somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১। গিজার মহা পিরামিড এটি গিজার গোরস্তানের তিনটি পিরামিডের মধ্যে সবচাইতে পুরাতন এবং বড় । এটি বর্তমান মিসরের এল গিজা নামক স্থানের কাছে অবস্থিত ।


ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত হয়েছিল । সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এটা নির্মাণ করেছিলেন । প্রথমে নির্মাণ করা হয় বিশাল একটি ভিত যার আয়তন ছিল প্রায় ৮০০ বর্গফুট । ভিতটিকে স্থাপন করা হয়েছিল তৎকালীন সম্রাটের খাস উপাসনালয়ের সুবিস্তৃত ছাদে । ভিত্তি স্থাপন করার পর মাটি থেকে এর উচ্চতা দাড়িয়েছিল ৮০ ফুট । এই ভিত্তির উপরেই নির্মিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং বিস্ময়কর পুস্পবাগান । আর ৪০০০ শ্রমিক দিন রাত পরিশ্রম করে তৈরি করেছিলেন সে বাগান । বাগান পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত ছিল আরো প্রায় ১০৫০ জন মালী । ৫ থেকে ৬ হাজার প্রকার যুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল সেই ঝুলন্ত বাগানে । ৮০ ফুট উচুতে অবস্থিত বাগানের সুউচ্চ ধাপগুলোতে নদী থেকে পানি উঠানো হত মোটা পেচানো নলে সাহায্যে । ৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পার্শ্ববর্তী পারস্য রাজ্যের সাথে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এই সুন্দর উদ্যানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় ।
মেসোপটেমিয় সভ্যতার মধ্যে এই ব্যাবিলনের সভ্যতা অন্যতম ব্যাবিলনে । ইফ্রেটিস নদীর তীরে গড়ে ওঠা ব্যাবিলন শহরটি ছিলো জাকজমকপূর্ণটায় ভরা । চারকোণা এই শহরটি তখন প্রশস্ত প্রতিরক্ষা প্রাচীরে ঘেরা ছিল যা বলাবাহুল্য উঁচ্চু এবং প্রশস্তের দিক থেকে ছিলো বিস্ময়কর । শহরের সামনে ছিল মজবুত এবং উঁচ্চু প্রবেশ পথ । আবার শহরের মধ্যে একটি বড়ো স্তম্ভও তৈরি করা হয়েছিল । যার নাম ছিলো ব্যাবিলন টাওয়ার । নামটির সঙ্গে সম্ভবত ব্যাবিলন নামটির সম্পর্ক ছিল ।

খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ এর দিকে সুমেরীয় সভ্যতার পতন হলে ব্যাবিলন সে অঞ্চলের শক্তিশালী একটি সাম্রাজ্যের পরিণত হয় । ব্যাবিলনের প্রথম সম্রাট সারগন ছিলেন মোটামুটি সফল এর কারণ ছিল তিনি ব্যাবিলনের সভ্যতা সমৃদ্ধির শীর্ষে পৌঁছে সম্রাট হামুমারাবির সময়ে ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ সালের পূর্বে সুমেরীয় সংস্কৃতি ও বহু জ্ঞানবিজ্ঞানের উন্নয়ন করা হয় ।

পরবর্তী কয়েকশ বছর ব্যাবিলনের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় বিভিন্ন জাতি এবং গোষ্ঠীর হাতে । হিট্টাইট ও অ্যাসিরিয়ান ও ক্যাসাইট এবং ক্যালডিয়ান জাতি প্রায় হাজার বছর ব্যাবিলনের ক্ষমতা হরণ করেন । তারপর ৬২৫ সালেরপূর্বে নানোপোলাসার এর নেতৃত্বে ব্যাবিলন আবার জেগে ওঠে । তিনি অ্যাসারিয়ানদের রাজধানী নিনেভে দখল করে নেন । তার মৃত্যুর পর তার ছেলে নেবুচাদনেজার ক্ষমতায় আসে । সে ব্যাবিলকে আরো সমৃদ্ধ এবং জাঁকজমকপূর্ণ করে গড়ে তোলে । তিনি ছিলেন স্থাপত্য এবং শিল্পের প্রতি বিশেষভাবে অনুরাগী । তিনি বিভিন্ন যুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দির ও প্রাসাদ এবং স্থাপত্য পূনর্নির্মাণ করেন । ব্যাবিলন শহরকে গড়ে তোলেন সরম্য এবং আকর্ষণীয় করে তোলেন ।

