somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন করছে। যে তরুণদের হওয়ার কথা সমাজের সবচেয়ে প্রগতিশীল অংশ - সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আদিবাসী এবং ভিন্নমত ও ভিন্নপথের মানুষের অধিকার রক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য শক্তি, সেই শিক্ষার্থীদের একদল সংখ্যালঘুদের অপদস্থ করতে, তাদের ধর্মীয় উৎসবকে উপহাস করতে গরু জবাইয়ের মিছিল বের করেছে। তারুন্যের কী সীমাহীন অপচয়!

নেহা বোরাকে বোলো না যে, যে বয়সে তরুণদের রবীন্দ্রনাথের গানের সুরে, তাঁর বাণীতে হৃদয়ের গভীর অনুভুতিগুলো সপ্তসুরে জেগে ওঠার কথা, তাঁর কবিতা পড়ে কখনো চিন্তামগ্ন, কখনো আবেগে আপ্লুত হওয়ার কথা; গোরা, ঘরে বাইরে বা চতুরঙ্গ পড়ে বন্ধুদের সাথে তর্কে মেতে ওঠার কথা, সেই বয়সে এদের কেউ কেউ শ্রেষ্ঠ সেই কবির মুখে কালি লেপে দিচ্ছে! যে বয়সে যুক্তিশীল ও উদার হওয়ার কথা, গোড়ামী মুক্ত হওয়ার কথা, সেই বয়সে এমন অন্ধত্ব, এমন বিদ্বেষ!

নেহা বোরাকে বোলো না যে, তিনি যখন ধর্ম, বর্ণ জাতি ও সম্প্রদায়নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকারের পক্ষে পথে নেমেছেন, তখন বাংলাদেশের তৌহিদি জনতা ব্লাসফেমির অভিযোগ তুলে জলজ্যান্ত একজন মানুষকে দফায় দফায় পিটিয়ে হত্যা করতে নেমেছে। সেই হত্যাকাণ্ডের পরে জঙ্গিদের সে কী উল্লাস!

হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পরে বাংলাদেশের রাজনীতি ইসলামপন্থীদের দখলে চলে গেছে - যেখানে সাধারণ মানুষের অধিকার নেই, নারী অধিকার নেই, ভিন্নমত ও ভিন্নচিন্তার স্বাধীনতা নেই, সংখ্যালঘুদের অধিকার নেই, আদিবাসীদের অধিকার নেই।

নেহা বোরাকে বোলো না যে, জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশ রাজাকার এবং পাকিস্তানি ও আফগান জঙ্গিবাদী আদর্শের প্রভাবে চলে গেছে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন হয়ে গেছে সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতাবল্বীদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ হামলা ও হত্যার মহোঃসবে। আর এগুলো কে বলা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিশোধ ।

যে আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল সমতা ও বৈষম্যহীনতা, যে আন্দোলনের স্লোগানে ছিল বঙ্গবন্ধুর অমোঘ উচ্চারণ: "সাত কোটি মানুষকে আর দাবায়ে রাখতে পারবা না" - হাসিনার পতনের পরপরই সেই আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধকে তার প্রতিপক্ষ বানিয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি, মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি।

৫ আগস্টের পরপরই এক কুখ্যাত রাজাকারের সন্তান সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিলেন। তিনি জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের প্রশ্ন তুললেন এবং শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার দাবি জানালেন। এরপর শুরু হলো নাম ও ইতিহাস পরিবর্তনের ধারাবাহিক তৎপরতা। বহু বিশ্ববিদ্যালয় ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হয়ে গেল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সত্যেন্দ্রনাথ বসু, জগদীশচন্দ্র বসু ও জীবনানন্দ দাশের নাম কেটে দেওয়া হল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. কুদরাত-ই-খুদা ভবনের নাম হল জাবির ইবনে হাইয়ান। সমতার আন্দোলন হয়ে গেল সাম্প্রদায়িকতা এবং মৌলবাদ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

ইসলামপন্থিরা বরীন্দ্রনাথের নাম বিকৃত করে নাম দিলেন রঠা, বঙ্গবন্ধুর নাম বিকৃত করে তিনি হলেন বঙ্গবল্টু। প্রথম আলো পত্রিকার নাম হল পোদের আলো আর ডেইলি স্টার নাম পেল দিল্লি স্টার। সংবাদকর্মীদের পুড়িয়ে মারতে পত্রিকা অফিসে অগ্নিসংযোগ হামলা ও ভাঙচুর হল। সেখানেও এরা গরু জবাই করে জেয়াফত করলেন।

হামলা হল ছায়ানটে। ভেঙে ফেলা হল হারমোনিয়াম, তবলা, তানপুরা নানা বাদ্যযন্ত্র; পুড়িয়ে দেওয়া হল বই, গানের খাতা ও শিল্পকর্ম; তছনছ করা হলো শ্রেণিকক্ষ ও গ্রন্থাগার। রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি রেহাই পেল না। তারপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল উদীচীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। পুড়ে গেল সংগঠনটির পঞ্চাশ বছরের বেশি সময়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্মারক, গান, নথিপত্র ও ইতিহাস।

আমরা যে বাংলাদেশ পেলাম, সেখানে সংগীত, শিল্পকলা, সাহিত্য ও ইতিহাসই শত্রু, আর তাই ইসলামপন্থিরা সেগুলোকে ধ্বংস করতে উদ্যত। এটা মনে করিয়ে দিল আফগানিস্তানে তালেবানদের হাতে বামিয়ানের সহস্রাব্দপ্রাচীন বুদ্ধমূর্তি ধ্বংসের কথা। সভ্যতা, স্মৃতি ও সৃজনশীলতাকে ধ্বংস করার সে কী উন্মাদনা!

