somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রূপালী রোদে দুপরে

১১ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আকাশে সূর্যতার ঝকঝকে আলো দিচ্ছে,সোঁনালী রোদের অপরুন্ত দুপরে দাড়িয়ে আছে রফিক নদীর পাশ্বে তার পাশ্বেই ছিল সবুজ ধানের মাঠের উপরে সারা ,মাঠ, ,ঘাট,সোনালী রোদের দিনের দুপুর বেলা সূর্যের আলোয় দক্ষীনা বাতাঁসে ধানের ক্ষেত নদীর ডেউ সব মিলীয়ে ভালই উপবোগ করতেছিল রফিক । এমনি সময় দেখা যাচ্ছে নদী ও পার থেকে কে যেন নৌকা বেয়ে আসছে এ পাশ্বে একটু এগীয়ে যেয়ে রফিক দেখল সে আর কেউ না তারই
পুরন বন্ধু জহির ।জহিরকে দেখে মনতা অনেক আনন্দে ভরে গেল এবং মনতা অনেক বড় হয়ে গেল।দেশ বিদেশ গুরতে কাজে ব্যস্ত থাকায় কার সাথে তেমন কোন যোগাযোগ করা হয়না ।
সবার কাছে মোবাইল ফোন না থাকায় কার সাথে ফোনে কোন আলাপ হয়ে উঠেনী । দেশে ফিরেছি গত কয়েক দিন হয়েছে কিনতু এখন কোন সমবয়সী ও ছোট বেলার কোন বন্ধুর সাথে দেখা হয় নাই । আজই প্রথম দেখা হল জহিরের সাথে ।গুরতে মন হয়ে উঠেছে উতালা কতদিন আসিনি দেশে তাই সকল কাছের আপন মানুষ গুল হয়ে গেছে যেন অনেক দূরের পর মানুষ ।
তাই অনেক দিন পরে দেখা হওয়ার কারনে জহির আমাকে দেখে নৌকা থেকে নেমে এসে আরে রফিক বন্ধু বলে সেইযে গলায় হাত দিয়ে কান্না কোন ভাবে দুজনের কান্না থামছিল না পরে অনেক কান্নার পরে জহির রফিককে প্রশ্ন করল কখন এসেসিছ রফিক বল্ল
এইত গত কয়েক দিন হয়েছে এবার কিছু দিন থাকবী নাকী রফিক নারে বন্ধু বেশি দিনের ছুটি পাইনী । তা কতদিনের ছুটি নিয়ে এলি প্রায় এক যুগ পরে এলি দেশে । রফিক এইত এক মাসের ছুটি নিয়ে এসেছি রফিক জহির দুই বন্ধুর কথার মাঝেই জহিরে ফোন বেজে উঠল জহির ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে এ আর অন্য কেউ নয় এ হল জহিরের প্রাণ প্রিয়তমা শিউলী । জহির শিউলীর নাম্বার দেখে চিন্তায় পরে গেল ফোনটা রিসিভ করব না করব না কারন এত দিন পরে রফিকের সাথে দেখা হয়েছে তাকে ছেরে কোন ভাবেই যাবো না । রফিক এরই মাঝে জহিরকে বল্ল কিরে বন্ধু ফোন কে করেছে বাড়ী থেকে না তোদের দোকান থেকে ফোনটা রিসিভ কর ।জহির বলছে রফিককে নারে বন্ধু বাসা থেকেউ না দোকান থেকেউ না বাসাথেকে হলে মাকে তোর কথা বল্ললে মা অনেক খুশি হবেন । আর যদি দোকান থেকে ফোন করত বাবা তাহলে বাবা কে তোর কথা বললে প্রথমে একটু রাগনীয় ভাবে বলত ওর সাথে কি করছিছ এখনই দোকানে আয় পরে আবার বাবায় বলত আসার সময় পাজীতাকে সাথে করে নিয়ে আসবি দুপরে তিনজন মিলে একসাথেদুপরের খাবার খাবো । কিনতু এ ফোন বাবা দেয় নাই বাড়ী মাউ দেয়নী । কিনতু ফোন দিয়েছে শিউলী সে কিরে শিউলীটা কে কতদিন যাবতরে কেনরে রফিক
আমাদের চেয়ার ম্যন চাচার ছোট মেয়ে শিউলীর কথা তোর মনে নাই ও সে পিচ্চি শিউলী ।ওরে রফিক সে শিউলীই তবে সে এখন আর পিচ্চি নাই দিনের সাথে ও বয়সের সাথে পাল্লা দিয়ে সেউ এখন অনেক বড় হয়ে গেছে তুই চলে গেলী দেশ ছেড়ে আমি ও একা হয়ে গেলাম কারন তুইত জানিচ্ছ তুই ছারা আর কার সাথে তেমন মিছিনী তুই ছিলী আমার সব থেকে কাছের বন্ধু ।
তুই চলে যাউয়ার পরেই একদিন হঠাৎ করে শিউলীর সাথে কলেজের বারিন্দায় দেখা হল তার পরে কথায় কথায় শিউলী পরিচয় জানলাম । দেখলাম শিউলী আমাদের পাশ্বের গ্রামের সেই ছোট শিউলী কিনতু সে এখন আর ছোট নাই সে এখন অনেক বড়
হয়েছে । আর এভাবেই তার সাথে সময়ের তালে তালে প্রেম সম্পর্ক হয়ে উঠেছে । অবশ্য তোর কথা শিউলীকে আগেই বলে ছিলাম । জহির তাহলে ফোন রিসিভ করে শিউলীকে আসতে বল।
আচ্ছা ঠিক আছে বলতিছি । জহির ফোন রিসিভ করে হ্যলো শিউলী তুমি কোথাই শিউলী রাগন্য সুরে বলছে জহিরকে এই তোমার ফোন রিসিভ করার সময় হল জহির বলছে প্লীজ রাগ করনা লক্ষী তোমাকে আমার ছোট বেলার বন্ধু রফিকের কথা বলেছিলাম সে গত কয়েক দিন হয়েছে দেশে ফিরেছে আজই তার সাথে দেখা হল তাই তার সাথে আছি তুমিও এসো বিকেলে নদীর পারে তিন জন মিলে আড্ডা দিব । শিউলী বল্ল ঠিক আছে বিকেলে আসবো । কথায় কথায় দুপুর হয়ে গেল এরই মধ্যে জহিরের বাসা থেকে ফোন এল জহির ফোন রিসিভ করে ওর মাকে বল্ল মা রফিক আছে আমার সাথে ও আজ দুপরে আমাদের বাসায় খাবে মা
বলল ঠিক আছে রফিককে সাথে করে নিয়ে চলে আয় দুপর হয়ে গেছে জহির বলল ঠিক আছে মা ।
আবডেডে পরের অংশ দেখুন আগামী কালকে ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:৫২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×