
জীবনে স্বপ্ন দেখা একটি মেয়ের স্বপ্ন গুলু কিভাবে অকালেই থেতলে দিল কিছু 'পিচাশ, ! মেয়েটির নাম রূপা , রূপার বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসানবাড়ি গ্রামে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকা আইডিয়াল ল’ কলেজে এলএলবি শেষ পর্বে পড়াশোনা করছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তিনি। তাঁর কর্মস্থল ছিল শেরপুর জেলা।
জীবন সংগ্রামী মেয়েটি বগুড়ায় গিয়েছিল শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিতে। পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য সন্ধ্যা সাতটার দিকে ছোঁয়া পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। এটিই তার জন্য কাল হয়ে আসে। বাসের ৫ নর পিচাশ স্বপ্ন দেখা মেয়েটিকে বাসে একা পেয়ে গণধর্ষণের পর হত্যা করে রাস্তায় ফেলে দেয়। একটা স্বাধীন দেশে এটা কিভাবে সম্ভব??
কিভাবে সাহস পায় বাসের হেলফার ড্রাইভার মিলে এই জঘন্য নৃশংসতা করার। আমি বলব একমাত্র বিচারহিনতা । ধর্ষনের মত জঘন্য অপরাধ করে আবার নৃশংস ভাবে খুন করে ও তারা পার পেয়ে যায়।
পত্রিকা মাধ্যমে জানতে পারলাম শুক্রবার রাতে ছোঁয়া পরিবহনের যে বাস বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ গিয়েছিল, সেই একই বাস সোমবার মধুপুর অতিক্রম করার সময় পুলিশ আটকায়। এরপর ওই বাসের চালক হাবিব (৪৫), সুপারভাইজার সফেদ আলি (৫৫) এবং বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসের তিন সহকারী রূপাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে।
তাহলেতো আর কোণ প্রমানের দরকার পড়ে না। তাদের স্বীকার উক্তিই যথেষ্ট তাদের বিচার করার জন্য। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছে, ওই দিন বাসে রূপাসহ ছয় থেকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। অন্য যাত্রীরা সিরাজগঞ্জ মোড় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় রূপা একাই বাসে ছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাছাকাছি এলে বাসের সহকারী শামীম জোর করে রূপাকে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যায়। এ সময় রূপা তাঁর কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা ও মুঠোফোন শামীমকে দিয়ে দেন এবং ক্ষতি না করতে অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাঁকে ধর্ষণ করে। রূপা চিৎকার শুরু করলে ধর্ষকেরা তাঁর মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে ঘাড় মটকে রূপাকে হত্যা করা হয়। পরে মধুপুর উপজেলা সদর পেরিয়ে বন এলাকা শুরু হলে পঁচিশ মাইল এলাকার রাস্তার পাশে লাশটি ফেলে দেওয়া হয়। কি বীভৎস ঘটনা ।
সরকার এবং প্রশাসন বাহাদুরের কাছে দাবী এবং আবেদন এই ঘটনার ত্বরিত বিচার করে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হউক যাতে কেউই এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে সাহস না পায়। কঠিন শাস্তি এবং তা প্রকাশ্যে মিড়িয়া কভারেজের মাধ্যমে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


