আমার একটি আকাংখা পৃথিবীতে আত্মশুদ্ধির মেহনত ব্যাপকভাবে হোক।বর্তমান পৃথিবীতে হাতেগোনা কিছু মানুষ নিজস্ব খানকার মধ্যে আত্মশুদ্ধির চর্চা করেন।আমি যতই চাই এই মেহনত ব্যাপক হোক কিন্তু তা কখোনৌ হবেনা বলেই মনে হয়।বড় বিপর্যয় এবং ভয়ংকর অবস্তার মধ্যে রয়েছে বর্তমান পৃথিবী।মানুষ সুধু দুনিয়াতে কিভাবে বড়লোক হবে, টাকা পয়সা কামাবে,প্রভাব প্রতিপত্তি অর্জন করবে সেই ধান্ধায় ই মশগুল রয়েছে,আত্মশুদ্ধি করার সময় হাতে নাই।
আবার একদল এমনও মানুষ রয়েছে,যারা বলে আমাদের আত্মা বিশুদ্ধ আছে,আমাদের আত্মশুদ্ধির কোনো প্রয়জন নাই।এদের কথা হাস্যকর।
আবার একদল মনে করেন কি দরকার আছে,শরিয়তের বায্যিক নিয়মকানুন মানলেই হলো,এটাই নাজাতের জন্য যথেষ্ট।তাদের এই কথাও মুর্খতার পরিচয়।
আবার একদল আত্মশুদ্ধি কি তা জানেই না,এদিকে কোনো রাস্তা বা লাইন ঘাট পায়নি।যে দেখেছে আর যে দেখেনি উভয়ে কি কখোনো সমান হতে পারে।
যাইহোক পৃথিবীতে সবাই আত্মশুদ্ধির জগতে উৎকর্ষতা হাসিল করতে পারবেনা,এটাই স্বাভাবিক,সকলেই উৎকর্ষতা হাসিল করাটাই অস্বাভাবিক।
কিন্তু চেষ্টা করাতে তো কোনো ক্ষতি নাই।একজন একশত ভাগ উৎকর্ষতা হাসিল করেছে আরেকজন পাঁচভাগ হাসিল করেছে।একেবারে না থাকার থেকে তো কিছু থাকা ভালো।নাই মামার থেকে কানা মামাও ভালো
সবর এবং শোকর
সবর উত্তম নাকি শোকর উত্তম?
=আসলে দুইটাই উত্তম।সবর যেহেতু আগে আসে এবং শোকর পরে,সুতরাং সবরের মাহাত্ম্য এবং মর্যাদা আমার দৃষ্টিতে বেশি।তাছাড়া সবর হাসিল করা শোকরের থেকে সহজ।সবর সকলেই কমবেশি হাসিল করতে পারে,কিন্তু শোকর সবাই হাসিল করতে পারেনা।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,আমার বান্দাদের মধ্যে শোকরগোজার বান্দার সংখ্যা নগন্য।"
শয়তান বলেছিলো, আপনি তাদের অধিকাংশকেই শোকরগোজার পাবেননা।"
যেনে রাখা প্রয়োজন সবর এবং শোকর একে অপরের পরিপূরক।একটি পাখীর দুইটি ডানার মতো।পাখীর যদি একটি ডানা না থাকে,তাহলে পাখী উড়তে পারবেনা,মাটিতে পড়ে যাবে। অনুরুপভাবে একজন সালিক আত্মিক ভ্রমন করতে পারেনা যদি সবর এবং শোকর তার মধ্যে সমানতালে না থাকে।
সবর হাসিল করার উপায়—
যেই জিনিস যত দামী তা হাসিল করাও তত কষ্টসাধ্য ব্যাপার।সবরের মাহাত্ম্য এবং মর্যাদা অতি উঁচু সুতরাং এই জিনিস হাসিল করার পথে বাধা বিপত্তিও অগনিত।
সবরের ক্ষেত্র এবং প্রকার অগনিত,কিন্তু আমরা প্রয়োজনীয় পাঁচটি ক্ষেত্রে সবরের সরুপ বর্ননা করব।
১।ইবাদতের ক্ষেত্রে সবর
নামাজ,রোজা হজ্জ,যাকাত,ইত্যাদি ক্ষেত্রে সবরকে ইবাদতের ক্ষেত্রে সবর হিসেবে ভাগ করা যায়।
নামাজের ক্ষেত্রে সবর
-তারাহুরো না করা,তারতীলের সহিত সুন্দর সূরে কুরআন তেলাওয়াত করা।
-রুকু, সেজদা ধীরে সুস্থে সুন্দরভাবে আদায় করা।
-তাছবিহ গুলো ধ্যান এবং মনোযোেগের সহিত আদায় করা।
-শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযু করা,খুনখুনে বৃদ্ধরা গরম পানি দিয়ে ওযু করতে পারে।কিন্তু যুবকদের ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযু করাই উত্তম।
নামাজের আরকান আহকাম গুলো হেলামি করে নয় বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব নিয়ে আদায় করা।
-মন চাইলে পড়লাম, না চাইলে পড়লামনা এমন মাষিকতা পরিত্যাগ করা।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৫:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




