somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সুলাইমান হোসেন
পাওয়ার আনন্দের চেয়ে না পাওয়ার কষ্ট আমার নিকট বেশি মূল্যাবান।ব্যাথিত এবং ভাঙা দিলের উপর আল্লাহর নূর এবং তাজাল্লী বর্ষিত হয়।জাহান্নামিদেরকে জাহান্নামে এবং জান্নাতিদেরকে জান্নাতে দেখার পরেও অন্তরে ভাবান্তর না হওয়া প্রকৃত তাওয়াক্কুল

হাকিক্বতুল মায়ারিফ পর্ব ৪ (প্রানীকূলের বিস্ময়)

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাকিক্বতুল মায়ারিফ :পর্ব —০৪

প্রানীকূল:আল্লাহর ক্ষমতার উজ্জল নিদর্শন সমূহ

(বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয় নু সল্লি আলা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লিম তাছলিমা।)

(সতর্কতা:আমি সাধারনত আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন প্রত্যাক্ষ করার জন্য এগুলো লিখছি।ভুল-ভ্রান্তি থাকতে পারে,যা কোনো সুহৃদয় পাঠক ধরিয়ে দিলে আমি সুদরিয়ে নিবো,এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞ হবো)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,"ইন্না ফি খলকিছ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি,ওয়াখ তিলা ফিল লাইলি ওয়ান নাহারী লা-আয়াতিল্লি উলিল আলবাব।
অর্থ:নিশ্চই আসমান এবং জমিন সৃষ্টির মধ্যে,রাত এবং দিনের পরিবর্তনের মধ্যে নিদর্শন রয়েছে প্রত্যেক বুদ্ধিমান জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য।

নিদর্শন বলতে আল্লাহর সত্যতা, ক্ষমতা,এবং কুদরতের নিদর্শনসমূহ রয়েছে,অন্তরদৃষ্টি আছে এমন ব্যাক্তিদের জন্য।

যাদের অন্তরদৃষ্টি নেই জ্ঞান নেই তাদেরকে যতই নিদর্শন দেখানো হোকনা কেন,তারা মানবেনা।বিশ্বাস ও করতে পারবেনা।

আমরা প্রানীকূলের বিস্ময় নিয়ে লিখছিলাম।প্রথমে আমরা স্থলভাগের প্রানীদেরকে নিয়ে লিখব,তারপর সমুদ্রের প্রানী এবং তাদের জীবন-যাপন এবং বৈচিত্র নিয়ে লিখব।

শুরুতেই বলে রাখা প্রয়োজন এই পুরো মহা বিশ্ব কোনো কাকতালীয় বস্তু নয়,আর ইহা এমন কোনো বস্তু নয় যা এমনি এমনি হয়ে গিয়েছে।নিশ্চই এই মহা বিশ্বের পেছনে একজন সৃষ্টিকর্তার হাত রয়েছে।যার সম্পর্কে কেউই জানতে পারেনা যতক্ষন না তিনি তার সম্পর্কে কোনো জ্ঞান দেন।

তার সত্তা এমন যে সেই জ্ঞান আয়ত্ব করার সাধ্য কারো নেই।আল্লাহর যাতে পাক,বা সত্তা সম্পর্কে জ্ঞান লাভের জন্য অনেক বড় বড় সাধক অনেক বড় বড় সাধনা করেও কিছু জানতে পারেন নি যৎকিঞ্চিত ব্যাতিত।বড় বড় সাধকদের একজন হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।যিনি আল্লাহর সত্তা বা যাতে পাক সম্পর্কে যৎকিঞ্চিত লিখেছেন তার কিমিয়ায়ে সায়াদাতের তত্ত্বদর্শন অধ্যায়ে।আমরা এই বিষয়ে পরে আলোচনা করব।

প্রথমে আমরা স্থলভগের অগনিত প্রানীদের মধ্যে থেকে অল্প কিছু প্রানী নিয়ে আলোচনা করব।স্থলভাগের সবচেয়ে বড়ো প্রানী মানুষ নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা হয়েছে ১ম এবং ৩য় পর্বে।এই পর্বে আমরা আরো যেসকল প্রারী নিয়ে আলোচনা করতে পারি তারা হলেন,
বাঘ,হাতি,ঘোড়া, ব্যাঙ,পিঁপড়া,সাপ,পাখী ইত্যাদি

