somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঘুরে এলাম ফরিদপুর গ্রামের বাড়ি :পর্ব—০১//

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অনেকদিন হয়ে গেলো বাড়িতে যাইনা।আব্বা-আম্মার সাথে দেখা সাক্ষাত হয়না।আমার মানষিক অবস্থাও গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার অনুকূল নয়।কিন্তু সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম এবার যাবই,যা হওয়ার হোক।
আমি কোনো যায়গায় থাকলে সেই জায়গার প্রতি ভালোবাসা মুহাব্বত হয়ে যায়,সেই জায়গা ছেড়ে নতুন কোনো জায়গায় গেলে আমি মানষিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি,কিন্তু গ্রামের বাড়ি তো নতুন নয়!পুরোনোই সেখানে কেন আমি আনইজি ফিল করি তা ধরতে পারিনা।
যেই এলাকার মানুষ ধর্ম কর্মে উদাসিন, গাফিল সেই এলাকাকে আমি মৃত বলে চিন্হিত করিৃ,এরকম মৃত এলাকায় গেলে আমিও অর্ধমৃত হয়ে যাই,আমার অন্তর তত শক্তিশালী নয় যে আমার আন্তরিক তাওয়াজ্জুতে মৃতরা জীবিত হয়ে যাবে।

সবকিছু আমার মাথায় ছিলো,তারপরো আব্বা আম্মাকেনা দেখে ভালো লাগছিলো না,দুনিয়াতে একজন সন্তানের সবচেয়ে কাছের েবং আপনজন হলো তার পিতামাতা,পিতামাতা প্রয়োজনে তাদের জীবনের বিনিময়ে সন্তানের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করে।তাদেরকে না দেখে কিভাবে থাকা যায়।
তাছাড়া পারষ্পারিক সাক্ষাতের দ্বারা আধ্যাতিক উন্নতিও হয়,বরকত আরোও প্রশস্ত হয়,এরকম বিভিন্ন দিক বিবেচনা করেই বাড়িতে যাওয়া। তাছাড়া ক্ষতির আশংকা থাকলে আমি কোথাও যাইনা,আমি সাধারনত আন্তরিক কোনো ক্ষতিকে অগ্রধিকার দেই।

যদি তুমি তেমন কোনোো অঞ্চলে গমন করো যেখানে মানুষ নামাজ পড়েনা,দুনিয়ার উপর উপুর হয়ে পড়ে থাকে সারাক্ষন,তাহলে এমন জায়গায় অবশ্যই তোমার আত্মা দুর্বল হয়ে যাবে,আর প্রাথমিক মুরিদ বা সালিকদের জন্য এমন পরিচিত জায়গা ক্ষতিকর যেখানে মানুষ তাকে চিনে,অথবা তাকে কিছু মনে করার আশংকা থাকে,তবে সবার অবস্তা বা হালের সাথে আমার এই কথা নাও মিলতে পারে,এগুলো নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত উপলব্দি এবং অভিজ্ঞতা।




প্রথম দিনের ফজরের নামাজ আমি পড়িয়েছিলাম।আমাদের বাড়ির পাশেই বিশাল বড় এক মসজিদ,কিন্তু নামাজি বা মুছল্লির সংখ্যা মসজিদ অনুপাতে খুবই কম।
দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ছিলো।হুজুরকে বললাম নামাজের আগে আমার কিছু কথা বলার আছে এলাকাবাসীকে।হুজুর বয়ান করার পর দশ মিনিট সময় আমাকে দিলেন।হুজুর কৃপনতার ক্ষতিকর দিকগুলো আলোচনা করছিলেন।কিন্তু আমাদের এলাকার মানুষ মাজারের প্রতি ভক্ত।মাজারে গমন করে বিভিন্ন ধরনের বেদআতি কাজকর্ম করে।মাত্র ১০ মিনিটে মাজরের ক্ষতিকর দিকগুলো বিস্তারিত বলা সম্ভব ছিলোনা।আমি কি বলেছিলাম আমার নিজেরই মনে নেই,তবে কিছু কথা মনে আছে—

