somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইয়াবার ভয়াবহতায় হারিয়ে যাচ্ছি আমরা ! কবে নজর দেব ? সব শেষ হয়ে গেলে ?

০১ লা জুন, ২০১২ রাত ১২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


টিনএজ ছেলেমেয়ে এখন ইয়াবা আগ্রাসনের শিকার। জানা যায় ডাক্তার, প্রকৌশলী তরুণ ব্যাংকার ও ব্যবসায়ীদের কাছেও ইয়াবা ভীষণ প্রিয়। এই উত্তেজক দ্রব্য শরীরে আনে পরিবর্তন, মন করে অস্থির, যার ফলে সামাজিক অবক্ষয় প্রকট আকার ধারণ করেছে।বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যানুযায়ী ঢাকার প্রতি ওয়ার্ডে ২০০'র বেশি ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে।ঢাকা মহানগরীতে প্রতিদিন নাকি ইয়াবার চাহিদা ১৪ লাখ।

ইয়াবার আনন্দ আর উত্তেজনা আসক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে ভুলিয়ে দেয় জীবনের সব যন্ত্রণা। তারা বাস করে স্বপ্নের এক জগতে। ইয়াবার প্রচ- উত্তেজক ক্ষমতা আছে বলে যৌন-উত্তেজক হিসেবে অনেকে ব্যবহার করে এটি। ক্ষুধা কমিয়ে দেয় বলে সিস্নম হওয়ার ওষুধ হিসেবে অনেকে শুরু করে ইয়াবা সেবন। কিন্তু এই সব সাময়িক - আর এক ক্ষতি এক সময় ফুসফুস, কিডনি বিকল হতে হতে শরীর অকার্যকর হয়ে ধাবিত হয় মৃত্যুর দিকে।

ইয়াবা থাই শব্দ; অর্থ পাগলা ওষুধ। অনেকে একে বলে 'ক্রেজি মেডিসিন'। অনেকের কাছে তা নাজি স্পিড বা শুধু স্পিড। ১৯৭০ এ থাইল্যান্ডে ইয়াবা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হতো, কিন্তু দেখা গেল এটা বিরাট ভুল । '৯০-এর দশকের শেষ দিকে থাইল্যান্ডের তরুণ-তরুণীদের কাছে ইয়াবা সিগারেট বা চুইংগামের মতো সস্তা ছিল। থাই সরকার ইয়াবাকে দেশটির উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ।

ঢাকায় তিন ধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়। প্রথম ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেটের বেশির ভাগ সবুজ বা গোলাপি রঙের হয়। এর গন্ধ অনেকটা বিস্কুটের মতো হয়ে থাকে। দ্বিতীয় ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু এটিও নেশাসৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। তৃতীয় ধরনের ট্যাবলেটি আরও সস্তা এবং নেশায় আসক্তদের নিকট এটি ভেজাল বলে পরিচিত। উচ্চমানের ইয়াবাকে 'পিল' ও নিম্নমানের ইয়াবাকে 'চিতা' বলা হয়।

মরণের কাছে যেতে এই যেন এক অভিলাস যা শুরু হয় ক্ষনিকের অন্ধের নীল হাতছানিতে , আর শেষ হয় করুন ভাবে ।

একবার ইয়াবা নেয়ার কয়েক ঘণ্টা বা নির্দিষ্ট সময় পর আবার না নিলে শরীরে ও মনে নানা উপসর্গ দেখা দেয়, ফলে বাধ্য হয়ে আসক্ত ব্যক্তিরা আবার ফিরে যায় নেশার জগতে। রাত কাটে নির্ঘুম, ইয়াবা প্রতিক্রিয়ায় টানা ৭ থেকে ১০ দিনও জেগে থাকতে বাধ্য হয় অনেকে। শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়তে থাকে, মেজাজ হয় খিটখিটে, গলা-মুখ শুকিয়ে আসতে থাকে অনবরত। প্রচ- ঘাম আর গরমের অসহ্য অনুভূতি বাড়তে থাকে। বাড়ে নাড়ির গতি, রক্তচাপ, দেহের তাপমাত্রা আর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি। দীর্ঘদিনের আসক্ত ব্যক্তিরা উচ্চরক্তচাপের রোগীই হয়ে পড়ে। মস্তিষ্কের ভেতরকার ছোট রক্তনালিগুলো ক্ষয় হতে থাকে এগুলো ছিঁড়ে অনেকের রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়, মানসিক নানা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়, এমন কি বদ্ধ পাগল হয়ে যায়। পড়াশোনা, কর্মক্ষেত্র বা পারিবারিক জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ে। সব ক্ষেত্রে ব্যর্থতা বা পিছিয়ে পড়তে থাকায় আসক্ত ব্যক্তিরা বিষণ্নতায় আক্রান্ত হয়। কারও কারও মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়। দৃষ্টিবিভ্রম, সামাজিক রুচিশীলতা হারিয়ে ফেলে , শ্রুতিবিভ্রম আর অস্বাভাবিক সন্দেহ প্রভৃতি উপসর্গ থেকে একসময় সিজোফ্রেনিয়ার মতো জটিল মানসিক ব্যাধিও দেখা দেয়।

