হাসিব বিন শহিদ
2012-08-28
ঢাকা : কৈলাসটিলা তেলক্ষেত্রে আগামী জানুয়ারিতে কূপ খনন কাজ শুরু করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স)। একই বছরের আগস্টে এ ক্ষেত্র থেকে তেল উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুল হক।
ধারণা করা হচ্ছে, কৈলাসটিলা থেকে ৪৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করা যাবে। তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ২৬ বছর পর তেল উত্তোলনের এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলনের লক্ষ্যে জানুয়ারিতে কূপ খনন করে জুলাইয়ের মধ্যে তা শেষ করা যাবে বলে আশা করছি।
বৈঠকে কৈলাশটিলা নিয়ে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে বাপেক্স। পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২০ মে প্রথমবারের মতো দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি তেলক্ষেত্র পাওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেয় পেট্রোবাংলা। ইতোমধ্যে হরিপুর ক্ষেত্রে নতুন করে তেলের সম্ভাবনা পাওয়া গেলেও উৎপাদনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বাপেক্স পরিচালিত ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে এ দুটি তেলক্ষেত্রে নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়।
জানা যায়, কৈলাসটিলা ক্ষেত্রে ১২টি স্তরের মধ্যে সাতটি গ্যাস স্তর, চারটি তেল স্তর এবং একটি গ্যাস ও তেলের স্তর রয়েছে।
১৯৮৯ সালে কৈলাসটিলা ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে বাপেক্স। তখন এর দুটি স্তরে (স্তর-১ ও স্তর-২) ড্রিল স্টিম টেস্ট (ডিএসটি) করা হলেও বাকী দুটিতে তা করা হয়নি। বাপেক্স নতুন করে স্তর-১ ও স্তর-২ এ ১২ ঘণ্টা ও ১০ ঘণ্টা ডিএসটি করেছে। এ তেলক্ষেত্রে ১০৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের প্রাক্কলিত মজুদ ধরা হচ্ছে। ৪০ শতাংশ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টরে এখান থেকে ৪৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করা যাবে। বাংলাদেশে বছরে ২৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল প্রয়োজন হয়। এ হিসেবে ৪৪ মিলিয়ন দিয়ে প্রায় দুই বছরের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে অনুমোদিত এ্যাপ্রাইজাল অব গ্যাস ফিল্ডস (ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ) (তিতাস, বাখরাবাদ, সিলেট, কৈলাসটিলা এবং রশীদপুর) শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তাবায়ন করে বাপেক্স। এতে ব্যয় হয় ১৬৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি ও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির আওতাধীন মোট ১ হাজার ২৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় জরিপ পরিচালনা করা হয়।
হাসিব বিন শহিদ
2012-08-28
ঢাকা : কৈলাসটিলা তেলক্ষেত্রে আগামী জানুয়ারিতে কূপ খনন কাজ শুরু করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স)। একই বছরের আগস্টে এ ক্ষেত্র থেকে তেল উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এনামুল হক।
ধারণা করা হচ্ছে, কৈলাসটিলা থেকে ৪৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করা যাবে। তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ২৬ বছর পর তেল উত্তোলনের এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলনের লক্ষ্যে জানুয়ারিতে কূপ খনন করে জুলাইয়ের মধ্যে তা শেষ করা যাবে বলে আশা করছি।
বৈঠকে কৈলাশটিলা নিয়ে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে বাপেক্স। পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২০ মে প্রথমবারের মতো দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি তেলক্ষেত্র পাওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেয় পেট্রোবাংলা। ইতোমধ্যে হরিপুর ক্ষেত্রে নতুন করে তেলের সম্ভাবনা পাওয়া গেলেও উৎপাদনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বাপেক্স পরিচালিত ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে এ দুটি তেলক্ষেত্রে নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়।
জানা যায়, কৈলাসটিলা ক্ষেত্রে ১২টি স্তরের মধ্যে সাতটি গ্যাস স্তর, চারটি তেল স্তর এবং একটি গ্যাস ও তেলের স্তর রয়েছে।
১৯৮৯ সালে কৈলাসটিলা ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে বাপেক্স। তখন এর দুটি স্তরে (স্তর-১ ও স্তর-২) ড্রিল স্টিম টেস্ট (ডিএসটি) করা হলেও বাকী দুটিতে তা করা হয়নি। বাপেক্স নতুন করে স্তর-১ ও স্তর-২ এ ১২ ঘণ্টা ও ১০ ঘণ্টা ডিএসটি করেছে। এ তেলক্ষেত্রে ১০৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের প্রাক্কলিত মজুদ ধরা হচ্ছে। ৪০ শতাংশ প্ল্যান্ট ফ্যাক্টরে এখান থেকে ৪৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করা যাবে। বাংলাদেশে বছরে ২৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল প্রয়োজন হয়। এ হিসেবে ৪৪ মিলিয়ন দিয়ে প্রায় দুই বছরের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে অনুমোদিত এ্যাপ্রাইজাল অব গ্যাস ফিল্ডস (ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ) (তিতাস, বাখরাবাদ, সিলেট, কৈলাসটিলা এবং রশীদপুর) শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তাবায়ন করে বাপেক্স। এতে ব্যয় হয় ১৬৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি ও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির আওতাধীন মোট ১ হাজার ২৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় জরিপ পরিচালনা করা হয়।
আলোচিত ব্লগ
শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এমন কেন?
একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।
শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।