somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সুলাইমান হোসেন
পাওয়ার আনন্দের চেয়ে না পাওয়ার কষ্ট আমার নিকট বেশি মূল্যাবান।ব্যাথিত এবং ভাঙা দিলের উপর আল্লাহর নূর এবং তাজাল্লী বর্ষিত হয়।জাহান্নামিদেরকে জাহান্নামে এবং জান্নাতিদেরকে জান্নাতে দেখার পরেও অন্তরে ভাবান্তর না হওয়া প্রকৃত তাওয়াক্কুল

হাকিক্বতুল মায়ারিফ :পর্ব —০১

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলীহিল কারীম


সমস্ত প্রশংসা আসমান জমিন এবং এর মধ্যকার যাবতীয় সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রব্বুল আলামিনের প্রাপ্য।যিনি চন্দ্র এবং সূর্য সৃষ্টি করেছেন,এবং সবকিছুকে একটি নিয়মের অধীন করে দিয়েছেন।

অগনিত অসংখ্যা দুরুদ এবং সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রসূল এবং সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি।যার আগমন দুনিয়ার জন্য রহমত সরূপ ছিলো।
পাঠ:১.০

হাকিক্বতুল মায়ারিফ সিরিজে আমরা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিচয় অথবা মায়ারিফ নিয়ে আলোচনা করব।

চিন্তাভাবনা :চিন্তাভাবনা হলো এলমে মারিফতের প্রাথমিক ধাপ। একে ফিকর তথা ইবরত ও বলা হয়।চিন্তাভাবনা আবার কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়।যেমন,
১।প্রানীকূল,২।উদ্ভিদকূল,৩।নদী-নালা,পাহাড়-পর্বত,৪।আসমান এবং এর বস্তুসমূহ।৫।ইবাদত এবং এর নিয়ম-কানুন।

৬।আধ্যাতিক হাল এবং মকামসমূহ।৭।সৃষ্টিকর্তার সত্তা এবং গুনাবলীসমূহ।


চিন্তা-ভাবনার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যে ব্যাক্তি পৌঁছাতে পারবে সে যেন এক বিশাল মহা সমুদ্র পাড়ি দিয়েছে।

এখন আমরা এলমে মারিফতের প্রাথমিক ধাপ চিন্তা-ভাবনার জগতে প্রবেশ করব।

প্রানীকূল :


পৃথিবীতে অসংখ্য অগনিত প্রানী রয়েছে,যার প্রকৃত সংখ্যা কোনো মানুষ গণনা করে বের করতে পারবেনা।আমরা ইলমে মারিফতের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু নিয়েই আলোচনা করবো,অপ্রয়োজনীয় আলোচনা করবনা।
তার আগে ইলমে মারিফতের অর্থ জেনে নেওয়া দরকার।
ইলমে মায়ারিফ কি?

ইলমে মায়ারিফ হলো সেই অভিজ্ঞান যা দ্বারা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সত্যতা ক্ষমতা গুনাবলী অন্তরদৃষ্টিতে ধরা পরে।এই জ্ঞান অর্জিত হলে মানুষ নিশ্চিতভাবেই জানতে পারে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ আছেন এবং তিনি সত্য।শুধু তাই নয়,এই জ্ঞান অর্জিত হলে,মানুষ তার করনীয় জানতে পারে।বিশ্বজগতের সৃষ্টিরহস্য সমূহ তার অন্তরের দৃষ্টিতে উন্মোচিত হয়।আরো অনেক উপকার রয়েছে যা ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা যায়না।ভুক্তভোগী সেগুলো অনুভব করে এবং জানতে পারে।

চলুন তাহলে আমরা চিন্তাভাবনার সমুদ্রে প্রবেশ করি।আল্লাহ তায়ালা আমাদের সফরের সঙ্গি হোন,আর তিনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ এবং উত্তম সঙ্গী।

প্রথমে নফসের ধোঁকা এবং শয়তানের প্রতারনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাহিতেছি।

আয়ুজু বিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বনির রজীম
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

প্রানীকূল :

পৃথিবীতে কত প্রানী রয়েছে তা আজ ও বিজ্ঞানীদের অজানা।কত জাতপ্রজাতির প্রানী রয়েছে এবং তার সংখ্যা কত তা আজ ও কোনো মানুষ জানেনা।তা আল্লাহ ছাড়া আর কেউই জানেনা।আবার তিনি, কোনো কোনো প্রানীকে বিলুপ্ত করে দেন,তারপর নতুন প্রানী সে জায়গায় সৃষ্টি করেন।কুরআনেও বলা হয়েছে,"তিনি তার সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা যোগ করেন।"