আর যারা সিরিঞ্জের মাধ্যমে দেহে ইয়াবা প্রবেশ করায়, তারা হেপাটাইটিস বি,সি ও এইডসের মতো মারাত্মক রক্তবাহিত রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয় । বেশি পরিমাণে নেয়া ইয়াবা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কার্যক্রমের ব্যত্যয় ঘটিয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনে । ইয়াবা শুধু শরীরের ক্ষতি সাধন করেই ক্ষান্ত হয় না। চড়া দামে নিয়মিত কেনার টাকা না পেয়ে ইয়াবাসেবীরা খুন-অপহরণ, হত্যা, ছিনতাই, ধর্ষণ, গুম, চুরি-ডাকাতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, পরিবাবের সব কিছু শেষ করে ফেলে । ফলে পারিবারিক শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হয়। ইয়াবা গ্রহণের কারণে অনেক নারীর সংসার ভেঙে গেছে, অনেকে এখন রাস্তার যাযাবর । অনেকে সুন্দর জীবন ছেড়ে নীল জগৎ বেছে নিয়েছে। পড়ালেখা ছেড়ে জড়িয়ে পড়েছে অপরাধে।তাদের কারণে বিলীন হয়ে যাচ্ছে অনেক মেধা আর সাজানো স্বপ্ন -- টিনএজ ছেলেমেয়ে এখন ইয়াবা আগ্রাসনের শিকার। জানা যায় ডাক্তার, প্রকৌশলী তরুণ ব্যাংকার ও ব্যবসায়ীদের কাছেও ইয়াবা ভীষণ প্রিয়। এই উত্তেজক দ্রব্য শরীরে আনে পরিবর্তন, মন করে অস্থির, যার ফলে সামাজিক অবক্ষয় প্রকট আকার ধারণ করেছে।বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যানুযায়ী ঢাকার প্রতি ওয়ার্ডে ২০০'র বেশি ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে।ঢাকা মহানগরীতে প্রতিদিন নাকি ইয়াবার চাহিদা ১৪ লাখ।

ইয়াবার আনন্দ আর উত্তেজনা আসক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে ভুলিয়ে দেয় জীবনের সব যন্ত্রণা। তারা বাস করে স্বপ্নের এক জগতে। ইয়াবার প্রচ- উত্তেজক ক্ষমতা আছে বলে যৌন-উত্তেজক হিসেবে অনেকে ব্যবহার করে এটি। ক্ষুধা কমিয়ে দেয় বলে সিস্নম হওয়ার ওষুধ হিসেবে অনেকে শুরু করে ইয়াবা সেবন। কিন্তু এই সব সাময়িক - আর এক ক্ষতি এক সময় ফুসফুস, কিডনি বিকল হতে হতে শরীর অকার্যকর হয়ে ধাবিত হয় মৃত্যুর দিকে।

ইয়াবা থাই শব্দ; অর্থ পাগলা ওষুধ। অনেকে একে বলে 'ক্রেজি মেডিসিন'। অনেকের কাছে তা নাজি স্পিড বা শুধু স্পিড। ১৯৭০ এ থাইল্যান্ডে ইয়াবা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হতো, কিন্তু দেখা গেল এটা বিরাট ভুল । '৯০-এর দশকের শেষ দিকে থাইল্যান্ডের তরুণ-তরুণীদের কাছে ইয়াবা সিগারেট বা চুইংগামের মতো সস্তা ছিল। থাই সরকার ইয়াবাকে দেশটির উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ।

ঢাকায় তিন ধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়। প্রথম ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেটের বেশির ভাগ সবুজ বা গোলাপি রঙের হয়। এর গন্ধ অনেকটা বিস্কুটের মতো হয়ে থাকে। দ্বিতীয় ধরনের ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু এটিও নেশাসৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। তৃতীয় ধরনের ট্যাবলেটি আরও সস্তা এবং নেশায় আসক্তদের নিকট এটি ভেজাল বলে পরিচিত। উচ্চমানের ইয়াবাকে 'পিল' ও নিম্নমানের ইয়াবাকে 'চিতা' বলা হয়।

মরণের কাছে যেতে এই যেন এক অভিলাস যা শুরু হয় ক্ষনিকের অন্ধের নীল হাতছানিতে , আর শেষ হয় করুন ভাবে ।

