ইমানের সূর্য যখন উদিত হইলো,
যাবতীয় অন্ধকার পালিয়ে গেল।
ইমান যখন সিংহাসনে সমাসীন হলো,
ইবলিশ দলবল নিয়ে দৌড়ে পালালো,
চিন্তা-ফিকির দরজায় আঘাত করিলো,
ভিতর থেকে কে যেন দরজা খুলে দিলো।
হাজার হাজার দরজা সামনে আসিলো,
একটা ভাঙতেই আরেকটা হাজির হলো।
অন্তরের উপর কঠিন দায়িত্ব আরোপিত হলো,
অন্তর এই দায়িত্বের বোঝা নফসের ঘারে দিলো,
নফসকে বলদ পেয়ে খাটিয়ে মারলো,
নফসের উপর রুহ সওয়ার হলো।
২
(রুপক শুরু,নফস=গাধা
রুহ=গাধার মালিক
দস্যু=শয়তান)
যাত্রাপথে যখন মাঝপথে পৌছলো,
দস্যু সদলবলে হামলা করিলো,
বেচারার গাধাটি ছিনিয়ে নিলো।
গাধা হারিয়ে তবুও হাল না ছাড়িলো
গাধা ফিরে পেতে সুযোগ সন্ধানী হলো,
দস্যু দল এক বৃক্ষতলে আরামের নিমিত্ত বসিল,
একটু পরে দস্যুরা সবাই ঘুমিয়ে পড়লো,
সুযোগ বুঝে গাধার মালিক গাধাকে নিয়ে পালালো,
গাধা ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হলো।
এদিকে দস্যুরা ঘুম থেকে জেগে উঠলো,
গাধা না পেয়ে চক্ষু কপালে উঠলো,
পাহারাদারকে চুল ধরে টেনে নিয়ে এলো,
বলল,তুই থাকতে, গাধা কোথায় গেলো?
পাহারাদার বলল,আমিও ঘুমিয়ে পড়েছিলাম,
যেকারনে গাধাটা হারিয়ে ফেললাম,
তবে,আমাকে দুইদিন সুযোগ দিতে পারেন,
যদি গাধা না আনতে পারি,তখন মারেন।
৩)
গাধার মালিক যদিও গাধাকে ফিরে পাইলো,
কিন্তু গাধার মনে দস্যুর প্রেম রয়েই গেলো,
মালিক বলল,দস্যুর প্রেম মনে কেন লেগে আছে,
গাধা বলল,কারন অবশ্যই কিছু না কিছু আছে,
দস্যু আমাকে কোনো বোঝা দিত না,
আমাকে মজার মজার খানা খাওয়াত।
কিছুদূ্র গিয়ে গাধা এক বাগানে পৌছালো,
বাগানের সৌন্দর্যে গাধা নাচতে আরম্ভ করিলো
(সংক্ষেপিত)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