"আমি আজকে আউলিয়া দরবেশদেরকে নিয়ে কিছু আলোচনা করবো।তার আগে পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টির উদ্যেশ্য নিয়ে আলোচনা করবো।

আল্লাহ তায়ালা যখন মানুষ সৃষ্টির ইচ্ছা করেন তখন ফেরেশতাদের সাথে পরামর্শ করলেন,আমি পৃথিবীতে আমার প্রতিনিধি পাঠাতে চাই,তোমরা কি বলো।
ফেরেশতারা বলল,আয় আল্লাহ,আপনি সেখানে এমন এক জাতিকে সৃষ্টি করবেন যারা রক্তপাত,দাঙ্গা হাঙ্গামা ঘটাবে।আপনার পবিত্রতা তাছবিহ পাঠ করার জন্যতো আমরাই আছি।আল্লাহ তায়ালা বললেন, নিশ্চই তোমরা তা জানোনা যা আমি জানি,সুতরাং আল্লাহ তায়ালা মাটি দিয়ে আদম আ.এর সুরত সৃষ্টি করলেন।তারপর শয়তানকে পরিক্ষা করার পর আদম আলাইহিস সালামকে জান্নাতে থাকতে দিলেন।শয়তান বিভিন্ন কলা কৌশল এবং বুদ্ধি খাটিয়ে আদমকে জান্নাত থেকে বের করে ছাড়লো।আল্লাহ তায়ালা যখন আদম আ.কে জান্নাত থেকে বের করে দিলেন,তখন বলেও দিয়েছিলেন,পৃথিবীতে আমার পক্ষ থেকে হেদায়েত অবতীর্ন হবে, যারা সেই হেদায়েতের অনুসরন করবে,হেদায়েত অনুযায়ী জীবন গঠন করবে,তাদেরকে আমি আবার এই জান্নাতে নিয়ে আসবো।আর যারা তা মানবে না। শয়তানের অনুসরন করবে শয়তানসহ তাদের সবাইকে দিয়ে আমি জাহান্নাম পূর্ন করে ছাড়বো।"
আমার পীর উঁচু আধ্যাতিক ক্ষমতাসম্পন্ন, কাশফ এবং কারামতের অধিকারী একজন অলী বুযুর্গ।আমি নিজে চিশতিয়া,নকশবন্দিয়া, কাদেরিয়া তরিকার অনুসরন করি।কাদেরিয়া তরিকার ইমাম ছিলেন,একজন মহান অলী। বড়পীর আব্দুল কাদের জীলানী রহ.।তিনি বলেছেন,আগে নিজেকে ভেঙে ফেলো,তারপর নিজেকে গড়ে তুলো।
অর্থাৎ আগে দুঃখ কষ্ট ভোগ করো তারপর সুখ শান্তির মূল্য বুজতে পারবে।অন্ধকার না থাকলে কেউ আলোকে চিনতে পারতনা।
শেষে বলেছিলাম, আমরা অলী আউলিয়াদের মাজারে যাবো,সেখানে গেলে অবশ্যই বরকত হয়।আউলিয়াদের মাজারের পাশে দাড়ালে পরম আত্মিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।তাদের মাজারের কাছে গিয়ে দাঁড়ানোর নামই যিয়ারত।কিছু বলেন আর না বলেন।কিন্তু খবরদাড়,মাজারে সিজদা দিবোনা।সেখান থেকে বরকত নিবো,পীরের কাছে যাবো,পীরকে আলিঙ্গন ও করা যায়,কিন্তু সেজদা দিবোনা।"





জুমার নামাজের পর অন্তরে আগের মতো অন্তরে অস্থিরতা অনুভব করিনি।আমি অনেক আগে এই মসজিদে জুমার নামাজ পড়াতাম।কিন্তু তখন ছিলাম একেবারেই অনভিজ্ঞ।