যে নারীরা মাত্র কিছুদিন আগেও পুরুষ সতীর্থদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মিছিল করেছেন, স্লোগান দিয়েছেন, গান গেয়েছেন এবং পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়েছেন, এক মাস পর তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যাঁদের সামনে নিয়ে আসা হলো, তাঁদেরই একজনকে দিয়ে ডয়চে ভেলের একজন সাংবাদিক আধা ঘণ্টা চেষ্টা করেও স্বীকার করাতে পারলেন না যে নারী-পুরুষ সমান, তাঁদের মধ্যে ভেদাভেদ নেই। যে কথা বাংলাদেশের একজন নারী গার্মেন্টস শ্রমিক বা গৃহকর্মীও জানেন, ইসলামপন্থি রাজনীতির খপ্পরে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা একজন নারীর মাথা থেকে সেই সহজ কথা, সেই কাণ্ডজ্ঞানটুকুও ডিলিট হয়ে গেল।

নেহা বোরাকে বোলো না যে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে নারীজাগরণের পথিকৃৎ ও লেখিকা বেগম রোকেয়াকে মুরতাদ ও কাফের আখ্যা দেওয়া হল, তাঁকে কুৎসিত ভাষায় গালি দেওয়া হল, তাঁর প্রতিকৃতিতে কালি মাখানো হল। আমরা যেন এক "ডিলিট এবং রিসেট বাংলাদেশে" পৌঁছে গেলাম। যেখানে একের পর এক বই ডিলিট হচ্ছে, ইতিহাস পুনর্লিখিত হচ্ছে, ভাষার বদল হচ্ছে। মানুষের চিন্তা ও বিবেক মুছে ফেলা হচ্ছে। জর্জ অরওয়েলের ১৯৮৪ উপন্যাসের দুঃস্বপ্নের জগতের মতো, যেখানে অতীতকে নতুন করে লেখা হচ্ছে, ইতিহাস ও ভাষাকে নিয়ন্ত্রণ করে চিন্তার সীমা নির্ধারণ হচ্ছে। মানুষকে শেখানো হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের কথা ভুলে যেতে হবে, আর ইসলামপন্থি বিকৃত ধারণাগুলো বিশ্বাস করতে হবে।

নেহা বোরাকে বোলো না যে, দীপু চন্দ্র দাস নামের একজন নিরীহ গার্মেন্টস শ্রমিককে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ সাজিয়ে প্রথমে পিটিয়ে, তারপর পুড়িয়ে হত্যা করেছিল তৌহিদি জনতা। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সংখ্যালঘুদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই দেশে তাদের জীবনের মূল্য নেই, কোন নিরাপত্তা নেই। ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ তুলে কাউকে পিটিয়ে পুড়িয়ে মারলেও তাদের রক্ষা করার কেউ নেই। এই দেশ তাদের নয় - এই বার্তাটাই তাদের হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেয়া হল।

আক্রান্ত হলো সুফি মাজার। বাউল সম্প্রদায়ের লোকদের পেটানো হল, কাউকে কাউকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পুলিশে দেওয়া হল। আহমদিয়া মুসলিম ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কেউই ইসলামপন্থিদের সহিংসতা থেকে রক্ষা পেল না।

হাসিনার পতনের পর দেশটি জামায়াতের রাজাকার-আলবদর গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি ও আফগান জঙ্গিবাদীদের প্রভাবে চলে গেল। আফগানিস্তান ও কাশ্মীরে পাকিস্তান যে জঙ্গিবাদী কৌশল অনুসরণ করেছে, বাংলাদেশেও ইসলামপন্থি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হল। তারই ধারাবাহিকতায় দেখা গেল, জঙ্গিদের গণহারে মুক্তি দেওয়া হলো, ইসলামপন্থি রাজনৈতিক শক্তির অভূতপূর্ব উত্থান ঘটল, জঙ্গিবাদী বইপুস্তক ছড়িয়ে পড়ল এবং উগ্রপন্থীদের ফিরে আসার পথ তৈরি হল।

এসবই সম্ভব হলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি আমেরিকা ও তার আঞ্চলিক মিত্র পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী-সমর্থিত সরকারের যোগসাজশে। সাম্রাজ্যবাদীদের বন্ধু ড. ইউনূস ও তাঁর পছন্দের লোকদের ক্ষমতায় বসিয়ে আমেরিকা তার সব স্বার্থ হাসিল করে নিল। ড. ইউনূস তাঁর পুরোনো মনিবের উপকারের প্রতিদান দেওয়ার সুযোগ পেলেন। তৌহিদিরা যখন বাংলাদেশকে নরক বানিয়ে ফেলেছে, তখন সেই সুযোগে কোনো সমালোচনার মুখোমুখি না হয়েই ইউনূস আমেরিকার সাথে দেশবিরোধী চুক্তিগুলো করে ফেললেন।