নেবুচাদনেজার II এর ৬০৫ সাল থেকে ৫৬২ সালের পূর্বে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্থাপন হলো ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান অথবা ঝুলন্ত উদ্যান । এই ঝুলন্ত বাগান গড়ে তোলার পিছনে তাকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন তার প্রিয়তম সম্রাজ্ঞীনি । ব্যাবিলনের ঝুলন্ত বাগান বিশ্বের সপ্তাশ্চাযের একটি হয়ে ব্যাবিলনের সুখ্যাতি প্রকাশ করেছে । সম্রাট নেবুচাদনেজার ছিলেন ভীষণ আমুদে । নিনেভে দখল করার সময় মিডিয়ান সম্রাট তাকে সহযোগিতা করেছিলেন । মিডিয়ান রাজকন্যার সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে তিনি তাকে বিয়ে করেন । বিয়ের পর রাজকন্যা হলেন ব্যাবিলনের সম্রাজ্ঞীনি । কিন্তু ব্যাবিলনের সম্রাজ্ঞীনির আদৌ ভালো লাগত না কারণ মিডিয়া ছিলো পাহাড় পর্বতের দেশ । আর ব্যাবিলন ছিল সমতল ভূমি । সম্রাজ্ঞীনি পাহারী দৃশ্যের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়লেন । সম্রাট সম্রাজ্ঞীর মনের কথা বুঝতে পেরে তাকে খুশী করতে প্রাসাদের ওপর বিশাল পাহাড় তৈরি করেন । পাহাড়ের সঙ্গে তৈরি করা হয় মনোরম বাগান । সারা পৃথিবী থেকে চমৎকার সব উদ্ভিদ আর ফুল এনে সাজিয়ে দেওয়া হয় বিশ্ববিখ্যাত সেই বাগান । কারণ তিনিও চেয়েছিলেন পৃথিবীর সব আনন্দ আর সুখের সম্রাজ্ঞীনির জন্য ভালোবাসার প্রতীক অঙ্কন করতে ।

পারস্যের সম্রাট সাইরাস ৫১৪ সালেরপূর্বাব্দে জেরুজালেম দখল করে শহরটি ধ্বংস করেন । এবং তাদের উপসনালয় ও রাজপ্রাসাদ পুড়িয়ে দিলেন । তার সময় থেকেই ব্যাবিলনের সাম্রাজ্য ম্লান হতে থাকে । তার পরবর্তীকালে নেবোনিডাস সম্রাট হলেন । তবে ব্যাবিলনের সমৃদ্ধি আস্তে আস্তে হারিয়ে যেতে থাকে । ব্যাবিলন এখন ধ্বংস স্তুপ । পারসিয়ান সম্রাটের প্রচন্ড আক্রমণে নিমিষেই ধুলোয় মিশে গিয়েছিলো ব্যাবিলন নগরী ।


আর্টেমিসের মন্দির যা ডায়নার মন্দির নামেও পরিচিত আছে । একটি গ্রিক মন্দির যা নির্মান করা হয়েছিল খ্রীস্টপূর্ব ৫৫০ অব্দে এফিয়াস যা বর্তমান তুরস্ক অঞ্চলে । ৩৫৬ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে এক ভয়াবহ অগিকান্ডে এই মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যায় ।
মন্দিরটি ৩৭৭ ফুট লম্বা এবং ১৮০ ফুট চওড়া । পুরোটাই মার্বেল পাথরের তৈরি । এতে ১২৭ টি স্তম্ভ আছে প্রত্যেকটি ৬০ ফুট উঁচ্চতা বিশিষ্ট । প্রতি দেওয়াল জুড়ে বসানো ছিল মণি, মুক্তা, রুবি, পান্না আর হীরক খন্ডের মত মহামূল্যবান রত্নরাজি । প্রবেশ পথের দুইধারেও বসানো হয়েছিল ডায়ানার মূর্তি ।