ঘুরে এলাম গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর;পর্ব —০২

জুমার নামাজের শেষে খাওয়া-দাওয়ার পরে সিদ্ধান্ত নিলাম,পদ্মার নিরিবিলি নিঝুম চরের উপর দিয়ে একটু ঘুরে ফিরে আসি,শহরের কোলাহলের মধ্যে থাকতে থাকতে মনের মধ্যে জং বা মরিচা পরে গিয়েছে।মনের বা অন্তরের মরিচা দীর করার জনঢ আল্লাহর যিকিরের কোনো বিকল্প নেই,আর যিকির মানে সুধু নাম জপ করা না,বরং ক্বলবে অনুভব উপলব্ধি করাই প্রকৃত যিকির,যাকে যিকরে খফি বা গোপন যিকির বলা হয়।নিরিবিলি নির্জন যায়গায় গোপন যিকির বেশি প্রভাবশালী হয়।পদ্মার চর এরকম নিরিবিলি নির্জন জায়গার অন্তভূক্ত।সুতরাং মাঝেমধ্যে পদ্মার চর দিয়ে একটু হাটাাটি করা মনের জন্য বা রুহের জন্য সুস্বাদু খাবার হতে পারে,যাকে রুহানী খোরাক বলা হয়।

আমার নানাবাড়ি থেকে প্রায় তিন কিমি দূরে পদ্মা নদী।সুতরাং আগে নানী বাড়ি গিয়ে নানানানীর কবর যিয়ারত করলাম,অন্তরে পরম তৃপ্তি পেলাম নানানানীর কবর যিয়ারত করে।আমার অনূভুতি সেখানে এমন ছিল যেন জীবিত মানুষের কবর যিয়ারত করছি।নানা নানী আমাকে অনেক ভালোবাসতো।সেই ভালোবাসার উষ্ণতা কবরের পাশে দাড়িয়ে আরেকবার অনুভব করলাম,এবং বুজতে পারলাম মানুষ আসলেই মরেনা,তাদের রুহ জীবিতই থাকে।কবর যিয়ারতকারীকে কবরবাসী চিনতে পারে,যিয়ারতকারীর পায়ের শব্দও শুনতে পায়।
নানা নানীর কবরের পাশে দাড়িয়ে কান্না করেছিলাম,কারন পিছনের মায়াময় স্মৃতি মনে পড়েছিলো।
সেখান থেকে সোজা হাজীগঞ্জ বাজারের দিকে পদ্মার পাড়ে চলে গেলাম।পদ্মার শীতল পানি দিয়ে ওযু করে মাগরীবের নামাজ পড়লাম চরের ঘাসের উপরেই।আমার অন্তরের অবস্তা তখন ভালো ছিলো আলহামদুলিল্লাহ।তারপর সেই নির্জন জায়গায় বসে কিছু লিখালিখি করলাম।রাত নেমে এলো।





ঘুরে এলাম গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর :০৩
হাজীগঞ্জ পদ্মানদী ভ্রমন করে বাড়ি ফেরার পথে,মাসুদ ভায়ের সাথে দেখা হলো।মাসুদ ভাই আমার দুই তিন বছরের বড়,তারপরো আমরা একসাথেই ছোটবেলায় চলাফেরা করতাম,বিভিন্ন জায়গায় যেতাম।ছোটবেলার অনেক স্মৃতি মাসুদ ভাইসহ আরো অনেকের সাথে জড়িয়ে আছে,সবাই বিদেশে থাকে অথবা ঢাকায় থাকে।প্রতিবেশি সমবয়সি একসাথের ভাই বন্ধু দের মধ্যে মাসুদ ভাই সুধু বাড়িতে থাকে,আরো কয়েকজন আছে তাদের সাথে আমার তেমন সখ্যতা নেই।

তো গজারিয়া বাজারে দাড়িয়ে ইমুতে মাসুদ ভাইকে ম্যাসেজ লিখে আমি ছুটিতে বাড়ি আসার সংবাদটি দিবো সেই মুহুর্তেই অটোরিক্সা র ভিতর থেকে মাসুদ ভাই আমাকে দেখে ডাক দিলেন।বুজলাম না এটা কিভাবে হলো।
মাত্রই যাকে ভাবলাম, মুহুর্তে ই তাকে সামনেই পেয়ে গেলাম!কি আশ্চর্যজনক ব্যাপার!!
গজারিয়া বাজার থেকে দুজন একই অটোরিকশায় বাড়িতে চলে এলাম।মাসুদ ভাই বলল, আগামিকাল দুজন সারাদিন ঘুরাফিরা করবো।আমি বললাম ঠিকআছে তাই হবে।
মাসুদ ভায়ের সাথে কিছু প্রাচীন স্মৃতি এখানে লিখতে মন চাচ্ছে।