হাসিনার আমলে আমেরিকা বাংলাদেশকে যে দুটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চাপ দিচ্ছিল, কিন্তু হাসিনা সরকার যেগুলো স্বাক্ষর করেনি, ইউনূস সেই সামরিক সরঞ্জাম ও সেবা আদান-প্রদান এবং সামরিক তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়গুলোকে আরও বিস্তৃত অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় এনে সেগুলো সম্পন্ন করে সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের ঋণ শোধ করলেন।

প্রগতিশীল ব্রিটিশ লেখক তারিক আলী তাঁর সাম্প্রতিক সাবস্ট্যাক পোস্টে সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের মক্কা চুক্তিকে যে "ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষা জোট" বলে উল্লেখ করেছেন, আমেরিকার সাথে ইউনূসের করা এই সামরিক চুক্তিগুলো আদতে বাংলাদেশকেও সেই জোটের ভৃত্যপ্রতিম দেশ হিসেবে যুক্ত করে সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ রক্ষায় পৃথিবীর নানা দেশে অরাজকতার মতো ঘৃণ্য কাজে অংশ নেওয়ার রাস্তা তৈরি করল।

নেহা বোরাকে বোলো না যে, বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান হাসিনার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পেরেছে ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে সেটা ইসলামপন্থিদের ক্ষমতাশালী করেছে। যেটা বাংলদেশকে গত দুই বছরে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। যে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীনতার প্রত্যাশা নিয়ে ছাত্র-জনতা হাসিনার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল, আন্দোলনের পরিণতি তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো বাংলাদেশেও আন্দোলনের ছাত্ররা ক্ষমতাসীন স্বৈরাচারীকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারলেও, তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দিকে না গিয়ে বাংলাদেশকে বর্বর মোল্লাতন্ত্র ও শরিয়াতন্ত্রের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

কিন্তু বিপদ এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশ যদি আধা পাকিস্তান এবং আধা আফগানিস্তানের হয়ে ওঠে এবং একই সাথে সামরিক ও কৌশলগতভাবে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে দেশটি দুই দিক থেকে নিয়ন্ত্রণের শিকার হবে। একদিকে থাকবে দেশের ভেতরের ইসলামপন্থি উগ্রবাদ, বর্বরতা ও মোল্লাতন্ত্র - যার প্রকাশ এখন আমরা প্রতিদিনই দেখছি। অন্যদিকে, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির স্বার্থ ও নির্দেশনা।

তোমরা নেহা বোরাকে বোলো না যে, বাংলাদেশ এমন এক "পাকিগানিস্তান" হয়ে উঠতে যাচ্ছে, যেখানে ইসলামপন্থার চাবি থাকবে সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে। দম দেওয়া পুতুলের মতো তারা যখন চাইবে, বাংলাদেশকে জঙ্গি-জিহাদের রণক্ষেত্রে পরিণত করবে, কিংবা অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া ও ফতুর করে দেবে। যখন চাইবে, ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিরক্ষা বলয়ের অংশ বানিয়ে নিজেদের স্বার্থে যুদ্ধে নামাবে; আবার যখন প্রয়োজন ফুরোবে, তখন জঙ্গিদের খেলা শেষ করবে। কখন, কীভাবে এবং কোন স্বার্থে বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে এই ছিনিমিনি খেলা চলবে, তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা থাকবে বিদেশি প্রভুদের হাতে, বাংলাদেশের জনগণের হাতে নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮
৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবীন্দ্রপ্রেমী ও রবীন্দ্রবিরোধী - কারা ভালো লেখে-মন্তব্য করে ব্লগে

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫


আখতারুজ্জামান আজাদ নামে এক লেখকের একটা লেখা দৃষ্টিগোচর হলো কাল। লেখাটা দিয়েই আমার পোস্ট শুরু করব।

স্বল্প-বাংলা-জানা এক জাপানি ভদ্রলোক কোলকাতার এক দাদাকে জিজ্ঞেস করলেন— ‘এই যে আপনারা নামের শেষে দা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জানের বদলে জান: ব্যাপারটায় প্রতিহিংসার ফ্লেভার মেশানো

লিখেছেন অপলক , ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

ইসলামে কি বলা আছে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। দেশের আইনে কি আছে সেটাও না। ইংরেজীতে দুটো শব্দ আছে: Equality (Sameness: সমতা) এবং Equity (Fairness: নায্যতা)।




একটা অপ্রাপ্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজহারুল মান্নান স্যারের শুভ জন্মদিন

লিখেছেন প্রামানিক, ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১৪


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
(স্যারের লেখা একাত্তরের একটি স্মৃতি তুলে ধরলাম)

১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক কারণে স্যারকে জেলে যেতে হয়েছিল। স্যার জেল থেকে ফেরার পর কিছু ক্লাস করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। সেই সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×