
সময়টা বর্ষাকাল।
মিস্টার ওয়াকার তার হাউসহোল্ড হেল্পার জন ফোর্ড কে নিয়ে বেসমেন্ট আসে জংগল থেকে কাঠ কাটার সরঞ্জাম জোগাড় করবার জন্য। বর্ষাকাল চলে এসেছে।বর্ষায় রান্নার জন্য আগে থেকেই শুকনো কাঠ জোগাড় করে রাখতে হবে।কাঠ কাটার সরঞ্জাম জোগাড় করতে গিয়ে নজর যায় বেসমেন্টের এক কোনায় পড়ে থাকা কাঠের বড় দামী বাক্সটার দিকে।বাক্সটা বেশ পুরনো।তার মধ্যে এক ধরনের শ্যাওলা জন্মেছে।
ওয়াকার বিস্মিত হয়ে বলল, “কি আছে এর মধ্যে? আগে তো কোনদিন দেখিনি? তোমাদের কোন জিনিস এখানে রেখেছ নাকি”
“এটা একটা মেয়ের লাশ।বাড়ি খনন করার সময় মাটির অনেক গভীর থেকে এই কাঠের বাক্স সহ লাশ খুঁজে পাওয়া গেছে।লাশটা কম হলেও শত বছরের পুরনো। কফিনের গায়ে লেখা এটি ১৬৩৭ সালের কথা। তবে মেয়ের সম্পর্কে কোন কিছু লেখা নেই।কি তার পরিচয়? কেন মারা গেল? সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো মেয়েটির লাশ একদম অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।যেন ঘন্টা খানেক আগে মারা গেছে।লাশের গায়ে নেই কোন গন্ধ কিংবা কাটাছেঁড়া। মেয়েটি সম্ভবত এশিয়ান হবে। চেহারা দেখে সেইরকম ই মনে হচ্ছে” খুব স্বাভাবিক ভাবেই বলল জন।যেন এইভাবে মাটির গভীর থেকে এইভাবে পুরনো কাঠের বাক্সে একজন তরুনীর অক্ষত লাশ পাওয়া খুব সাধারণ বিষয়।
ওয়াকার অবাক হয় পড়লো।কি বলছে জন।সে কি পাগল হয়ে গেল নাকি। যতদূর জানে জন খুব ভালো এবং ভদ্র ঘরের একটা ছেলে।নেশা পানি পান করার অভ্যাস তার মধ্যে নেই।১৬৩৭ সালের একটা কফিন যেটা কিনা মাটির নিচ থেকে পাওয়া গেছে তাও আবার অক্ষত।এটাও কি সম্ভব। ওয়াকার বাড়ি তৈরি করেছে ছয় বছরের কাছাকাছি। এতগুলো দিন সে এই অজ্ঞাত লাশের ব্যাপারে কিছুই জানতে পারে নি।আর জানবেই বা কি করে।ঋনের বোঝা মাথায় না এলে হয়তো এই বাড়িতে কোনদিন থাকতে আসতো না।এই বাড়ি নিয়ে বিগত ছয় বছরে কোন আগ্রহ দেখায়নি ওয়াকার ও তার স্ত্রী নেসলি।
উপন্যাস:দ্য কফিন লেডি (প্রকাশিতব্য উপন্যাস)
লেখিকা: জান্নাতুন নাঈম ইরা
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