ছোটবেলায় আমাকে আম্মা যখন মক্তবে পাঠালেন,মাসুদ ভাইও আমার সাথে সাথে মক্তবে যেতেন।আমাদের সমবয়য়সী আরো কয়েকজন ছিলো,আমরা একইসাথে চলাফেরা করতাম,দুষ্টামি করতাম,মানুষের গাছের আম,জাম আরো অনেক ফল ফলাদি চুরি করে খেতাম।বিভিন্ন জায়গায় মেলায় যেতাম,সেখানে আসলেই অনেক মজা হতো,মেলা থেকে আসার সময় সবাই সিগারেট টানতে টানতে চলে আসতাম।মাসুদের দাদা ফকির টাইপের ছিলো,সেই সুবাদে মাসুদগো বাড়িতেও মেলা হতো।সেখানেও অনেক মজা হতো,বড়কাকার খেত থেকে আখ,গেন্ডারী চুরি করে খাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।এগুলো ছিলো সেই সময়ের অতি স্বাভাবিক ঘটনা।একসাথে ক্রিকেট,ফুটবল,কাবাডি,গোল্লাছুট ইত্যাদি খেলতাম।একেক সিজনে একেকরকমের খেলার প্রচলন ছিলো।

একবার দাদাগো কাঁচা মিঠা আমগাছ থেকে ঢিল মেরে আম পেরে খাওয়ার সময় মাসুদ বলল,আমাগো সময় ই তো এহন।আগামি দশ বারো বৎসর পর কে কোনজায়গায় থাকবে এর কোনো ঠিকঠিকানা আছে!!অর্থাৎ অকাম কুকাম যা করার এখনই করার সময়।


সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:৪৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলে গেছো তাতে কি? নতুন একটা পেয়েছি, তোমার চেয়ে করে বেশী চাঁন্দাবাজিইইই....

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৭

আমি কবিতা লিখি না কখনও। চেষ্টাও করি না। আমি মূলত কবিতা অপছন্দ করি। কিন্তু....



আমি যখন ক্লাস ৪/৫ এ পড়ি, তখন স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগীতার সময় নিজের লেখা গল্প-কবিতা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজব পোশাক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬


এক দেশে ছিল একজন রাজা। রাজার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া। সিপাহী-সামন্ত লোকলস্করে রাজপুরী গমগম। রাজার ধন-দৌলতের শেষ নেই। রাজা ছিল সৌখিন আর খামখেয়ালি। খুব জাঁকজমক পোশাক-পরিচ্ছদ পরা তার শখ। নিত্যনতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচনী অঙ্গীকার চাই ফুটপাথ ফেরাও মানুষের কাছে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬


ভোটের মিছিলে কথা হয় অনেক
পোস্টারে ভরা উন্নয়নের ঢাক
কিন্তু বলো তো ক্ষমতাপ্রার্থী দল
ফুটপাথ কার এ প্রশ্নের কি জবাব?

ঢাকা ছোটে না, ঢাকা পায়ে হেটে ঠেলে চলে
শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই পড়ে কষ্টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালুর নিচে সাম্রাজ্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১


(ডার্ক থ্রিলার | কারুনের আধুনিক রূপক)

ঢাকার রাত কখনো পুরোপুরি ঘুমায় না।
কাঁচের অট্টালিকাগুলো আলো জ্বেলে রাখে—যেন শহর নিজেই নিজের পাপ লুকাতে চায়।

এই আলোর কেন্দ্রেই দাঁড়িয়ে ছিল করিম গ্লোবাল টাওয়ার
আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কেমন হবে?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



সামনের গণভোট ঘিরে অনেক অপপ্রচার চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। অনেকেই জানতে চাঁচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কি রকম হবে? নির্বাচন কমিশনের ওয়েসবাইট থেকে জানতে পারা গিয়েছে যে, গণভোটের ব্যালটটি উপরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×