এদের মধ্যে কেউ কেউ চার পায়ে ভর দিয়ে চলে,যেমন বাঘ,ঘোড়া, হাতি।কারো কারো রয়েছে ছয়টি পা।যেমন পিঁপড়ে।আবার কারো কোনো পা নেই, যেমন, সাপ,কেঁচো ইত্যাদি।

বাঘ এবং সিংহ:

এই প্রানীগুলো গভীর জঙ্গলে বসবাস করে।এরা সাধারনত আক্রমনাত্মক এবং হিংস্রাত্মক হয়ে থাকে।অন্য প্রানীদের মাংস ভক্ষন করে বিধায় এদেরকে মাংশাসি প্রানী বলা হয়।

শের: লেখককে না দেখলেও লেখকের অস্তিত্ব যেমন আছে,
আয় আল্লাহ।আপনাকে না দেখলেও আপনার অস্তিত্ব তেমনই আছে।
লেখকের প্রমান মিলে তার লেখার কালিতে,
আর আল্লাহর প্রমান মিলে এই বিস্ময়কর সৃষ্টিতে।

বাঘ এবং সিংহ ভিন্ন জাতের প্রানী।বাঘ এবং সিংহকে বনের রাজা বলা হয়।এরা সাধারনত বন্য গরু,হরিণ ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকে।

এদের ক্ষতি থেকে নিরাপদ প্রানীদের মধ্যে রয়েছে,এদেরই সমজাতি, পাখী,এবং যেসকল প্রানী এদের খাদ্য নয় তারা।

বাঘের জীবনকাল:

বাঘের জীবনকাল অন্যান্য প্রানীদের তুলনায় অনেক কম।তারা সাধারনত ১০ থেকে ১৫ বছর বাঁচে।স্ত্রী বাঘ ৩/৪ বছরে এবং পুরুষ বাঘ ৪/৫ বছরে প্রজনন ক্ষমতা লাভ করে।স্ত্রী বাঘ সাধারনত ৩/৪ টি বাচ্চা একসাথে প্রসব করতে পারে,একসাথে বলতে একটির পর একটি ধাপে ধাপে।

শিকার:

বাঘ সাধারনত,বন্য গরু,মহিষ,হরিণ ইত্যাদি খায়,এরা মাংশাসি প্রানী।মানুষ বাঘের খাবার নয়,তবে কিছু বাঘ মানুষকে আক্রমন করতে পারে।বিশেষকরে আমাদের বাংলাদেশের সুন্দরবন অঞ্চলের কিছু বাঘ।

সিংহ

সিংহকে বনের বাদশা বলা হয়।বহু দূর থেকে সিংহের গর্জন শোনা যায়

বাঘ এবং সিংহ বড়বিড়াল জাতীয় প্রানী।সিংহের গর্জন ৫-৮ মাইল দূর থেকেও শোনা যায়।
বাঘ একাকী জীবনযাপন করে কিন্তু সিংহ দলবদ্ধভাবে জীবনযাপন করে।

সিংহের হায়াত

একটি স্ত্রী সিংহ প্রায় ১৬ বছর হায়াত পায়,আর পুরুষ সিংহের হায়াত একটু কম।তারা ১২ বছর বাঁচে।

(সিংহ সম্পর্কে চ্যাট জিপিটি থেকে কিছু তথ্য সংযোজিত হলো)

সিংহ সম্পর্কে বিস্ময়কর তথ্য

১. জীবনকাল
বন্য পরিবেশে সিংহ সাধারণত প্রায় ১০–১৬ বছর বাঁচে।
মানুষের পরিচর্যায় ১৬–২০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে পারে।

২. প্রজনন
স্ত্রী সিংহের গর্ভধারণকাল প্রায় ১১০ দিন বা সাড়ে ৩ মাস।
একবারে সাধারণত ১–৪টি শাবক জন্ম নেয়।
শাবক জন্মের সময় খুব ছোট ও অসহায় থাকে।
প্রায় ৩ মাস বয়স থেকে মাংস খেতে শুরু করে এবং প্রায় ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করে।

৩. সিংহের খাদ্য
সিংহ মাংসাশী প্রাণী।
প্রধান খাদ্য:
জেব্রা, উইল্ডবিস্ট, মহিষ, হরিণজাতীয় প্রাণী এবং অন্যান্য মাঝারি ও বড় স্তন্যপায়ী প্রাণী।
খাদ্যের অভাব হলে অপেক্ষাকৃত ছোট প্রাণীও শিকার করে।