মানুষ
মানুষ প্রানীজগতের বিস্ময়কর এক প্রানী।মানুষকে জানতে পারলে সমস্ত প্রানীকেই জানা হয়ে যাবে।আমরা মানুষের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা আলোচনা করার চেষ্টা করব।
তবে মানুষের দুইটা শরীর রয়েছে।একটি আধ্যাতিক আরেকটি বাহ্যিক।এখানে শুধু বাহ্যিক বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।আর রুহ বা আধ্যতিক শরীর নিয়ে আধ্যাতিক জগতের আলোচনার সময় আলোচনা করব।

কিভাবে একটি মানুষের শুরু হয়?
মানুষ পৃথিবীতে পিতা মাতার মাধ্যমে আসে।এর বাইরে দিয়ে আসার কেনো সিস্টেম নাই।পিতা মাতার মধ্যে বিশেষ নিয়মে মিলন ঘটে।সেই মিলনের দ্বারাই বহু প্রক্রিয়া অতিক্রম করে একটি মানুষ দুনিয়াতে আসে।
আসুন আমরা সংক্ষেপে সেই প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করি।
দেখুন প্রথমিক একটি প্রশ্ন হলো পিতামাতা কেন মিলন ঘটায়।এখানে কোন রহস্য অবশ্যই আছে।আল্লাহ তায়ালাই পুরুষ এবং নারী সৃষ্টি করেছেন এবং উভয়কে দিয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ঠ।পুরুষ নারীর প্রতি আকর্ষন অনুভব করে আর নারী পুরুষের প্রতি আকর্ষন অনুভব করে।আমরা নারী-পুরুষ মিলিয়ে পূর্ণ একটিমাত্র মানুষ ধরে নিতে পারি।

শুক্রানু এবং ডিম্বানু

যদি আল্লাহ না থাকতো তাহলে শুক্রানু এবং ডিম্বানু সৃষ্টি হওয়া সম্ভব ছিলোনা।কারন এই দুইটির বৈশিষ্ঠ ভিন্ন ভিন্ন।এই ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট সৃষ্টি হওয়া মানে অবশ্যই সৃষ্টিকর্তা আছেন।

শুক্রানু এবং ডিম্বানুর মিলন

এটিও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে একটি জটিল এবং কঠিন প্রক্রিয়া,যা কোনো সৃষ্টিকর্তার অদৃশ্য হাত ব্যাতিত ঘটে যাওয়া সম্ভব নয়।
কেন ঘটে যাওয়া সম্ভব নয়?
সূরা আল ওয়াকিয়াতে আল্লাহ রব্বুল কারীম বলেন,বাংলা অর্থ," তোমরা যে বীর্য স্ত্রীর গর্ভে নিক্ষেপ করো,তা থেকে কি তোমরাই মানুষ বানাও নাকি আমি মানুষ বানাই।"(সূরা ওয়াকিয়া)


ফ্যালোপিয়ান টিউবে সাধারণত শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে নিষেক ঘটে। এরপর সৃষ্ট জাইগোট কোষ বিভাজন করতে করতে জরায়ুর দিকে অগ্রসর হয় এবং পরবর্তীতে জরায়ুর আস্তরণে স্থাপিত হয়।

।শুক্রানু এবং ডিম্বানুর মোট ৪৬ টি ক্রোমোজম দিয়েই মানুষের প্রাথমিক কোষ বা ভ্রূণ সৃষ্টি করা হয়।তারপর কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অঙ্গ প্রত্যাঙ্গ সৃষ্টি হতে থাকে এবং বড় হতে থাকে।ডি এন এ মূলত পুরো শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।শারীরিক আকৃতি প্রকৃতি কেমন হবে,কতটুকু লম্বা হবে। গঠন কেমন হবে এগুলো ডিএনএ তে লেখা থাকে।





মাতৃগর্ভে শিশুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিশ্লেষন:
এখানে বিশ্লেষন করা হবে,যথাক্রমে—
১।মস্তিষ্ক,২।চোখ,৩।কান,৪।মুখ এবং ঠোঁট,৫।নাক,৬।থুতনি এবং গলা।
৭।হৃদয় বা হার্ট। ৮।ফুসফুস। ৯।রক্ত।এবং রক্ত নালী।১০।যকৃত বা লিভার,১১।জননাঙ্গ।১২।দুই হাত,এবং দুই পা।১৩।নখ এবং চুল।