একবার ইয়াবা নেয়ার কয়েক ঘণ্টা বা নির্দিষ্ট সময় পর আবার না নিলে শরীরে ও মনে নানা উপসর্গ দেখা দেয়, ফলে বাধ্য হয়ে আসক্ত ব্যক্তিরা আবার ফিরে যায় নেশার জগতে। রাত কাটে নির্ঘুম, ইয়াবা প্রতিক্রিয়ায় টানা ৭ থেকে ১০ দিনও জেগে থাকতে বাধ্য হয় অনেকে। শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়তে থাকে, মেজাজ হয় খিটখিটে, গলা-মুখ শুকিয়ে আসতে থাকে অনবরত। প্রচ- ঘাম আর গরমের অসহ্য অনুভূতি বাড়তে থাকে। বাড়ে নাড়ির গতি, রক্তচাপ, দেহের তাপমাত্রা আর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি। দীর্ঘদিনের আসক্ত ব্যক্তিরা উচ্চরক্তচাপের রোগীই হয়ে পড়ে। মস্তিষ্কের ভেতরকার ছোট রক্তনালিগুলো ক্ষয় হতে থাকে এগুলো ছিঁড়ে অনেকের রক্তক্ষরণ শুরু হয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়, মানসিক নানা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়, এমন কি বদ্ধ পাগল হয়ে যায়। পড়াশোনা, কর্মক্ষেত্র বা পারিবারিক জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ে। সব ক্ষেত্রে ব্যর্থতা বা পিছিয়ে পড়তে থাকায় আসক্ত ব্যক্তিরা বিষণ্নতায় আক্রান্ত হয়। কারও কারও মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়। দৃষ্টিবিভ্রম, সামাজিক রুচিশীলতা হারিয়ে ফেলে , শ্রুতিবিভ্রম আর অস্বাভাবিক সন্দেহ প্রভৃতি উপসর্গ থেকে একসময় সিজোফ্রেনিয়ার মতো জটিল মানসিক ব্যাধিও দেখা দেয়। আর যারা সিরিঞ্জের মাধ্যমে দেহে ইয়াবা প্রবেশ করায়, তারা হেপাটাইটিস বি,সি ও এইডসের মতো মারাত্মক রক্তবাহিত রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয় । বেশি পরিমাণে নেয়া ইয়াবা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কার্যক্রমের ব্যত্যয় ঘটিয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনে । ইয়াবা শুধু শরীরের ক্ষতি সাধন করেই ক্ষান্ত হয় না। চড়া দামে নিয়মিত কেনার টাকা না পেয়ে ইয়াবাসেবীরা খুন-অপহরণ, হত্যা, ছিনতাই, ধর্ষণ, গুম, চুরি-ডাকাতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, পরিবাবের সব কিছু শেষ করে ফেলে । ফলে পারিবারিক শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হয়। ইয়াবা গ্রহণের কারণে অনেক নারীর সংসার ভেঙে গেছে, অনেকে এখন রাস্তার যাযাবর । অনেকে সুন্দর জীবন ছেড়ে নীল জগৎ বেছে নিয়েছে। পড়ালেখা ছেড়ে জড়িয়ে পড়েছে অপরাধে।তাদের কারণে বিলীন হয়ে যাচ্ছে অনেক মেধা আর সাজানো স্বপ্ন -- (স্বাম)
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পড়ালেখার গুরুত্ব

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৫



পড়ালেখার গুরুত্ব কি, আর কেনো পড়ালেখা করতে হবে? আমার মনে হয় উত্তর সকলের কম বেশি জানা আছে। কিন্তু আমরা বাস্তবে কি করছি? আমাদের দেশে মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাহিনীটা কী?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৭

কাহিনীটা কী?
বিএনপিকে যারা ২৪ ঘণ্টা অভিশাপ দেয়, গালমন্দ করে, "বিএনপি দেশটা শেষ করে দিয়েছে- আর ছয়মাসও টিকবে না", তারাই আবার বিএনপি কাকে মন্ত্রী বানালো, কাকে উপদেষ্টা করলো- এই হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

জজ মিয়া চিত্রনাট্য নিয়ে নির্মিত হোচ্ছে ভয়ংকর নতুন সিক‍্যুয়াল!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭



বিএনপির পুলিশ এতো করিৎকর্মা যে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে । খুনের তদন্ত করে একেবারে আদালতের রায় সহ রিপোর্ট দিয়ে দেয় ! পৃথিবীর সবচেয়ে আপগ্রেডেড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন শিলং সালাউদ্দিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কালবেলার মুগ্ধতা থেকে নবকুমারের গ্ল্যামার দুনিয়ায়

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০



সমরেশ মজুমদার আমার বরাবরই প্রিয় লেখকদের একজন। কৈশোর আর যৌবনের এক বড় অংশ জুড়ে তিনি ছিলেন আমার মনোজগতে। বই কিনে পড়া, পাড়ার লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকার যদি ৩% হারে লোন দেয় দেশের প্রতিটি বাড়ীর ছাতে সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করলে বিদ্যুের কস্টের অনেকটাই কিছুটা সমাধান হইতে পারে।

লিখেছেন নতুন, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:০৬


দেশে বর্তমানে Net Metering Guideline–2025 অনুযায়ী অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া যায় এবং তা বিলের সঙ্গে সমন্বয় হয়। এটা খুবই ভালো একটা ব্যবস্থা, সরকারের উচিত এটাকে আরো উতসাহিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×