আমি আগের পোস্টে বলেছিলাম দুনিয়াতে যার সাথে যার ভালোবাসা থাকবে আখিরাতে কেয়ামতের দিন সে তার সাথেই থাকবে।এই বিষয়ে আমি আলাদা একটা পোস্ট লিখব, পোস্টটা সেই উদ্দেশ্য লেখা।
কেয়ামত কি?
কেয়ামত হলো ভবিষ্যতে সংঘঠিত হবে।সেটা এমন একটা দিন যেইদিন সবকিছুর চূড়ান্ত ফয়সালা করে দেওয়া হবে।নেককারদেরকে নেককাজের পুরুষ্কার দেওয়া হবে আর বদকারদেরকে বদকাজের পুরুষ্কার দেওয়া হবে।
চোরকে চুরি করার জন্য উপযুক্ত পুরুষ্কার যা হতে পারে তা দেওয়া হবে।(আচ্ছা এমন কি হতে পারে চোরকে চুরি করার জন্য মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে আর বলা হচ্ছে বাহ! তুমিতো চমৎকার কাজ করেছো,তোমাকে তো মহাপুরুষ্কার দিতে হয়।)প্রিয় পাঠক। খবরদার।ব্যাপারটা এমন হবেনা।উল্টো হবে এবং ভয়ংকর হবে।
এক বুযুর্গের একটি দামি জিনিস চুরি হয়ে গিয়েছিলো।বুযুর্গ অঝোর ধারায় কান্না করছিলেন।লোকেরা আশ্চর্য হয়ে কান্নার কারন জিগ্যেস করলো।(বুযুর্গ মানুষের তো কান্না করার কথা নয়, ব্যাপার কি।)
বুযুর্গ বললেন,আমি নিজের জন্য কান্না করছিনা।আমি তো কেয়ামতের দিন ঐ চোরটার দুর্দশাকে উপলব্ধি করে কান্না করছি।অর্থাৎ কেয়ামতের দিন সে কিভাবে এর দায় থেকে মুক্ত হবে,এবং সে কি জবাব দিবে?বিষয়টা চিন্তা করে আমি উক্ত চোরের মায়ায় পরে কান্না করছি।
ভালোবাসা কি?
ভালোবাসা হলো একজনের প্রতি আরেকজনের হৃদয়ের আকর্ষন বা বিষেশ টান।যা শুধু আশেক অনুভব করে।যে ভালোবাসে তাকে আশেক বলে আর যাকে ভালোবাসা হয় তাকে মাশুক বলা হয়।
আশেকের ভালোবাসার উত্তাপ কি মাশুক উপলব্ধি করতে পারে?
এই প্রশ্নের উত্তর আসলে আমি জানিনা।
কেয়ামতের দিনটা অনেক লম্বা হবে,আর ভালোবাসার মানুষের সাথে সময়ও খুবই ভালো কাটে।এই লম্বা দিন মুমিনদের জন্য খুব সংক্ষিপ্ত মনে হবে এবং আল্লাহ তায়ালার আরশের ছায়ায় প্রফুল্ল চিত্তে কেটে যাবে।
হাদিস শরীফে আছে সাত শ্রেনীর মানুষ সেদিন আরশের নিচে ছায়া পাবে।
এর মধ্যে একশ্রেনি হলো যারা আল্লাহর জন্য পরষ্পর ভালোবাসা রাখত।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