পাঠ ১.১
স্তন্যপায়ী,পাখী, জলজ,এবং উভচর প্রানী:

স্তন্যপায়ী প্রানী:
তারপর দেখো পৃথিবীতে রয়েছে অসংখ্য জাত প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রানী।
স্তন্যপায়ী প্রানীদের বৈশিষ্ট্য:
১।এরা বাচ্চাকে দুধ পান করিয়ে বড় করে।
২।অন্যান্য প্রানীদের থেকে এরা তুলনামূলক বেশি বুদ্ধিমান হয়।
৩।তুলনামূলক উন্নতমানের খাবার ভক্ষন করে।
৪।কোনো কোনো স্তন্যপায়ী প্রানী খুবই হিংস্র হয়,আবার কেউ কেউ অত্যন্ত নমনীয় হয়।
৫।তুলনামূলক শক্তিশালী হয়ে থাকে।

কিছু স্তন্যপায়ী প্রানীর উদাহরণ:
১।মানুষ,২।হাতি,৩।বাঘ,৪।হরিণ,৫।খরগোশ।

১।মানুষ :পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রানীগুলোর একটি।মানুষ মূলত অন্যান্য সমস্ত প্রানীদের উপর রাজত্ব চালায়।পুরো পৃথিবীতে মানুষেরই রাজত্ব চলছে।

২।হাতি :হাতি স্থলভাগের সবচেয়ে বড় প্রানী।যেমন জলভাগের সবচেয়ে বড় প্রানী হল নীল তিমি।

৩।বাঘ :স্থলভাগের সবচেয়ে হিংস্রাত্মক প্রানীগুলো একটি হলো বাঘ।এরা অন্য প্রানীদের মাংস ভক্ষন করে বিধায় এদেরকে মাংসাশী প্রানীও বলা হয়।বাঘ বড় বড় বন-জঙ্গলে বসবাস করে।অন্যান্য প্রানীরা এদের ভয়ে আতংকগ্রস্ত থাকে।

৪।হরিণ: হরিণ সবচেয়ে সুন্দর এবং বিনয়ী প্রানীগুলোর একটি।হিংস্রাত্মক এবং মাংসাশী প্রানী বাঘ এবং সিংহের প্রিয় খাবার ও হরিণ।এরা ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকে।খুব দৌড়াতে পারে।এদের জন্য বড় আতংক হল বাঘ,সিংহ,কুমির,হায়না,ইত্যাদি হিংস্র প্রানী।

৫।খরগোশ
সবচেয়ে সুন্দর প্রানীগুলোর একটি।অত্যান্ত চতুর এবং সচেতন প্রানীগুলোর ও একটি হলো খরগোশ।শিকারীকে ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে যেতে পারে।



পাঠ ১.২
জলজ প্রানী:

পৃথিবীর প্রায় ৪/৩ ভাগ পানি।সুতরাং স্থলভাগের প্রানীদের চেয়ে জলজ প্রানীদের সংখ্যা বেশি।সৌন্দর্য,বৈচিত্র,এবং বিশালতায় ও জলজ প্রানীরা অগ্রগামী।
সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো পানিতেও স্তন্যপায়ী প্রানী রয়েছে যারা ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস প্রশ্বাস কার্যক্রম পরিচালনা করে।এরা পানির উপরে উঠে শ্বাস গ্রহন করে এবং ডুব দিয়ে অনেক্ষন পানির নিচে থাকতে পারে।

কিছু জলজ প্রানীর উদাহরন:
১।মাছ,২।ডলফিন,৩।তিমি,৪।কাকড়া,শামুক,ঝিনুক,৫।ফাইটোপ্ল্যাংটন।

১।মাছ
মাছ হলো পানির প্রধান প্রানী।মানুষের জন্য পানির মাছ হালাল।হাজার হাজার প্রজাতির মাছ রয়েছে,এবং প্রতিটি আলাদা প্রজাতির মাছের রয়েছে আলাদা এবং একক বৈশিষ্ট্য।



সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪


সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪


পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫১

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !



পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫২

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

সমাজে যখন অপরাধ বাড়ে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়, সন্তান বাবা-মাকে সম্মান করে না, মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারায়, দুর্নীতি-প্রতারণা-সহিংসতা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে- তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×