে বাংলাস্থান বানাতে হবে।
একটা উদাহরনের মাধ্যমেই তা আরো স্পষ্ট করার চেষ্টা করছি।
এক বেবিচারী রাজা জনযুদ্ধে যখন পরাস্ত হল, পুনঃমসনদ লাভের অপচেষ্টায় নিজ ছেলেকেও অপরাধ আর সন্ত্রাস বাদে উৎসাহিত করল।ডানপিটে রাজপুত্র ক্রমশ নিরিহ মানুষের উপর চালাতে থাকে আত্যাচারের স্টিমরোলার। মুলত রাজপুত্রটি ছিল
সর্বদাই জুলুম, নিপিড়ন নির্যাতনের বর পুত্র। হররোজ অপরাধ জগতে জড়াতে জড়াতে হয়ে উঠলেন,অপরাজনীতির সন্ত্রাসী পিড়ামিড।একদিন অতিষ্ট মানুষগুলোর গন-রোষানলে পড়ে এমন গনধোলাই এর স্বীকার হল, রাজ পুত্র আর দাড়াতেও পারছেনা,কোন কথা বলতেও পারছেনা।রাজা দুঃচিন্তার সাগরে নিমজ্জিত অবস্থায় ভাবলেন,যাকে দিয়ে আল্পনা করেছিলাম স্বপ্নের কেওকাড়াঢং জয় করব, সে হয়ে গেল বাকরুদ্ধ।তাই দেশের নামী-দামী চিকিৎসকদের স্মরনাপন্ন হয়েও কথা বলাতে পারছিল না । তারপর ভারতের মাদ্রাজ নিয়ে গেল সেখানেও কোন প্রকার নিরাময় সম্ভব হল না।মনের ক্ষোভে দেশে ফিরে মনের আগুনে গোটা দেশেটাকে জ্বালাতে গিয়ে নিজেরাই জ্বলেপুড়ে ছাড়খার হল।উপায় অন্তর না দেখে রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গেল।সেখানে গিয়ে নতুন করে যড়যন্ত্রের ডালা-পালা গজাতে অপশক্তিধর রাজ্যের রাজাদের সাথে গোপন চুক্তির সফল বাস্তবায়নের জন্য গঠন করল "যুইখাজা" নামক দুষ্ট চক্রের সম্মন্নয়ক হালুয়া কমিটি। যুইখাজারা সূর্যগ্রহনের মত গ্রাস করতে চায় বাংলার উদিয়মান সূর্যটাকে।

সকল জল্পনা কল্পনার আবসান কল্পে ছোট একটা উদাহরন অবতারনা করছি।
ঢাকা শহরে একপ্রকার পকেট মার আছে,তারা ইচ্ছা করে পথচারীর পায়ে পা দিয়ে আঘাত করে উল্টা তাকেই ঠাসিয়ে সর্বস্ব কেড়ে নেয়। আজ বিশ্ব রাজনীতিতে ঐ যুইখাজারা বাংলার শান্ত পরিবেশটাকে অশান্ত করার, বিনিয়োগ বান্ধব দেশটাকে বিনিয়োগ শুন্য করা,লবিষ্ট নিয়োগ করে বিদেশী প্রভুদের সমর্থন আদায় করাসহ বহুমূখী হীন যড়যন্ত্রের নীল নক্সা সফল করতে চায়।


বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি দেখে
বিস্মিত। গোটা বিশ্বে যখন অর্থনৈতিক মন্দাভাব বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার
তখন প্রায় ৭.০০ তে উন্নীত।পশ্চিমা বিশ্ব এটা বরদাস্ত করতে পারছেনা। তাই ষড়যন্ত্রের ছক বাস্তবায়নের জন্য অব্যাহত প্রয়াস। হয়ত আরো কিছুদিন গেলে নিশ্চই স্থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
পাঠকের কাছে জানতে চাই,বিন লাদেনের উত্থান পতনের জন্য দায়ী কে?
ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা করে কেমন গনতন্ত্র প্রতিষ্টা
করেছে? অনুরুপ লিবিয়া, মিশরের আই এস, জামাতি ইসলাম, বাংলা ভাই কাদের সৃষ্টি? একটু চিন্তা করে দেখুন তারাই পাঠা মোটা-তাজা করে আবার তারাই পাঠা বলি দেয়।এ খেলা আর কতদিন চলবে?আশা করি বিশ্বের নিঘ্রিত মানুষ গুলোর ঐক্য বদ্ধ প্রচেষ্টা হতে পারে চলমান সমাধান যাত্রা। দেেশ দেশে এক পক্ষকে তারা গায়েল করছে অন্য পক্ষকে ক্ষমতার প্রলোভন দেখিয়ে যা ইচ্ছা তা করাচ্ছে। আমাদের দেশটাকে ধ্বংশ করার মহা পরিকল্পনাকারী দেশ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।তারা কখনোই আমাদের কল্যান চায় নাই আজ অকল্যানের জন্য গঠন করেছে "যুইখাজা" ঐক্য পরিষদ।

মাননীয় অর্থ মন্ত্রী তার বক্তব্যে পরিস্কার ভাবে তুলে ধরেছেন ষড়যন্ত্র
বাস্তবায়ন- --কারী গ্রামীন ব্যাংকের পদ হারানো, কর ফাকি দেয়া সুদী ব্যবসায়ী আমেরিকার এজেন্ট ডঃ ইউনুছের কুকৃর্তির কথা।তাদের রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশটাকে নিজ পায়ে দাড়াতে দেয়া যায় না।দাড়িয়ে গেলে খবরদারী করা যাবেনা।তাই গোপন চক্রান্তে মেতে উঠছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক গোষ্ঠি।
তাদের কার্যকলাপের উপর আমার প্রতীয়তান সমীক্ষা নিম্নে উপস্থাপন করলামঃ

আমি জ্ঞান গরিমায় অত বেশী সমৃদ্ধ নই,তবে ধারনা করা আমার একান্তই নিজস্ব
চেতনাবোধ। সে মতে তাদের গোপন রহস্য কুটনৈতিক কলা কৌশল গুলোর যথাযথ বিবরন দেয়াও অসম্ভব।তবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চিন্তার সমুষ্টিগত উপাদানের সমন্ময়ে তৈরি করেছি যড়যন্ত্রের কাচকলা তাদের চক্রান্তের নির্যাস দিয়ে তৈরি করার চেষ্টা করেছি কাচকলা নামক (যু-ই+খা-জা) যার পূর্নাঙ্গরুপ হচ্ছে
যেমনঃ
যু- যুক্তরাষ্ট্র,
ই- ইউনুস,
খা- খালেদা
জা- জামাত
"যুক্তরাষ্ট্রের সর্তকতা,ডঃইউনুছ ডুলায় মাথা,যড়যন্ত্রের ছক আকা,তাইত
বিএনপি-জামাতের নীরবতা"।

"লেখাটি পরিমার্জিত সংস্করন"
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এটাই কি সামুর প্রথম পোস্ট?

লিখেছেন অধীতি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩১


https://www.somewhereinblog.net/blog/deborah/9
২০১৩ সালের দিকে ঢাকায় আসি। তখন মাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করেছি। ঢাকায় এসে যেই বিষয়টা নেশার মত হয়ে যায় তা হলো বিভিন্ন জায়গায় কম্পিউটার চালানোর জায়গা ছিল। ডেমরা রানী মহল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার : খাল বাবা স্বয়ং

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮

আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার কমন প্রশ্ন ফাঁস করে দিলাম। পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার মহাপ্রতিভাবান খাম্বা/খাল বাবা। তিনি HSC ডিগ্রীধারী হলেও তার প্রতিভা আকাশচুম্বী। রবিঠাকুর বা নজরুলের সাথে তার কোন তুলনা হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডেভেলপমেন্টে করণীয় কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬



গত কয়েক বছর ধরে সামহোয়্যারইন ব্লগ সহ দেশের সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানলে রাজনৈতিক লেখা বেশি আসছে যা সকলের কাছে ভালো লাগার বিষয় না। রাজনীতি ভালো লাগবে শুধুমাত্র জেনজি’দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

×