মৃত সাগরে নগ্ন প্রাণের পরশ
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১০০০ নগ্ন প্রাণের পরশে হঠাৎ মৃত সাগর যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। হয়ে উঠেছিল চঞ্চল উচ্ছল। শনিবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই মৃত সাগরে মার্কিন ফটোগ্রাফার স্পেনসার টুনিক আয়োজন করেছিলেন ছবি তোলার। আর এতে একেবারে নগ্ন অবস্থায় অংশ নিয়েছেন ১৮ থেকে ৭৭ বছর বয়সী ১০০০ ইসরাইলি। মধ্যপ্রাচ্যে স্পেনসারের এটা প্রথম উদ্যোগ হলেও ১৯৯২ সাল থেকে তিনি সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ এবং সিডনির অপেরা হাউস থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ফ্রান্স, বৃটেন, স্পেন, হল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াতে এ ধরনের ছবি তুলেছেন। আগামী নভেম্বরে বিশ্বের সাত প্রাকৃতি আশ্চর্যে মৃত সাগরের ভোট বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই ইসরাইলিরা এতে অংশ নিয়েছে বলে এএফপি জানিয়েছে। স্পেনসার অবশ্য মনে করছেন, নগ্নতার প্রতিচ্ছবির মাধ্যমে একটা দেশ কতটা খোলামেলা সেটা বোঝা যায়। কট্টরপন্থি ইহুদি রাজনীতিবিদরা স্পেনসারের এ ধরনের কাজের প্রতিবাদ জানিয়ে জনগণকে নগ্ন করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। ছবি তোলার আগেই ওই এলাকার স্থানীয় কাউন্সিলের প্রধান এ উদ্যোগ ভণ্ডুল করার জন্য পুলিশ ডাকার হুমকি দিয়েছিলেন। এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত এবারের ছবি তোলার স্থান গোপন রাখা হয়েছিল। তাই মৃত সাগরের সৈকতে দুই ঘণ্টার ওই ফটোসেশন শেষ করতে স্পেনসারকে কোন সমস্যাই মোকাবিলা করতে হয়নি। ছবি তোলার এ আয়োজনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক ইসরাইলিরা রাত একটা থেকেই সৈকতে আসতে শুরু করেন। কিন্তু স্পেনসারের কড়া নির্দেশ ছিল সূর্য ওঠার আগে যেন কেই পানিতে পা না ভেজায়। তাই সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পেনসারের নির্দেশ অনুযায়ী ১০০০ নগ্ন ইসরাইলি নেমে পড়েন মৃত সাগরের লোনা জলে। মৃত সাগরে ভাসমান অবস্থায় স্পেনসার ১০০০ নগ্ন ইসরাইলির ছবি তোলার মাধ্যমে তিনি প্রথম ছবির কাজ শেষ করেন। দ্বিতীয় ছবিতে নগ্ন অবস্থাতে সবাইকে একটি হ্রদের পাশে অবস্থান নিতে বলা হয়েছিল। আর তৃতীয় ছবির জন্য নগ্ন অবস্থায় সবাইকে গায়ে কাদা মেখে ছবির জন্য প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এ ছবি তোলার সময় সারা বিশ্বের সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট দূরে অবস্থান করে বিষয়টি দেখার সুযোগ পেয়েছেন। স্পেনসার মনে করেন, মধ্যপ্রচ্যে ইসরাইলই হচ্ছে একমাত্র দেশ যেখানকার জনগণ এ ধরনের ছবি তোলার জন্য স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে অংশ নেয়ার মতো সাহস রাখেন। তিনি বলেছেন, এক্ষেত্রে তিনি একক স্বীকৃতির দাবি করতে চাইছেন না। তিনি কেবল বিখ্যাত ইসরাইলি শিল্পীদের পথ অনুসরণ করছেন। এর আগে ২০০৭ সালে মেক্সিকোতে তিনি ১৮০০০ মানুষকে নগ্ন অবস্থায় ছবি তোলার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তার এহেন উদ্যোগের কারণে কর্তৃপক্ষও বেশ বিব্রত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এর প্রমাণ হিসেবে নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রেই তাকে সাতবার গ্রেপ্তার হতে হয়েছে।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জিন্নাহর সেই ভাষণ সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”...
...বাকিটুকু পড়ুন
মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”
গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।...
...বাকিটুকু পড়ুন
নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,...
...বাকিটুকু পড়ুন
লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি...
...বাকিটুকু পড়ুন
প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা
“শরাব পিনে দে”হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।
সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি...
...বাকিটুকু পড়ুন