বিয়ের প্রথম দু বছর ভালই মিল ছিল স্বামী স্ত্রী দুজনের মধ্যে । দুজনের সংসারও ভালো চলতেছিল । দু বছরের মাথায় তাদের প্রথম সন্তান মেয়ে হলো । তার পরেও কিছু দিন দুজনের মধ্যে ভালো মিল ছিল। বিয়ের তিন বছরের মাথায় হঠাৎ করে কি যে হলো ! দুজনের মধ্যে ফাটল ধরতে শুরু করলো । কিছু থেকে কিছু হলে কথা কাটাকাটি আর ঝগড়া মারামারি ছাড়া যেন একটি দিন তাদের কাটেনা । কিছু দিন এভাবে চলতে চলতে আবার ঠিক হয়ে গেল আর এই ঠিক হওয়ার মধ্যে বিয়ের ছয় বছর পার হয়ে গেল । বিয়ের ছয় বছরের মাথায় তাদের ঘরে দৃত্বিয় মেয়েটি হলো । আর দৃত্বিয় মেয়েটি হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই সংসারে আবারো সেই অশান্তির আগুন লাগলো ।
স্বামী স্ত্রীকে সৈর্য্য করতে পারে না । স্ত্রীও স্বামীকে সৈর্য্য করতে পারে না । শুধু কথা কাটাকাটি ঝগড়াই নয় এবার শরীরেও হাত তুলাতুলি চলে ।
এভাবে আর দু তিন বছর চললো । এখন স্ত্রী কথায় কথায় স্বামীর মুখে মুখে তর্ক করতে শিখে গেছে এবং তাই করে । স্বামীও আর পারছে না । শেষ পযন্ত স্বামী সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তার স্ত্রীকে ত্যাগ করবেন ।
একদিন স্বামী তার স্ত্রীকে ডেকে বললেন শোন আমাদের সংসার এভাবে চলতে পারে না মেয়ে দুটি বড় হচ্ছে আমাদের কথা বাদ দিয়ে অন্তত মেয়ে দুটির কথা ভেবে আমাদের সংসার থেকে এসব ঝগড়া দূরে সরিয়ে দিতে হবে আর তা না হলে আমি আমার মেয়ে দুটিকে নিয়ে অন্য কোথাও বাসা নেব তুমি তোমার বাপের বাড়ি চলে যাও ।
স্বামী ভেবে ছিল এসব কথা বলে ভয় দিখিয়ে হয়ত স্ত্রীকে কিছুটা কন্ট্রল করা যাবে । নাহা! কে কার কথা শুনে ? স্ত্রী কোন ভাবেই স্বামীর কথা মানতে রাজি না । তাই স্বামী দেখল দুষ্টু গরু না থেকে শুন্য ঘোয়াল থাকা অনেক ভালো । তাই স্বামী সিদ্ধান্ত নিলেন এবার তিনি স্ত্রীকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিবেন ।আর ওখানে রেখে কিছু দিন দেখবেন ওখানে থেকে হয়ত কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আর পরিবর্তন হলেতো ভাল । অন্তত আমার জন্য না হোক আমার মেয়ে দুটির জন্য ভালো হবে তারা তাদের মায়ের স্নেহ ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হবে না । আর আমিও চাই আমার মেয়ে দুটি তাদের মায়ের স্নেহ ভালবাসা পেয়ে বড় হোক ।
কিন্তু আমার সে আসা কেবল আসা রয়ে রইলো ।
সে বাপের বাড়িতে গেছিল আমার সাথে শেষ ফোনে বলেছিল সে আবার আসবে কিন্তু আজ আসলো না ।
সে আর আসবে না জানি তবু তার পথ চেয়ে বসে আছি ।।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


