somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

থ্রি-জি ও টু-জি তরঙ্গ নিলামে বিক্রির নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হওয়ার পথে ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জনগনের অজ্ঞতার সুযোগে থ্রি-জি ও টু-জি তরঙ্গ নিলামে বিক্রির নামে সরকার ও কমিশনভোগী কর্মকর্তারা লুট করবে হাজার হাজার কোটি টাকা।

মূল্য কম ধরে ও ‘প্রতিযোগিতাহীন’ নিলামের মাধ্যমে অ্যববহৃত থ্রি-জি ও টু-জি তরঙ্গ নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের ধারণা এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে সরকার।

টেলিযোগাযোগ সেবা আরো সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে হাতে থাকা ১৮০০ ও ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের সাড়ে ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে তুলবে বিটিআরসি। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ উপলক্ষে দু’টি পৃথক গাইড লাইন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

গাইড লাইনে এ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য অনেক কম ধরা হয়েছে। ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের প্রতি মেগাহার্জ তরঙ্গে ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ২৩০ কোটি (৩ কোটি ইউএস ডলার), যেখানে গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত টু-জি নিলামে এই ক্যাটাগরির তরঙ্গের প্রতি মেগাহার্জের মূল্য ছিল প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার মতো। অন্যদিকে ২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের তরঙ্গের ভিত্তিমূল্যও কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ক্যাটাগরির প্রতি মেগাহার্জ তরঙ্গে ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা (২.২০ কোটি ইউএস ডলার)।

এ প্রসঙ্গে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত থ্রি-জি নিলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলামেইলকে বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক হলে ২০১৩ সালের থ্রি-জি নিলামে তরঙ্গ মূল্য কয়েকগুণ বেশি হতো। কিন্তু সরকার ভিত্তিমূল্য কম ধরায়, অপারেটরগুলো জোট বাধায় কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার।’

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত এ বিশেষজ্ঞ আরো জানান, বর্তমান বিশ্বে ১৮০০ মেগাহার্জ ব্যান্ড খুব মূল্যবান তরঙ্গ বলে বিবেচিত। টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একটি আদর্শ তরঙ্গ ব্যান্ড। এর মূল্য থ্রি-জি ব্যান্ডের চেয়ে অনেক বেশি হওয়া উচিৎ। কারণ বিশ্বে খুব বেশি দেশের হাতে আর এ তরঙ্গ নেই। তাই এর মূল্য বিটিআরসির নির্ধারিত ভিত্তিমূল্যের চেয়ে বেশি হওয়া উচিৎ।

উল্লেখ্য, এর আগে থ্রি-জির তরঙ্গ নিলামের সময় ভিত্তিমূল্য কম ধরায় সরকার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারায়। ভারতের চেয়ে এক তৃতীংয়াশ কম মূল্যে ২১০০ মেগাহার্জের তরঙ্গ নিলামে তোলা হয়। সে সময় প্রতি মেগাহার্জ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ধরা হয় ১৫০ কোটি টাকা (২.১ কোটি ইউএস ডলার)। আর মোবাইল কোম্পানিগুলোর জোটবদ্ধ হওয়ার কারণে সরকার পায় মাত্র চার হাজার কোটি টাকা। যেখানে বিটিআরসি আশা করেছিল তারা ৭ হাজার কোটি টাকা আয় করবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক প্রক্রিয়ায় নিলাম অনুষ্ঠিত হলে ১৪ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হতো।মূল্য কম ধরে ও ‘প্রতিযোগিতাহীন’ নিলামের মাধ্যমে অ্যববহৃত থ্রি-জি ও টু-জি তরঙ্গ নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের ধারণা এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে সরকার।

টেলিযোগাযোগ সেবা আরো সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে হাতে থাকা ১৮০০ ও ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের সাড়ে ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে তুলবে বিটিআরসি। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ উপলক্ষে দু’টি পৃথক গাইড লাইন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

গাইড লাইনে এ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য অনেক কম ধরা হয়েছে। ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের প্রতি মেগাহার্জ তরঙ্গে ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ২৩০ কোটি (৩ কোটি ইউএস ডলার), যেখানে গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত টু-জি নিলামে এই ক্যাটাগরির তরঙ্গের প্রতি মেগাহার্জের মূল্য ছিল প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার মতো। অন্যদিকে ২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের তরঙ্গের ভিত্তিমূল্যও কম হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ক্যাটাগরির প্রতি মেগাহার্জ তরঙ্গে ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা (২.২০ কোটি ইউএস ডলার)।

এ প্রসঙ্গে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত থ্রি-জি নিলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলামেইলকে বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক হলে ২০১৩ সালের থ্রি-জি নিলামে তরঙ্গ মূল্য কয়েকগুণ বেশি হতো। কিন্তু সরকার ভিত্তিমূল্য কম ধরায়, অপারেটরগুলো জোট বাধায় কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার।’

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত এ বিশেষজ্ঞ আরো জানান, বর্তমান বিশ্বে ১৮০০ মেগাহার্জ ব্যান্ড খুব মূল্যবান তরঙ্গ বলে বিবেচিত। টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একটি আদর্শ তরঙ্গ ব্যান্ড। এর মূল্য থ্রি-জি ব্যান্ডের চেয়ে অনেক বেশি হওয়া উচিৎ। কারণ বিশ্বে খুব বেশি দেশের হাতে আর এ তরঙ্গ নেই। তাই এর মূল্য বিটিআরসির নির্ধারিত ভিত্তিমূল্যের চেয়ে বেশি হওয়া উচিৎ।

উল্লেখ্য, এর আগে থ্রি-জির তরঙ্গ নিলামের সময় ভিত্তিমূল্য কম ধরায় সরকার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারায়। ভারতের চেয়ে এক তৃতীংয়াশ কম মূল্যে ২১০০ মেগাহার্জের তরঙ্গ নিলামে তোলা হয়। সে সময় প্রতি মেগাহার্জ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ধরা হয় ১৫০ কোটি টাকা (২.১ কোটি ইউএস ডলার)। আর মোবাইল কোম্পানিগুলোর জোটবদ্ধ হওয়ার কারণে সরকার পায় মাত্র চার হাজার কোটি টাকা। যেখানে বিটিআরসি আশা করেছিল তারা ৭ হাজার কোটি টাকা আয় করবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক প্রক্রিয়ায় নিলাম অনুষ্ঠিত হলে ১৪ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হতো।

সূত্র এখানে:
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ আগুন আপনাদেরও একদিন গ্রাস করবে।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১৩


আজ যারা ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদির ভিত্তিতে ও তাঁর কথিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা”, “মুসলিম বিদ্বেষী” সহ নানা মিথ্যা অভিযোগ আর অজুহাতে রবীন্দ্রনাথ বিদ্বেষের ব্যাপারে চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি ও ইতরামি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৮



রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×