somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেদনাবিধুর ও শোকাবহ পরিবেশে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে ১৩ মার্চ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হলো শোক দিবস

১৩ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) বুধবার কটকা ট্রাজেডি স্মরণে শোক দিবস পালিত হয়েছে।

২০০৪ সালের এ দিনে সুন্দরবনের কটকায় সফরে যেয়ে খুবির স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৯ জন এবং বুয়েটের ২ জনসহ মোট ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী সমুদ্রে ডুবে হয়ে মারা যান।

খুবি সূত্রে জানা যায়, বেদনাবিধুর ও শোকাবহ পরিবেশে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দিবসটি পালন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় শোকাবহ সাজে। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে শহীদ মিনার চত্বর হয়ে কটকা স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের দুপাশের সারিবদ্ধ গাছে কালো কাপড় দিয়ে তার ওপর শহীদ শিক্ষার্থীদের নাম লিখে শোকের আবহ তৈরি করা হয়।

সকাল ১০টায় কালোব্যাজ ধারণ করে সাড়ে ১০টায় শহীদ মিনার চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের নেতৃত্বে শুরু হয় বিশাল শোক র‌্যালি। র‌্যালিটি শহীদ মিনারের সামনে থেকে শুরু করে প্রশাসন ভবনের সামনে হয়ে কটকা স্মৃতি স্তম্ভে পৌঁছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ভাইস- চ্যান্সেলর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, খানজাহান আলী হল, খান বাহাদুর আহছানউল্লা হল, অপরাজিতা হল, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, স্থাপত্য ডিসিপ্লিন, গণিত ডিসিপ্লিন, চারুকলা ইনস্টিটিউট, পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ভাইস-চ্যান্সেলরের এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে র‌্যালি ও শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব শেষ হয়।

এরপর মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য অদম্য বাংলার সামনে চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর।

এছাড়া দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে মিলাদ, এতিমদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজ, বিকেল সাড়ে ৫ টায় শোক সভা ও স্মৃতিচারণ, সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলন এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন।

এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার ডিসিপ্লিন ও বিভাগীয় প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) বুধবার কটকা ট্রাজেডি স্মরণে শোক দিবস পালিত হয়েছে।

২০০৪ সালের এ দিনে সুন্দরবনের কটকায় সফরে যেয়ে খুবির স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ৯ জন এবং বুয়েটের ২ জনসহ মোট ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী সমুদ্রে ডুবে হয়ে মারা যান।

খুবি সূত্রে জানা যায়, বেদনাবিধুর ও শোকাবহ পরিবেশে দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দিবসটি পালন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় শোকাবহ সাজে। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে শহীদ মিনার চত্বর হয়ে কটকা স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের দুপাশের সারিবদ্ধ গাছে কালো কাপড় দিয়ে তার ওপর শহীদ শিক্ষার্থীদের নাম লিখে শোকের আবহ তৈরি করা হয়।

সকাল ১০টায় কালোব্যাজ ধারণ করে সাড়ে ১০টায় শহীদ মিনার চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের নেতৃত্বে শুরু হয় বিশাল শোক র‌্যালি। র‌্যালিটি শহীদ মিনারের সামনে থেকে শুরু করে প্রশাসন ভবনের সামনে হয়ে কটকা স্মৃতি স্তম্ভে পৌঁছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ভাইস- চ্যান্সেলর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, খানজাহান আলী হল, খান বাহাদুর আহছানউল্লা হল, অপরাজিতা হল, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, স্থাপত্য ডিসিপ্লিন, গণিত ডিসিপ্লিন, চারুকলা ইনস্টিটিউট, পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ভাইস-চ্যান্সেলরের এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে র‌্যালি ও শ্রদ্ধাঞ্জলি পর্ব শেষ হয়।

এরপর মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য অদম্য বাংলার সামনে চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর।

এছাড়া দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে মিলাদ, এতিমদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজ, বিকেল সাড়ে ৫ টায় শোক সভা ও স্মৃতিচারণ, সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলন এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন।

এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার ডিসিপ্লিন ও বিভাগীয় প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই সমাজ- ৭২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৩



দেশের সরকার অযোগ্য অদক্ষ হলে, জনগনের শান্তি থাকে না।
দেশের জনগন সারাদিন কাম কাজ করে। অফিসে নানান রকম যন্ত্রনা পোহায়। নানান জক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। অফিসে থাকে না... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেল গ‍্যাস অনুসন্ধান আর বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে, সুদি মহাজন আর খাম্বা/কার্ড সরকারের মিথ্যাচারের জবাব॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮



২০০৮-২০২৪ এই ১৬ বছরকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন "chronicle of shoddy gas exploration" - মানে গ্যাস অনুসন্ধানের ধীরগতির ইতিহাস।

২০০৮-২০২৪ এর মূল চিত্র

< Between 2008 and 2024, bureaucratic interference... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল ইশরাত মঞ্জিল ধ্বংসের আসল খলনায়ক কে?

লিখেছেন মৌন পাঠক, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১১

কথায় কথায় বামপন্থী, সেক্যুলারদের গালি দেয়া হচ্ছে ইশারাত মঞ্জিলের ইতিহাস মুছে ফেলার জন্য।

কিন্তু দালিলিক ইতিহাস হলো— ১৯৫১-৫২ সালে মূল ইশারাত মঞ্জিল বিল্ডিংয়ে কোনো হিন্দু, বামপন্থী বা আওয়ামী লীগার বুলডোজার চালায়নি!

তাহলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবননগর

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



গ্রাম দেখতে কোলাহলের বাইরে গিয়ে দেখি-
কোথাও নেই একরত্তি গ্রাম!
বিলুপ্ত হয়েছে যাবতীয় সবুজ সুন্দর;
সর্বত্র বিস্তার লাভ করেছে কংক্রিটের বন!
ভ্রমণক্লান্তিতে খুব তৃষ্ণার্ত হয়ে-
জলপানাঙ্ক্ষা জানাতেই পেলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ নেপালের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২৬

বাংলাদেশ নেপালের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।



বাংলাদেশে যদি একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প বা বড় ধরনের নগর দুর্যোগ আঘাত হানে, তাহলে দেশটি নেপালের অভিজ্ঞতার চেয়েও বহুগুণ ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×