ইয়াহিয়ার নতি?
আমার মথা নত করে দাও হে
লণ্ডন, ২১শে আগষ্টপাকিস্তানের সঙ্গে যে সব দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে, তাদের প্রায় প্রত্যেকের প্রচণ্ড কূটনৈতিক চাপে ইয়াহিয়া খান শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করেছেন। সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বিচারে এ, কে, ব্রোহী তার পক্ষ সমর্থন করবেন বলে যে ঘোষণা করা হয়েছে তার এই অর্থ করা হচ্ছে।
এমন কথাও বলা হচ্ছে যে, ইয়াহিয়া খান বুঝতে পারছেন, বর্ত্তমান সঙ্কট থেকে উদ্ধার পাবার একটা পথ তাঁকে বার করতেই হবে এবং তিনি তাঁর প্রাসাদশীর্ষ থেকে নেমে আসতেও চাইতে পারেন।
জনাব ব্রোহী সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধুর গোপন বিচারে তাঁর পক্ষ সমর্থন করলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন। কারণ, জনাব ব্রোহী একজন প্রথম শ্রেণীর আইনজ্ঞ হিসাবেই বিখ্যাত নন, একজন উদার মনের মানুষ হিসাবেও তাঁর নাম আছে এবং তিনি মানুষের মর্যাদা দেন।
জুলফিকর আলি ভূট্টো কখনও জনাব ব্রোহীকে সহ্য করতে পারেন নি। বরাবরই তিনি তাঁকে অপছন্দ করেছেন। তিনিই তাঁকে পাকিস্তানের কূটনৈতিক কর্ম্ম থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।
বাংলাদেশ (১) ১ ঃ ১২ ২৩ আগস্ট ১৯৭১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