৪. সিংহ দলবদ্ধ প্রাণী
বাঘ সাধারণত একাকী জীবনযাপন করলেও সিংহ সামাজিক প্রাণী।
সিংহের দলকে "Pride" বলা হয়।
একটি Pride-এ একাধিক স্ত্রী সিংহ, কয়েকটি পুরুষ সিংহ এবং তাদের শাবক থাকতে পারে।

৫. স্ত্রী সিংহই প্রধান শিকারি
সিংহের দলে সাধারণত স্ত্রী সিংহেরা প্রধান শিকারি হিসেবে কাজ করে।
তারা দলবদ্ধভাবে শিকারকে ঘিরে ফেলে এবং সমন্বিতভাবে আক্রমণ করে।
তবে পুরুষ সিংহও শিকারে অংশ নেয়।

৬. পুরুষ সিংহের কেশর
পুরুষ সিংহের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য তার কেশর।
কেশরের আকার ও রং বয়স, জেনেটিক বৈশিষ্ট্য এবং হরমোনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
কেশর অন্য পুরুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক অবস্থান প্রকাশের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে।

৭. সিংহের গর্জন
সিংহের গর্জন প্রায় ৮ কিলোমিটার বা ৫ মাইল দূর থেকেও শোনা যেতে পারে।
গর্জনের মাধ্যমে সিংহ তার অবস্থান, এলাকা এবং উপস্থিতির সংকেত দিতে পারে।
এটি সিংহদের যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

৮. বড় ও শক্তিশালী প্রাণী শিকার
সিংহ সাধারণত জেব্রা ও উইল্ডবিস্টের মতো প্রাণী শিকার করে।
দলবদ্ধ হলে তারা অত্যন্ত শক্তিশালী মহিষের মতো প্রাণীকেও আক্রমণ করতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে সিংহের দল হাতির বাচ্চাকেও শিকার করেছে।

৯. শাবকদের যত্ন
একটি Pride-এর স্ত্রী সিংহেরা অনেক সময় পরস্পরের শাবকদের দেখাশোনায় সহযোগিতা করে।
এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি মা অন্য মায়ের শাবককেও দুধ পান করাতে পারে।

১০. পুরুষ সিংহের দল পরিবর্তন
তরুণ পুরুষ সিংহ বড় হওয়ার পর সাধারণত জন্মদল ছেড়ে বেরিয়ে যায়।
তারা অন্য পুরুষ সিংহের সঙ্গে জোট গঠন করতে পারে।
পরবর্তীতে কোনো Pride-এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য অন্য পুরুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে।

১১. সিংহ ও বাঘের পার্থক্য
বাঘ সাধারণত একাকী জীবনযাপন করে।
সিংহ সাধারণত দলবদ্ধভাবে জীবনযাপন করে।
বাঘ একা শিকার করতে অত্যন্ত দক্ষ।
সিংহ দলবদ্ধভাবে সমন্বিত শিকারে বিশেষ দক্ষ।

১২. সিংহের আবাসস্থল
বর্তমানে বন্য সিংহ প্রধানত আফ্রিকায় পাওয়া যায়।
এছাড়া ভারতের গির অরণ্যে এশীয় সিংহের একটি বন্য জনসংখ্যা রয়েছে।

১৩. সিংহের বৈজ্ঞানিক নাম
সিংহের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera leo।

১৪. সিংহের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য
সিংহ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সামাজিক বড় বিড়ালজাতীয় প্রাণী।
একটি Pride-এর সদস্যরা শিকার, শাবক প্রতিপালন, এলাকা রক্ষা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে পরস্পরের ওপর নির্ভর করে।

১৫. একটি বিস্ময়কর বৈপরীত্য
বাঘ ও সিংহ উভয়েই শক্তিশালী শিকারি।
কিন্তু তাদের জীবনযাপনের ধরন সম্পূর্ণ ভিন্ন—
বাঘের শক্তির সঙ্গে একাকিত্ব ও নিঃশব্দ শিকার,
আর সিংহের শক্তির সঙ্গে দলবদ্ধতা ও সহযোগিতা জড়িয়ে আছে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪


সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪


পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫১

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !



পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫২

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

সমাজে যখন অপরাধ বাড়ে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়, সন্তান বাবা-মাকে সম্মান করে না, মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারায়, দুর্নীতি-প্রতারণা-সহিংসতা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে- তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×