জিউসের মূর্তি পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের মধ্যেও একটি । ফিডিয়াস খ্রিস্টপূর্ব ৪৩৫ অব্দে মূর্তির নক্সা করা হয় । যে দ্বীপের উপর মূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার পুরোটা জুড়ে এর ভিত্তি তৈরি করা হয় । এটি ছিল ৪২ ফুট উঁচ্চু এবং ৬ ফুট ব্যাসার্ধের । সাতজন মিস্ত্রী আড়াই বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে মুর্তিটি তৈরি করেছিলেন । প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম এই মূর্তিটি খ্রিস্ট ধর্মের প্রসারের সাথে সাথে খৃষ্টীয় ৫ম শতাব্দীতে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছিল ।


ঈজিয়ান সাগরে অবস্থিত সর্ববৃহৎ দ্বীপটির নাম রোডস । খ্রিস্টপূর্ব ২৮০ অব্দে এই দ্বীপে নির্মিত হয় এক বিশাল মূর্তি । আর এতে সময় লেগে ছিল প্রায় ১২টি বছর । এই মূর্তি দুই স্তরে বিভক্ত । প্রথম স্তরটি ছিল ৪০ মেট্রিক টন ওজনের বিশিষ্ট পাথরের ভিত্তি । এই ভিত্তির অপ্রে তৈরি হয়েছে মূর্তির মূল কাঠামো । মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল তামা দিয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে কিছু লোহাও ব্যবহার করা হয়েছিল । ব্যবহৃত তামার ওজন ছিল ২৫০ মেট্রিক টন । এর উঁচ্চতা ছিল ১২০ ফুট । খ্রিস্টপূর্ব ২২৮ অব্দে এক প্রলংকরী ভূমিকম্পে মূর্তিটির এক পা ভেঙ্গে যায় । ষষ্ঠ শতাব্দীর মাঝামাঝি সারাসিন জাতি রোডস দ্বীপ দখল করার পরে মূর্তিটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল ।



খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় তৈরি করা হয়েছিল আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর । প্রথমে বন্দরের পরিচিতি চিহ্ন হিসেবে তৈরি করা হলেও পরবর্তীতে এটী বাতিঘর হিসেবেই কাজ করে ।
বাতিঘরের মূল ভিত্তিভূমির আয়তন ছিল ১১০ বর্গফুট । উঁচ্চতা ছিল ৪৫০ ফূট । মূল দেহের গোটা শরীরে একটা প্যাচানো সিড়ি ছিল । এই সিড়ি বেয়েই উঠতে হতো । বাতিঘর তৈরির সময় ৪৫০ ফুট উচুতে যে বিশাল অগ্নিকুন্ড জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পূর্বে সেটি আর কেও নিভে যেতে দেখেনি । ৫০ মাইল দূর থেকেও বাতিঘরটি দেখা যেত । দ্বাদশ শতকে এক প্রবল ভূমিকম্পে বাতিঘরটি ভেঙ্গে পড়েছিল ।



হ্যালিকারনেসাসের সমাধি মন্দিরটি খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০ অব্দে তুরস্কের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে অবস্থিত কারিয়া রাজ্যে নির্মিত হয় এই সমাধি স্তম্ভ । ১৩৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল সম্পূর্ণ মর্মর পাথর ধারা । এটি তিন স্তরে বিভক্ত করা হয় । প্রথম স্তরে আয়তাকার বিশাল এক প্রস্তর ভিত্তি । দ্বিতীয় স্তরে ছিল ৩৮টি থাম যার প্রতিটির উচ্চতা ছিল ৫৬ ফুট এবং তৃতীয় স্তরটি ছিল সোজা উর্ধ্বাকাশে উঠে যাওয়া বিশালাকৃতির পিরামিড আকারের গম্বুজ এর মতো । গম্বুজের উঁচ্চুটা ছিল ৫০ ফুট । এটি ছিল মার্বেল পাথরের । গ্রিক বীর আলেকজান্ডার তুরস্ক আক্রমণের সময় এই মন্দিরটি ধ্বংস করে দেন ।

ছবি তথ্য গুগল ও ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৩৭
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×